আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: বুধবার ইরাকের দিয়ালা প্রদেশের মুকদাদিয়ায় হামলার ঘটনাস্থলে কাজ করছেন দেশটির নিরাপত্তা ও জরুরি সেবা কর্মীরা।
ইরাকে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের হামলার নিন্দা জানিয়েছে ইরান। হামলায় সরকারি ইরাকি প্রতিষ্ঠানের স্থাপনা এবং আরবাঈন উপলক্ষে তীর্থযাত্রীদের ব্যবহৃত বিশ্রামকেন্দ্রও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তেহরান।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, এসব হামলা ইরাকের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার লঙ্ঘন এবং জাতিসংঘ সনদের পরিপন্থী। একই সঙ্গে তারা অভিযোগ করেছে, ওয়াশিংটন ও ইসরায়েল অঞ্চলজুড়ে সংঘাত আরও বিস্তৃত করার চেষ্টা করছে।
আরবাঈন বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বার্ষিক ধর্মীয় সমাবেশ। এ উপলক্ষে কোটি কোটি শিয়া মুসলিম, যাদের অনেকে হেঁটেই ইরাকের কারবালা শহরে যান মহানবী হজরত মুহাম্মদের (সা.) দৌহিত্র ইমাম হুসাইনের (আ.) শাহাদাতের ৪০ দিনের শোকপর্বের সমাপ্তি উপলক্ষে।
বিবৃতিতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘এই হামলাগুলো ইরাকের জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।’ এসব হামলাকে ‘অপরাধমূলক, অমানবিক ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড’ বলেও অভিহিত করা হয়েছে।
হামলায় নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে ইরাক সরকার ও জনগণের প্রতি ‘পূর্ণ সমর্থন ও সংহতি’ পুনর্ব্যক্ত করেছে তেহরান।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

নিজস্ব প্রতিবেদক 




























