6:46 am, Thursday, 19 February 2026

ওমিক্রন শনাক্তের ‘সুযোগ’ নেই সিলেটে !

সিলেট প্রতিনিধি : করোনাভাইরাসের ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন বিশ্বজুড়ে তাণ্ডব চালাচ্ছে। ওমিক্রনের প্রভাবে প্রতিদিন লাখ লাখ মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। মারা যাচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। বাংলাদেশেও ওমিক্রনের ‘কমিউনিটি ট্রান্সমিশন (সামাজিক সংক্রমণ)’ হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মন্তব্য করেছেন। এই ভ্যারিয়েন্ট সিলেটেও ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা প্রকাশ করেছেন দায়িত্বশীলরা। কিন্তু সিলেটে কেউ ওমিক্রনে আক্রান্ত কিনা, তা জানার কোনো সুযোগই নেই!

স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, বেশ কয়েক মাস নিয়ন্ত্রণে থাকার পর চলতি মাসের শুরু থেকে সিলেটে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। গত প্রায় পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক রোগী শনাক্ত হয়েছেন এ সময়ে। মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়তে শুরু করেছে। ২২ দিন মৃত্যুহীন থাকার পর মৃত্যু দেখা গেছে গত সপ্তাহে। এরপর একদিনে মারা গেছেন আরও দুজন। এদের মধ্যে একজন দুই ডোজ টিকা গ্রহণ করার পরও আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

এই পরিস্থিতিতে সিলেটজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। সিলেটে ওমিক্রন ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কার কথা জানালেও এই ভ্যারিয়েন্ট শনাক্তের কোনো ব্যবস্থা এখানে নেই বলে জানিয়েছেন দায়িত্বশীলরা।

সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. হিমাংশু লাল রায় বলেন, ‘সিলেটে ওমিক্রন ছড়িয়ে যাওয়ায় সংক্রমণ বাড়ছে বলে মনে হচ্ছে। ওমিক্রনের কমিউনিটি ট্রান্সমিশন শুরু হয়ে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘ওমিক্রনকে অনেকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন না, হালকাভাবে নিচ্ছেন। কিন্তু সত্য বিষয় হচ্ছে, করোনাভাইরাসের সব ভ্যারিয়েন্টই বিপজ্জনক। কারো যদি শারীরিক জটিলতা থাকে, ডায়াবেটিস বা কিডনির সমস্যা থাকে, তবে ওমিক্রনে মৃত্যুও হতে পারে। এজন্য সবাইকে সতর্ক হতে হবে, সচেতন থাকতে হবে।’

সিলেটের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. জন্মেজয় দত্ত বলেন, ‘ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্তের কোনো ব্যবস্থা বা ল্যাব নেই। ঢাকায় আইইডিসিআরে এই ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত করা হয়। তবে সিলেটে আইইডিসিআরের পর্যবেক্ষণ টিম কাজ করছে। তারা যখন প্রয়োজন মনে করবেন, নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠাবেন।’

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

বাংলাদেশ: স্থিতিশীলতা, সুরক্ষা ও কৌশলগত ভবিষ্যতের প্রশ্নে ভারতের ভূমিকা

ওমিক্রন শনাক্তের ‘সুযোগ’ নেই সিলেটে !

Update Time : 08:23:31 am, Sunday, 16 January 2022

সিলেট প্রতিনিধি : করোনাভাইরাসের ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন বিশ্বজুড়ে তাণ্ডব চালাচ্ছে। ওমিক্রনের প্রভাবে প্রতিদিন লাখ লাখ মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। মারা যাচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। বাংলাদেশেও ওমিক্রনের ‘কমিউনিটি ট্রান্সমিশন (সামাজিক সংক্রমণ)’ হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মন্তব্য করেছেন। এই ভ্যারিয়েন্ট সিলেটেও ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা প্রকাশ করেছেন দায়িত্বশীলরা। কিন্তু সিলেটে কেউ ওমিক্রনে আক্রান্ত কিনা, তা জানার কোনো সুযোগই নেই!

স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, বেশ কয়েক মাস নিয়ন্ত্রণে থাকার পর চলতি মাসের শুরু থেকে সিলেটে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। গত প্রায় পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক রোগী শনাক্ত হয়েছেন এ সময়ে। মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়তে শুরু করেছে। ২২ দিন মৃত্যুহীন থাকার পর মৃত্যু দেখা গেছে গত সপ্তাহে। এরপর একদিনে মারা গেছেন আরও দুজন। এদের মধ্যে একজন দুই ডোজ টিকা গ্রহণ করার পরও আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

এই পরিস্থিতিতে সিলেটজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে। সিলেটে ওমিক্রন ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কার কথা জানালেও এই ভ্যারিয়েন্ট শনাক্তের কোনো ব্যবস্থা এখানে নেই বলে জানিয়েছেন দায়িত্বশীলরা।

সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. হিমাংশু লাল রায় বলেন, ‘সিলেটে ওমিক্রন ছড়িয়ে যাওয়ায় সংক্রমণ বাড়ছে বলে মনে হচ্ছে। ওমিক্রনের কমিউনিটি ট্রান্সমিশন শুরু হয়ে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘ওমিক্রনকে অনেকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন না, হালকাভাবে নিচ্ছেন। কিন্তু সত্য বিষয় হচ্ছে, করোনাভাইরাসের সব ভ্যারিয়েন্টই বিপজ্জনক। কারো যদি শারীরিক জটিলতা থাকে, ডায়াবেটিস বা কিডনির সমস্যা থাকে, তবে ওমিক্রনে মৃত্যুও হতে পারে। এজন্য সবাইকে সতর্ক হতে হবে, সচেতন থাকতে হবে।’

সিলেটের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. জন্মেজয় দত্ত বলেন, ‘ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্তের কোনো ব্যবস্থা বা ল্যাব নেই। ঢাকায় আইইডিসিআরে এই ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত করা হয়। তবে সিলেটে আইইডিসিআরের পর্যবেক্ষণ টিম কাজ করছে। তারা যখন প্রয়োজন মনে করবেন, নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠাবেন।’