12:27 am, Thursday, 11 June 2026

কঠোর বিধিনিষেধে মাঠে থাকছে সেনা-বিজিবি-পুলিশ-র‌্যাব

ডেস্ক রিপোর্ট :: করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত ও চলাচলে বিধিনিষেধ বা কঠোর লকডাউন বাস্তবায়ন করতে বৃহস্পতবিার (১ জুলাই) থেকে মাঠে থাকছে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার সদস্যরা।

আজ বুধবার (৩০ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কঠোর লকডাউনের প্রজ্ঞাপন জারি করে এ তথ্য জানায়।

এতে বলা হয়েছে, ‘আর্মি ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ বিধানের আওতায় মাঠ পর্যায়ে কার্যকর টহল নিশ্চিত করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনা মোতায়েন করবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্থানীয় সেনা কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিয়টি নিশ্চিত করবেন।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেলা পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে সমন্বয় সভা করে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার নিয়োগ ও টহলের অধিক্ষেত্র, পদ্ধতি সময় নির্ধারণ করবেন। সে সঙ্গে স্থানীয়ভাবে বিশেষ কোনো কার্যক্রমের প্রয়োজন হলে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেবেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগগুলো এ বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবেন।

প্রাথমিকভাবে সাত দিন এ বিধিনিষেধ থাকবে, পরিস্থিতি বিবেচনায় আরও বাড়তে পারে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

কমলগঞ্জে চা শ্রমিকদের কৃষিপণ্য লুট ও পান গাছ কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন

কঠোর বিধিনিষেধে মাঠে থাকছে সেনা-বিজিবি-পুলিশ-র‌্যাব

Update Time : 09:23:06 am, Wednesday, 30 June 2021

ডেস্ক রিপোর্ট :: করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত ও চলাচলে বিধিনিষেধ বা কঠোর লকডাউন বাস্তবায়ন করতে বৃহস্পতবিার (১ জুলাই) থেকে মাঠে থাকছে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার সদস্যরা।

আজ বুধবার (৩০ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কঠোর লকডাউনের প্রজ্ঞাপন জারি করে এ তথ্য জানায়।

এতে বলা হয়েছে, ‘আর্মি ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ বিধানের আওতায় মাঠ পর্যায়ে কার্যকর টহল নিশ্চিত করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনা মোতায়েন করবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্থানীয় সেনা কমান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিয়টি নিশ্চিত করবেন।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেলা পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে সমন্বয় সভা করে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার নিয়োগ ও টহলের অধিক্ষেত্র, পদ্ধতি সময় নির্ধারণ করবেন। সে সঙ্গে স্থানীয়ভাবে বিশেষ কোনো কার্যক্রমের প্রয়োজন হলে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেবেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগগুলো এ বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবেন।

প্রাথমিকভাবে সাত দিন এ বিধিনিষেধ থাকবে, পরিস্থিতি বিবেচনায় আরও বাড়তে পারে।