4:54 am, Saturday, 16 May 2026

আম্মাজান’কে রাহাত ফতেহ আলী খানের শ্রদ্ধা

 

ডেস্ক রিপোর্ট : একজন অভিনেত্রী ‘আম্মাজান’খ্যাত বিখ্যাত অভিনেত্রী শবনম। যিনি বাংলাদেশের নাগরিক হলেও পাকিস্তানের কিংবদন্তি অভিনেত্রী হিসেবে সর্বজন শ্রদ্ধেয়। উপমহাদেশের চলচ্চিত্রাঙ্গনের সর্বকালের অন্যতম সেরা অভিনেত্রী হিসেবে ধরা হয় শবনমকে। ১৯৬২ সালে চলচ্চিত্র জীবনের শুরু এবং সারাজীবনে প্রায় ১৭০ টির মত সিনেমায় অভিনয় করেছেন। পাকিস্তানেই বেশি কাজ করতেন তিনি। সেখানে মোট ১৩ বার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার পাওয়ার শবনমের রেকর্ড আজও কেউ ভাঙতে পারেনি। ৬০ এবং ৭০ এর দশকে পাকিস্তানি সিনেমায় নাদিম-শবনম জুটি মানেই ছিল সুপার ডুপার হিট সিনেমা।

আরেকজন উপমহাদেশের সুফি সংগীতে প্রভাব বিস্তার করে রাখা ফতেহ আলী খান পরিবারের সন্তান রাহাত ফতেহ আলী খান। তাকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কিছু নেই। উর্দু ও হিন্দি ভাষার বহু গান দিয়ে পাকিস্তানের এই গায়ক নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন অনন্য উচ্চতায়।

দুই ভুবনের দুই বাসিন্দা তারা। তবে দুজনেই পাকিস্তানের সংস্কৃতির সফল প্রতিনিধি। সম্প্রতি উপলক্ষ এলো দুজনের মুখোমুখি হওয়ার। সেখানে নেমে এসেছিল অদ্ভূত আবেগমাখা কিছু সময়।

গেল সপ্তাহে রাহাত ফতেহ আলী খান পরপর দু’টি কনসার্টে সংগীত পরিবেশন করতে বাংলাদেশে এসেছিলেন। এই সফরের ব্যস্ততার মধ্যেই কিংবদন্তী অভিনেত্রী শবনমের সঙ্গে দেখা করেন রাহাত। ‘পাকিস্তান অ্যাম্বাসী অব বাংলাদেশ’ আয়োজিত একটি ডিনারে অংশ নেন তারা। অভিনেত্রী শবনমের সঙ্গে দেখা হবে জেনেই ব্যস্ততার ফাঁকে সেই ডিনারে যেতে সম্মত হয়েছিলেন রাহাত ফতেহ আলী খান। জানা যায়, আয়োজনটিতে আগেই পৌঁছেছিলেন রাহাত। তিনি যখন শুনলেন শবনম অনুষ্ঠানস্থলে এসেছেন দ্রুত ছুটে যান তার কাছে। শবনমকে শ্রদ্ধা জানিয়ে কুশলাদি বিনিময় করেন। উপস্থিত সবার কাছেই সেই দৃশ্য বেশ উপভোগ্য মুহুূর্ত হিসেবে ধরা দেয়।

সেই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক হলেন সারজিস আলম, পাকিস্তানের হাইকমিশনার সৈয়দ আহমেদ মারুফসহ আরও অনেকেই।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

আম্মাজান’কে রাহাত ফতেহ আলী খানের শ্রদ্ধা

Update Time : 07:26:41 am, Sunday, 29 December 2024

 

ডেস্ক রিপোর্ট : একজন অভিনেত্রী ‘আম্মাজান’খ্যাত বিখ্যাত অভিনেত্রী শবনম। যিনি বাংলাদেশের নাগরিক হলেও পাকিস্তানের কিংবদন্তি অভিনেত্রী হিসেবে সর্বজন শ্রদ্ধেয়। উপমহাদেশের চলচ্চিত্রাঙ্গনের সর্বকালের অন্যতম সেরা অভিনেত্রী হিসেবে ধরা হয় শবনমকে। ১৯৬২ সালে চলচ্চিত্র জীবনের শুরু এবং সারাজীবনে প্রায় ১৭০ টির মত সিনেমায় অভিনয় করেছেন। পাকিস্তানেই বেশি কাজ করতেন তিনি। সেখানে মোট ১৩ বার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার পাওয়ার শবনমের রেকর্ড আজও কেউ ভাঙতে পারেনি। ৬০ এবং ৭০ এর দশকে পাকিস্তানি সিনেমায় নাদিম-শবনম জুটি মানেই ছিল সুপার ডুপার হিট সিনেমা।

আরেকজন উপমহাদেশের সুফি সংগীতে প্রভাব বিস্তার করে রাখা ফতেহ আলী খান পরিবারের সন্তান রাহাত ফতেহ আলী খান। তাকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কিছু নেই। উর্দু ও হিন্দি ভাষার বহু গান দিয়ে পাকিস্তানের এই গায়ক নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন অনন্য উচ্চতায়।

দুই ভুবনের দুই বাসিন্দা তারা। তবে দুজনেই পাকিস্তানের সংস্কৃতির সফল প্রতিনিধি। সম্প্রতি উপলক্ষ এলো দুজনের মুখোমুখি হওয়ার। সেখানে নেমে এসেছিল অদ্ভূত আবেগমাখা কিছু সময়।

গেল সপ্তাহে রাহাত ফতেহ আলী খান পরপর দু’টি কনসার্টে সংগীত পরিবেশন করতে বাংলাদেশে এসেছিলেন। এই সফরের ব্যস্ততার মধ্যেই কিংবদন্তী অভিনেত্রী শবনমের সঙ্গে দেখা করেন রাহাত। ‘পাকিস্তান অ্যাম্বাসী অব বাংলাদেশ’ আয়োজিত একটি ডিনারে অংশ নেন তারা। অভিনেত্রী শবনমের সঙ্গে দেখা হবে জেনেই ব্যস্ততার ফাঁকে সেই ডিনারে যেতে সম্মত হয়েছিলেন রাহাত ফতেহ আলী খান। জানা যায়, আয়োজনটিতে আগেই পৌঁছেছিলেন রাহাত। তিনি যখন শুনলেন শবনম অনুষ্ঠানস্থলে এসেছেন দ্রুত ছুটে যান তার কাছে। শবনমকে শ্রদ্ধা জানিয়ে কুশলাদি বিনিময় করেন। উপস্থিত সবার কাছেই সেই দৃশ্য বেশ উপভোগ্য মুহুূর্ত হিসেবে ধরা দেয়।

সেই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক হলেন সারজিস আলম, পাকিস্তানের হাইকমিশনার সৈয়দ আহমেদ মারুফসহ আরও অনেকেই।