8:01 am, Sunday, 9 August 2026

এভার কেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে খালেদা জিয়াকে

অনলাইন ডেস্ক: সিটি স্ক্যান করাতে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে এভার কেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল)  রাত ৯টা ২০ মিনিটে গুলশানের  বাসভবন থেকে তাকে সেখানে নেওয়া হয়।  চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং শায়রুল কবির খান জানান, বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ২০ মিনিটে গুলশানের বাসভবন ফিরোজা থেকে এভার কেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয় বিএনপির চেয়ারপারসনকে। সেখানে তার সিটি স্ক্যান করানোর পর রিপোর্ট পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন চিকিৎসকরা।

বৃহস্পতিবার বিকালে ডা. এফ এম সিদ্দিকী বলেন, ‘ম্যাডামের টেস্টে সবই ক্লিয়ার আছে। তাই মনে করছি, তিনি স্ট্যাবল আছেন। কোভিডের প্রথম সপ্তাহের সঙ্গে দ্বিতীয় সপ্তাহের পার্থক্য আছে। দ্বিতীয় সপ্তাহটা আরও সতর্ক থাকতে হবে। যেকোনও এক সময় সিটি স্ক্যান করাবো। অক্সিজেনের অবস্থাও মোটামুটি ভালো আছে। খুব দ্রুত সিটি স্ক্যান করার পর বুঝতে পারবো বাসায় রেখে তার চিকিৎসা হবে, নাকি কোনও হাসপাতালে অবজারভেশনে রাখা দরকার।’

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় পাঁচ বছরের সাজায় কারাদণ্ড হন খালেদা জিয়ার। ২০২০ সালের ২৫ মার্চ সরকারের নির্বাহী আদেশে তার ছয় মাসের মুক্তি হয়। পরে ওই বছরের সেপ্টেম্বরে তার মুক্তির সময়  আরও  ছয় মাস বাড়ায় সরকার। এ বছরের মার্চে তৃতীয়বারের মতো ছয় মাসের মেয়াদ বাড়ানো হয়। গত রবিবার (১১ এপ্রিল) করোনা টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসে খালেদা জিয়ার। ওইদিন বিকালে আনুষ্ঠানিকভাবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

অরক্ষিত ‘হাকালুকি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র’চিকিৎসা বঞ্চিত হাওর পারের হতদরিদ্র বাসিন্দারা

এভার কেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে খালেদা জিয়াকে

Update Time : 03:56:43 pm, Thursday, 15 April 2021

অনলাইন ডেস্ক: সিটি স্ক্যান করাতে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে এভার কেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল)  রাত ৯টা ২০ মিনিটে গুলশানের  বাসভবন থেকে তাকে সেখানে নেওয়া হয়।  চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং শায়রুল কবির খান জানান, বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ২০ মিনিটে গুলশানের বাসভবন ফিরোজা থেকে এভার কেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয় বিএনপির চেয়ারপারসনকে। সেখানে তার সিটি স্ক্যান করানোর পর রিপোর্ট পর্যালোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন চিকিৎসকরা।

বৃহস্পতিবার বিকালে ডা. এফ এম সিদ্দিকী বলেন, ‘ম্যাডামের টেস্টে সবই ক্লিয়ার আছে। তাই মনে করছি, তিনি স্ট্যাবল আছেন। কোভিডের প্রথম সপ্তাহের সঙ্গে দ্বিতীয় সপ্তাহের পার্থক্য আছে। দ্বিতীয় সপ্তাহটা আরও সতর্ক থাকতে হবে। যেকোনও এক সময় সিটি স্ক্যান করাবো। অক্সিজেনের অবস্থাও মোটামুটি ভালো আছে। খুব দ্রুত সিটি স্ক্যান করার পর বুঝতে পারবো বাসায় রেখে তার চিকিৎসা হবে, নাকি কোনও হাসপাতালে অবজারভেশনে রাখা দরকার।’

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় পাঁচ বছরের সাজায় কারাদণ্ড হন খালেদা জিয়ার। ২০২০ সালের ২৫ মার্চ সরকারের নির্বাহী আদেশে তার ছয় মাসের মুক্তি হয়। পরে ওই বছরের সেপ্টেম্বরে তার মুক্তির সময়  আরও  ছয় মাস বাড়ায় সরকার। এ বছরের মার্চে তৃতীয়বারের মতো ছয় মাসের মেয়াদ বাড়ানো হয়। গত রবিবার (১১ এপ্রিল) করোনা টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসে খালেদা জিয়ার। ওইদিন বিকালে আনুষ্ঠানিকভাবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।