9:48 am, Monday, 18 May 2026

কলিগের সঙ্গে এসব না হওয়াই ভালো

লাইফস্টাইল ডেস্ক : একসঙ্গে কাজ করার সুবাদে এক অন্যরকম সম্পর্কের জন্ম হয়। সম্পর্কের নাম ‘কলিগ’ মানে সহকর্মী। এই কলিগ মানে ‘না বন্ধু, না শত্রু’। বাকি সব সম্পর্কের মতো এতেও আছে একটা বড়সড় প্রাচীর। প্রাচীর টপকালেই পড়তে হবে উটকো ঝামেলায়।

টাকা ধার নয়
একবার, দুবার বিপদে পড়ে কিছু ধার নেওয়াই যায়। কিন্তু প্রতিবার মাস শেষে যদি ব্যাপারটা অভ্যাসে দাঁড়িয়ে যায়, তবে সম্পর্কের অবনতি হবেই। সহকর্মী আপনাকে দেখা মাত্রই আঁতকে উঠুক এটা নিশ্চয়ই আপনি চান না। তা ছাড়া ধারের টাকা সময়মতো ফেরত দেওয়ার বিষয়টাও দেখা যাবে কাজের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সম্পর্কে বাগড়া বাঁধাচ্ছে।

আড্ডা বাদ দিন
আড্ডাটা বন্ধুদের সঙ্গেই সীমাবদ্ধ রাখুন। সহকর্মীর সঙ্গে, বিশেষ করে অফিসের সময় আড্ডা দেওয়াটা কখনই আপনার ক্যারিয়ারে ভালো ফল বয়ে আনবে না।

প্রশংসা নয়
আপনার একান্ত কাছের বা ঘনিষ্টজন না হলে কোনও সহকর্মীর কাজের প্রশংসা সরাসরি করতে যাবেন না। ওই সহকর্মী আপনার প্রশংসার অনেকগুলো অহেতুক কারণ অনুমান করে বসতে পারেন।

নেতিবাচক হবেন না
কাজের ক্ষেত্রে মোটামুটি সবাইকেই কোনও না কোনও চাপে থাকতে হয়। তাই কোনও টিমওয়ার্কের ক্ষেত্রে সরাসরি কাউকে নেতিবাচক কিছু বলা থেকে বিরত থাকাই ভালো। বরং কাজটা কীভাবে আরও ভালো করে করা যেতো সে পথটাই বাতলে দিন।

ভেবেচিন্তে কথা
সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলার আগে শব্দচয়ন নিয়ে ভাবতে হবে বেশ। কেউ আছে আপনার কঠিন বা আপত্তিকর কোনও শব্দ অনায়াসে হজম করে ফেলবে। আবার দেখা যাবে আপনার মুখ থেকে বের হওয়া কোনও একটি বিশেষ শব্দের কারণেই চাকরি ছেড়ে দেওয়ার চিন্তা করতে পারে দক্ষ কোনও কর্মী।

স্বাস্থ্যটা নিজের কাছে
বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, আপনার জ্বর-সর্দি, পা মচকানো কিংবা আলসারের ব্যথা নিয়ে আপনার সহকর্মীদের মাথাব্যথা নেই বললেই চলে। সুতরাং নিজের যাবতীয় শারীরিক সমস্যা যথাসম্ভব নিজের কাছেই রাখুন।

অন্য চাকরির আলাপ নয়
সহকর্মীর সঙ্গে কখনই এমনটা বলতে যাবেন না যে, এই চাকরি আপনার ভালো লাগছে না, আপনি আরেক জায়গায় যোগ দেওয়ার চেষ্টা করছেন। কথায় কথায় ওই সহকর্মী নিজের অজান্তে তা ফাঁস করে দিতে পারে বসের কাছেও।

জাহির করবেন না
নিজেকে সাধারণ দায়িত্ব সম্পাদন করা নিয়ে অনবরত নিজেকে জাহির করার চেষ্টা করবেন না। আবার সবার সামনে ঘন ঘন নিজের নামিদামি জিনিস কিংবা বাড়িগাড়ির স্বপ্নের কথাও বলতে যাবেন না। এতে আপনার প্রতি সহকর্মীর ঈর্ষার জন্ম হতে পারে। পরে কাজের বেলায় তার সহযোগিতা আপনি ঠিকঠাক না-ও পেতে পারেন।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

হযরত মাওলানা শাহ আলাউদ্দিন ফারুকীর হাতে কলেমা পাঠ করে ইসলাম গ্রহণ করলেন প্রসেনজিৎ।

কলিগের সঙ্গে এসব না হওয়াই ভালো

Update Time : 06:53:41 am, Sunday, 30 May 2021

লাইফস্টাইল ডেস্ক : একসঙ্গে কাজ করার সুবাদে এক অন্যরকম সম্পর্কের জন্ম হয়। সম্পর্কের নাম ‘কলিগ’ মানে সহকর্মী। এই কলিগ মানে ‘না বন্ধু, না শত্রু’। বাকি সব সম্পর্কের মতো এতেও আছে একটা বড়সড় প্রাচীর। প্রাচীর টপকালেই পড়তে হবে উটকো ঝামেলায়।

টাকা ধার নয়
একবার, দুবার বিপদে পড়ে কিছু ধার নেওয়াই যায়। কিন্তু প্রতিবার মাস শেষে যদি ব্যাপারটা অভ্যাসে দাঁড়িয়ে যায়, তবে সম্পর্কের অবনতি হবেই। সহকর্মী আপনাকে দেখা মাত্রই আঁতকে উঠুক এটা নিশ্চয়ই আপনি চান না। তা ছাড়া ধারের টাকা সময়মতো ফেরত দেওয়ার বিষয়টাও দেখা যাবে কাজের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সম্পর্কে বাগড়া বাঁধাচ্ছে।

আড্ডা বাদ দিন
আড্ডাটা বন্ধুদের সঙ্গেই সীমাবদ্ধ রাখুন। সহকর্মীর সঙ্গে, বিশেষ করে অফিসের সময় আড্ডা দেওয়াটা কখনই আপনার ক্যারিয়ারে ভালো ফল বয়ে আনবে না।

প্রশংসা নয়
আপনার একান্ত কাছের বা ঘনিষ্টজন না হলে কোনও সহকর্মীর কাজের প্রশংসা সরাসরি করতে যাবেন না। ওই সহকর্মী আপনার প্রশংসার অনেকগুলো অহেতুক কারণ অনুমান করে বসতে পারেন।

নেতিবাচক হবেন না
কাজের ক্ষেত্রে মোটামুটি সবাইকেই কোনও না কোনও চাপে থাকতে হয়। তাই কোনও টিমওয়ার্কের ক্ষেত্রে সরাসরি কাউকে নেতিবাচক কিছু বলা থেকে বিরত থাকাই ভালো। বরং কাজটা কীভাবে আরও ভালো করে করা যেতো সে পথটাই বাতলে দিন।

ভেবেচিন্তে কথা
সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলার আগে শব্দচয়ন নিয়ে ভাবতে হবে বেশ। কেউ আছে আপনার কঠিন বা আপত্তিকর কোনও শব্দ অনায়াসে হজম করে ফেলবে। আবার দেখা যাবে আপনার মুখ থেকে বের হওয়া কোনও একটি বিশেষ শব্দের কারণেই চাকরি ছেড়ে দেওয়ার চিন্তা করতে পারে দক্ষ কোনও কর্মী।

স্বাস্থ্যটা নিজের কাছে
বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, আপনার জ্বর-সর্দি, পা মচকানো কিংবা আলসারের ব্যথা নিয়ে আপনার সহকর্মীদের মাথাব্যথা নেই বললেই চলে। সুতরাং নিজের যাবতীয় শারীরিক সমস্যা যথাসম্ভব নিজের কাছেই রাখুন।

অন্য চাকরির আলাপ নয়
সহকর্মীর সঙ্গে কখনই এমনটা বলতে যাবেন না যে, এই চাকরি আপনার ভালো লাগছে না, আপনি আরেক জায়গায় যোগ দেওয়ার চেষ্টা করছেন। কথায় কথায় ওই সহকর্মী নিজের অজান্তে তা ফাঁস করে দিতে পারে বসের কাছেও।

জাহির করবেন না
নিজেকে সাধারণ দায়িত্ব সম্পাদন করা নিয়ে অনবরত নিজেকে জাহির করার চেষ্টা করবেন না। আবার সবার সামনে ঘন ঘন নিজের নামিদামি জিনিস কিংবা বাড়িগাড়ির স্বপ্নের কথাও বলতে যাবেন না। এতে আপনার প্রতি সহকর্মীর ঈর্ষার জন্ম হতে পারে। পরে কাজের বেলায় তার সহযোগিতা আপনি ঠিকঠাক না-ও পেতে পারেন।