1:36 am, Tuesday, 11 August 2026

ইয়াসের প্রভাবে পটুয়াখালীর ১৬ গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দী ৮ হাজার মানুষ

ডেস্ক রিপোর্ট :: ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে পটুয়াখালীর কলাপাড়া ও মহিপুরের বিধ্বস্ত বেড়িবাঁধ দিয়ে স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ থেকে ৪ ফুট উচ্চতার জোয়ারের পানি প্রবেশ করে নয়টি গ্রাম পুরোপুরি প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন ওইসব গ্রামের প্রায় আট হাজার মানুষ।

এছাড়াও রাঙ্গাবালী উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের বেড়িবাঁধের বাইরের সকল নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলসহ সাতটি গ্রাম ৩ থেকে ৪ ফুট জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। চর মোন্তাজ ইউনিয়নের চর আন্ডার বেড়িবাঁধ ভেঙে পানি প্রবেশ করে পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন সহস্রাধিক মানুষ। এতে ওইসব এলাকার মানুষের রান্নাসহ স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। কয়েকশ পুকুর ও ঘের পানিতে তলিয়ে গেছে। রাতের জোয়ারে আরও পানির চাপ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কায় রয়েছেন ওই এলাকার মানুষ।

জানা গেছে, কলাপাড়ার নীলগঞ্জের ইউনিয়নের বিধ্বস্ত নীচকাটা স্লুইজ ভেঙে যে কোনো সময় প্লাবিত হতে পারে অন্তত ১২টি গ্রাম। এতে পানিবন্দী হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে ১২ হাজার মানুষ।

দুর্গত এসব মানুষের নিরাপদ আশ্রয়সহ খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাঙ্গাবালি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসফাকুর রহমান ও কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হক।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক-সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা

ইয়াসের প্রভাবে পটুয়াখালীর ১৬ গ্রাম প্লাবিত, পানিবন্দী ৮ হাজার মানুষ

Update Time : 10:50:59 am, Tuesday, 25 May 2021

ডেস্ক রিপোর্ট :: ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে পটুয়াখালীর কলাপাড়া ও মহিপুরের বিধ্বস্ত বেড়িবাঁধ দিয়ে স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ থেকে ৪ ফুট উচ্চতার জোয়ারের পানি প্রবেশ করে নয়টি গ্রাম পুরোপুরি প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন ওইসব গ্রামের প্রায় আট হাজার মানুষ।

এছাড়াও রাঙ্গাবালী উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের বেড়িবাঁধের বাইরের সকল নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলসহ সাতটি গ্রাম ৩ থেকে ৪ ফুট জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। চর মোন্তাজ ইউনিয়নের চর আন্ডার বেড়িবাঁধ ভেঙে পানি প্রবেশ করে পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন সহস্রাধিক মানুষ। এতে ওইসব এলাকার মানুষের রান্নাসহ স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। কয়েকশ পুকুর ও ঘের পানিতে তলিয়ে গেছে। রাতের জোয়ারে আরও পানির চাপ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কায় রয়েছেন ওই এলাকার মানুষ।

জানা গেছে, কলাপাড়ার নীলগঞ্জের ইউনিয়নের বিধ্বস্ত নীচকাটা স্লুইজ ভেঙে যে কোনো সময় প্লাবিত হতে পারে অন্তত ১২টি গ্রাম। এতে পানিবন্দী হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে ১২ হাজার মানুষ।

দুর্গত এসব মানুষের নিরাপদ আশ্রয়সহ খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাঙ্গাবালি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসফাকুর রহমান ও কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হক।