10:11 pm, Thursday, 8 October 2026

অপ্রচলিত বাজারে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৩১ শতাংশ

 

ডেস্ক রিপোট:চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) অপ্রচলিত বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি বেড়েছে। এসব বাজারে প্রায় ৩০ দশমিক ৮০ শতাংশ রপ্তানি বেড়ে ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। অপ্রচলিত বাজারগুলোর মধ্যে রয়েছে- জাপান, অস্ট্রেলিয়া, ভারত এবং দক্ষিণ কোরিয়া। তৈরি পোশাকশিল্প মালিক ও রপ্তানিকারক সমিতি বিজিএমইএ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যমতে, আলোচ্য সময়ে জাপানের প্রধান বাজারগুলোতে বাংলাদেশের পোশাক পণ্যের রপ্তানি ছিল এক দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়ার বাজারে ৯৬১ দশমিক ৩০ মিলিয়ন, ভারতীয় বাজারে ৮৮৯ দশমিক শূন্য ৬ মিলিয়ন এবং দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৪৭৭ দশমিক ৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

আলোচ্য সময়ে মোট পোশাক রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৯ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ বেড়েছে। এ সময়ে বাংলাদেশ থেকে মোট পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৩৮ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের। এর মধ্যে ইউরোপের বাজারে গেছে ১৯ দশমিক ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পোশাক (মোট রপ্তানির ৪৯ দশমিক ৭৮ শতাংশ)। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৬ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলারের পোশাক, যা মোট রপ্তানির ১৮ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। এ সময়ে কানাডায় রপ্তানি হয়েছে এক দশমিক ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পোশাক, যা মোট রপ্তানির ৩ দশমিক ১৯ শতাংশ।

আলোচ্য সময়ে অপ্রচলিত বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের। এটি এ সময়ে মোট পোশাক রপ্তানির ১৮ দশমিক ১৬ শতাংশ।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

মৌলভীবাজারে শহরের ১৪টি পূজা মণ্ডপে অনুদানের চেক বিতরণ

অপ্রচলিত বাজারে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৩১ শতাংশ

Update Time : 08:20:27 am, Saturday, 13 May 2023

 

ডেস্ক রিপোট:চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) অপ্রচলিত বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি বেড়েছে। এসব বাজারে প্রায় ৩০ দশমিক ৮০ শতাংশ রপ্তানি বেড়ে ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। অপ্রচলিত বাজারগুলোর মধ্যে রয়েছে- জাপান, অস্ট্রেলিয়া, ভারত এবং দক্ষিণ কোরিয়া। তৈরি পোশাকশিল্প মালিক ও রপ্তানিকারক সমিতি বিজিএমইএ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যমতে, আলোচ্য সময়ে জাপানের প্রধান বাজারগুলোতে বাংলাদেশের পোশাক পণ্যের রপ্তানি ছিল এক দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়ার বাজারে ৯৬১ দশমিক ৩০ মিলিয়ন, ভারতীয় বাজারে ৮৮৯ দশমিক শূন্য ৬ মিলিয়ন এবং দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৪৭৭ দশমিক ৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

আলোচ্য সময়ে মোট পোশাক রপ্তানি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৯ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ বেড়েছে। এ সময়ে বাংলাদেশ থেকে মোট পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৩৮ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের। এর মধ্যে ইউরোপের বাজারে গেছে ১৯ দশমিক ২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পোশাক (মোট রপ্তানির ৪৯ দশমিক ৭৮ শতাংশ)। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৬ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলারের পোশাক, যা মোট রপ্তানির ১৮ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ। এ সময়ে কানাডায় রপ্তানি হয়েছে এক দশমিক ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পোশাক, যা মোট রপ্তানির ৩ দশমিক ১৯ শতাংশ।

আলোচ্য সময়ে অপ্রচলিত বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের। এটি এ সময়ে মোট পোশাক রপ্তানির ১৮ দশমিক ১৬ শতাংশ।