9:26 pm, Wednesday, 11 March 2026

কক্সবাজারে ভ্রমণে আসা পর্যটকদের বরণের জন্য শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

ডেস্ক রিপোর্ট :: ঈদ উপলক্ষে কক্সবাজারের হোটেল-মোটেলগুলো আবারও নতুন করে সাজছে। ভ্রমণে আসা পর্যটকদের বরণের জন্য শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে এসব হোটেল-মোটেলে। ইতোমধ্যে পাঁচ শতাধিক আবাসিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেশির ভাগের রং লাগানো, ধুয়ে-মুছে পরিচ্ছন্নতার কাজ শেষ।

জানা গেছে, রমজানের শুরু থেকেই বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতে সকাল-বিকালের চিত্রই সম্পূর্ণ ভিন্ন।

কোথাও পর্যটক নেই। বালুচরের পর্যটন ছাতাগুলো একদম খালি পড়ে রয়েছে।

রমজান উপলক্ষে সাগরপারের শতকরা ৯০ ভাগ হোটেল-মোটেল বন্ধ রয়েছে। রমজানের পর্যটকশূন্য অবস্থায় প্রতিষ্ঠানগুলোতে নতুন করে সাজগোজের মাধ্যমে পর্যটক বরণের সকল প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে।

কক্সবাজার সৈকতের কলাতলী হোটেল-মোটেল জোন, প্রধান সড়ক ও মেরিন ড্রাইভে প্রায় ৫০০ হোটেল, গেস্ট হাউস, কটেজ ও রিসোর্ট রয়েছে। ২০০ থেকে ২৫০টি রেস্তোরাঁ আছে এখানে। তবে কোনো ব্যবসায়ী পর্যটকদের কাছ থেকে বাড়তি টাকা আদায় করতে না পারেন, সে বিষয়ে তারা কঠোর তৎপর থাকবে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ।

কক্সবাজার হোটেল-মোটেল গেস্টহাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাসেম সিকদার জানান, ঈদের ছুটি পাঁচ দিন হলেও টানা সাত দিন কক্সবাজারে পর্যটক আসবেন। অনেক পর্যটক ইতোমধ্যে যোগাযোগ শুরু করেছেন। ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত হয়েছে ফেডারেশনভুক্ত আবাসিক হোটেল-মোটেল ও গেস্টহাউসে ভাড়ায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হবে।

বিচ ব্যবসায়ী সমিতির সহ-সভাপতি আবদুর রহমান জানান, ঈদের লম্বা ছুটিতে পর্যটকে মুখরিত হয়ে উঠবে সমুদ্র সৈকত। ইতোমধ্যে পর্যটক বরণের সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। পর্যটকদের সার্বিক সেবা দিতে আমরা প্রস্তুত।

ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার জোনের পুলিশ সুপার জিল্লুর রহমান জানান, কক্সবাজার ভ্রমণে আসা পর্যটকদের নিরাপত্তায় সব সময় পাশে থাকে ট্যুরিস্ট পুলিশ। যে কোনো পর্যটক নিঃসন্দেহে কক্সবাজার ভ্রমণ করতে পারবেন।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

কুলাউড়ায় কৃষি জমির মাটি কাটায় ২ লাখ টাকা জ’রি’মা’না

কক্সবাজারে ভ্রমণে আসা পর্যটকদের বরণের জন্য শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

Update Time : 12:00:40 pm, Thursday, 20 April 2023

ডেস্ক রিপোর্ট :: ঈদ উপলক্ষে কক্সবাজারের হোটেল-মোটেলগুলো আবারও নতুন করে সাজছে। ভ্রমণে আসা পর্যটকদের বরণের জন্য শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে এসব হোটেল-মোটেলে। ইতোমধ্যে পাঁচ শতাধিক আবাসিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেশির ভাগের রং লাগানো, ধুয়ে-মুছে পরিচ্ছন্নতার কাজ শেষ।

জানা গেছে, রমজানের শুরু থেকেই বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতে সকাল-বিকালের চিত্রই সম্পূর্ণ ভিন্ন।

কোথাও পর্যটক নেই। বালুচরের পর্যটন ছাতাগুলো একদম খালি পড়ে রয়েছে।

রমজান উপলক্ষে সাগরপারের শতকরা ৯০ ভাগ হোটেল-মোটেল বন্ধ রয়েছে। রমজানের পর্যটকশূন্য অবস্থায় প্রতিষ্ঠানগুলোতে নতুন করে সাজগোজের মাধ্যমে পর্যটক বরণের সকল প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে।

কক্সবাজার সৈকতের কলাতলী হোটেল-মোটেল জোন, প্রধান সড়ক ও মেরিন ড্রাইভে প্রায় ৫০০ হোটেল, গেস্ট হাউস, কটেজ ও রিসোর্ট রয়েছে। ২০০ থেকে ২৫০টি রেস্তোরাঁ আছে এখানে। তবে কোনো ব্যবসায়ী পর্যটকদের কাছ থেকে বাড়তি টাকা আদায় করতে না পারেন, সে বিষয়ে তারা কঠোর তৎপর থাকবে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ।

কক্সবাজার হোটেল-মোটেল গেস্টহাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাসেম সিকদার জানান, ঈদের ছুটি পাঁচ দিন হলেও টানা সাত দিন কক্সবাজারে পর্যটক আসবেন। অনেক পর্যটক ইতোমধ্যে যোগাযোগ শুরু করেছেন। ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত হয়েছে ফেডারেশনভুক্ত আবাসিক হোটেল-মোটেল ও গেস্টহাউসে ভাড়ায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হবে।

বিচ ব্যবসায়ী সমিতির সহ-সভাপতি আবদুর রহমান জানান, ঈদের লম্বা ছুটিতে পর্যটকে মুখরিত হয়ে উঠবে সমুদ্র সৈকত। ইতোমধ্যে পর্যটক বরণের সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। পর্যটকদের সার্বিক সেবা দিতে আমরা প্রস্তুত।

ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজার জোনের পুলিশ সুপার জিল্লুর রহমান জানান, কক্সবাজার ভ্রমণে আসা পর্যটকদের নিরাপত্তায় সব সময় পাশে থাকে ট্যুরিস্ট পুলিশ। যে কোনো পর্যটক নিঃসন্দেহে কক্সবাজার ভ্রমণ করতে পারবেন।