3:22 pm, Thursday, 19 February 2026

অন্তর্বর্তী সরকারের জবাবদিহিতার অভাবে দেশে সংকট: রিজভী

ডেস্ক রিপোর্ট :: বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের জবাবদিহিতার অভাবে দেড় বছরেও দেশে বিভিন্ন ধরনের সংকট দেখা যাচ্ছে। মানুষের কর্মসংস্থান হচ্ছে না, কলকারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে; এর কারণ সরকারের কোনো জবাবদিহিতা নেই।

দেশে যদি কোনো নির্বাচিত সরকার থাকতো তাহলে তাদের প্রতিটি ব্যর্থতার জন্য জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকতো। আর এই জবাবদিহিতার কারণে নির্বাচিত সরকার সঠিকভাবে কাজ করতে বাধ্য থাকতো।

তাই এই মুহূর্তে আমাদের একটাই লক্ষ্য আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের নির্বাচিত সরকার গঠন করা।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে শরীয়তপুর সদর ও জাজিরা উপজেলায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন-বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সরদার একেএম নাসির উদ্দীন কালু, সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ আহমেদ আসলাম।

এসময় বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পে শতাধিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মাধ্যমে কয়েক হাজার মানুষকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধ দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে রিজভী দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আরও বলেন, বর্তমান সরকারের যে ঢিলেঢালা অবস্থা আমরা দেখছি তা সত্যিই দুঃখজনক। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক নয় বরং প্রতিদিনই এর অবনতি হচ্ছে। আগামী নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশনারের উচিত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতি করা।

এসময় তিনি নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রমের প্রতি সংশয় প্রকাশ করে বলেন, আজ নানা কারণে নির্বাচন কমিশনারের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এদেশের মানুষ দীর্ঘ ১৭ বছর ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেনি, এখন মানুষ চায় নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে পছন্দ মতো প্রার্থীকে ভোট দেবে। এই নিশ্চয়তা নির্বাচন কমিশনারকে দিতে হবে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন সামগ্রিকভাবে সবকিছু সামাল দিতে পারছেন বলে আমার কাছে মনে হচ্ছে না।

নির্বাচন কমিশন যদি কোনো দিকে হেলে যায় তাহলে পুরোনো দিনের মানুষের যে আশঙ্কা সে আশঙ্কাই ফিরে আসবে।

বিগত দিনে জনগণের যেভাবে ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে তা একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে ফিরিয়ে দিতে হবে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

বাণিজ্য-জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়াবে বাংলাদেশ-নেপাল

অন্তর্বর্তী সরকারের জবাবদিহিতার অভাবে দেশে সংকট: রিজভী

Update Time : 10:48:15 am, Tuesday, 20 January 2026

ডেস্ক রিপোর্ট :: বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের জবাবদিহিতার অভাবে দেড় বছরেও দেশে বিভিন্ন ধরনের সংকট দেখা যাচ্ছে। মানুষের কর্মসংস্থান হচ্ছে না, কলকারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে; এর কারণ সরকারের কোনো জবাবদিহিতা নেই।

দেশে যদি কোনো নির্বাচিত সরকার থাকতো তাহলে তাদের প্রতিটি ব্যর্থতার জন্য জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকতো। আর এই জবাবদিহিতার কারণে নির্বাচিত সরকার সঠিকভাবে কাজ করতে বাধ্য থাকতো।

তাই এই মুহূর্তে আমাদের একটাই লক্ষ্য আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের নির্বাচিত সরকার গঠন করা।
মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে শরীয়তপুর সদর ও জাজিরা উপজেলায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন-বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সরদার একেএম নাসির উদ্দীন কালু, সাংগঠনিক সম্পাদক সাঈদ আহমেদ আসলাম।

এসময় বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পে শতাধিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মাধ্যমে কয়েক হাজার মানুষকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধ দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে রিজভী দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আরও বলেন, বর্তমান সরকারের যে ঢিলেঢালা অবস্থা আমরা দেখছি তা সত্যিই দুঃখজনক। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক নয় বরং প্রতিদিনই এর অবনতি হচ্ছে। আগামী নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচন কমিশনারের উচিত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতি করা।

এসময় তিনি নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রমের প্রতি সংশয় প্রকাশ করে বলেন, আজ নানা কারণে নির্বাচন কমিশনারের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এদেশের মানুষ দীর্ঘ ১৭ বছর ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেনি, এখন মানুষ চায় নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে পছন্দ মতো প্রার্থীকে ভোট দেবে। এই নিশ্চয়তা নির্বাচন কমিশনারকে দিতে হবে। কিন্তু নির্বাচন কমিশন সামগ্রিকভাবে সবকিছু সামাল দিতে পারছেন বলে আমার কাছে মনে হচ্ছে না।

নির্বাচন কমিশন যদি কোনো দিকে হেলে যায় তাহলে পুরোনো দিনের মানুষের যে আশঙ্কা সে আশঙ্কাই ফিরে আসবে।

বিগত দিনে জনগণের যেভাবে ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে তা একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে ফিরিয়ে দিতে হবে।