10:42 pm, Friday, 10 July 2026

অনলাইন প্রতারণার শিকার আইসিসির

ডেস্ক রিপোর্ট : বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। অনলাইন প্রতারণার শিকার হয়ে ২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার বা বাংলাদেশী মুদ্রায় ২৬ কোটি টাকার বেশি হারিয়েছে আইসিসি।ক্রিকেট ওয়েবসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফো ও ক্রিকবাজের প্রতিবেদনে অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র থেকে অপরাধটি ২০২২ সালে সংঘটিত হয়েছে। আর্থিক এই প্রতারণার জন্য বিজনেস ই-মেইল কম্প্রোমাইজ (বিইসি) ব্যবহার করেছে প্রতারকরা। এটিকে ‘সবচেয়ে আর্থিক ক্ষতিকারক অনলাইন অপরাধের’ একটি হিসেবে বর্ণনা করেছে ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)।
এ ঘটনা নিয়ে এখনো মুখ খুলেনি আইসিসি। যুক্তরাষ্ট্রে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সন্দেহভাজন জালিয়াতির কথা জানিয়েছে আইসিসি। এটি নিয়ে তদন্ত চলছে। আইসিসির অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করেছে এফবিআই। জানা গেছে, গত বছর বোর্ডকে এ ঘটনা সম্পর্কে অবহিত করেছিলো আইসিসি।
প্রতারকরা আইসিসির অ্যাকাউন্ট থেকে ঠিক কোন উপায়ে অর্থ সরিয়ে নিয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। দুবাইয়ে সংস্থার সদর দফতরের কোনও কর্মীর সাথে সরাসরি যোগাযোগ করেছিলো কি-না, একবারেই বা একাধিকবার অর্থ সরানো হয়েছে কি না, তা নিয়েও কিছু জানায়নি আইসিসি বা এফবিআই।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, বেশ কয়েক দফায় কয়েক দিন ধরে ২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার সরানো হয়েছে। আইসিসির প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) বিষয়টি নিয়ে কাজ করছেন।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

বড়লেখায় বাঁশের বেড়ায় রাস্তা বন্ধ : প্রতিবাদ করায় হামলা ও শ্লীলতাহানি

অনলাইন প্রতারণার শিকার আইসিসির

Update Time : 11:34:29 am, Saturday, 21 January 2023

ডেস্ক রিপোর্ট : বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। অনলাইন প্রতারণার শিকার হয়ে ২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার বা বাংলাদেশী মুদ্রায় ২৬ কোটি টাকার বেশি হারিয়েছে আইসিসি।ক্রিকেট ওয়েবসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফো ও ক্রিকবাজের প্রতিবেদনে অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র থেকে অপরাধটি ২০২২ সালে সংঘটিত হয়েছে। আর্থিক এই প্রতারণার জন্য বিজনেস ই-মেইল কম্প্রোমাইজ (বিইসি) ব্যবহার করেছে প্রতারকরা। এটিকে ‘সবচেয়ে আর্থিক ক্ষতিকারক অনলাইন অপরাধের’ একটি হিসেবে বর্ণনা করেছে ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)।
এ ঘটনা নিয়ে এখনো মুখ খুলেনি আইসিসি। যুক্তরাষ্ট্রে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সন্দেহভাজন জালিয়াতির কথা জানিয়েছে আইসিসি। এটি নিয়ে তদন্ত চলছে। আইসিসির অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করেছে এফবিআই। জানা গেছে, গত বছর বোর্ডকে এ ঘটনা সম্পর্কে অবহিত করেছিলো আইসিসি।
প্রতারকরা আইসিসির অ্যাকাউন্ট থেকে ঠিক কোন উপায়ে অর্থ সরিয়ে নিয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। দুবাইয়ে সংস্থার সদর দফতরের কোনও কর্মীর সাথে সরাসরি যোগাযোগ করেছিলো কি-না, একবারেই বা একাধিকবার অর্থ সরানো হয়েছে কি না, তা নিয়েও কিছু জানায়নি আইসিসি বা এফবিআই।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, বেশ কয়েক দফায় কয়েক দিন ধরে ২ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার সরানো হয়েছে। আইসিসির প্রধান অর্থ কর্মকর্তা (সিএফও) বিষয়টি নিয়ে কাজ করছেন।