3:08 am, Wednesday, 14 January 2026

কারাগারে ঠোঙা বানিয়ে ২০ পয়সা করে পেতেন সঞ্জয়

বিনোদন ডেস্ক :: বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত বেআইনি অস্ত্র রাখার অভিযোগে কারাগারে ঠাঁই পেয়েছিলেন। জেলে থাকার সময় তিনি কাগজের ঠোঙা তৈরির কাজ করতেন। সম্প্রতি এক টিভি শো’তে নিজেই এই ঘটনা জানান বলিউডের ‘সঞ্জু বাবা’ খ্যাত এই অভিনেতা।

১৯৯৩ সালের এক মামলায় বেআইনিভাবে নিজের কাছে অস্ত্র রাখার অভিযোগ উঠে সঞ্জয়ের বিরুদ্ধে। ২০০৭ সালে মুম্বাইয়ের টাডা আদালত সেই অপরাধে তাকে কারাদণ্ডাদেশ দেন। পরে সুপ্রিম কোর্ট সেই রায়ই বহাল রাখায় ২০১৩ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত পুণের ইয়েরওয়াড়া জেলে থাকতে হয়েছে সঞ্জয়ের। বিলাসবহুল জীবন ছেড়ে এই অভিনেতা গিয়ে ওঠেন জেলখানার কুঠুরিতে।

হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বন্দি জীবনেই সঞ্জয়কে কাগজের ঠোঙা তৈরির নির্দেশ দেন জেল কর্তৃপক্ষ। ঠোঙাপ্রতি মিলতো ২০ পয়সা। প্রতিদিন প্রায় ৫০ থেকে ১০০টি ঠোঙা তৈরি করতেন তিনি।

সঞ্জয় জানান, প্রায় সাড়ে তিন বছরের জেল-জীবনে ঠোঙা তৈরি করেই তিনি রোজগার করেছিলেন প্রায় ৫০০ রুপি। ২০১৬ সালে জেল থেকে ছাড়া পেয়ে সেই টাকা স্ত্রী মান্যতার হাতে তুলে দেন তিনি।

সঞ্জয় বলেন, পণ করেছিলাম জেলের কঠিন দিনগুলো ইতিবাচক মন নিয়ে কাটাবো। ওই ৫০০ রুপির মূল্য আমার কাছে পাঁচ হাজার কোটি রুপির সমান!

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন পাবনার তানভীর

কারাগারে ঠোঙা বানিয়ে ২০ পয়সা করে পেতেন সঞ্জয়

Update Time : 10:27:33 am, Monday, 10 January 2022

বিনোদন ডেস্ক :: বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত বেআইনি অস্ত্র রাখার অভিযোগে কারাগারে ঠাঁই পেয়েছিলেন। জেলে থাকার সময় তিনি কাগজের ঠোঙা তৈরির কাজ করতেন। সম্প্রতি এক টিভি শো’তে নিজেই এই ঘটনা জানান বলিউডের ‘সঞ্জু বাবা’ খ্যাত এই অভিনেতা।

১৯৯৩ সালের এক মামলায় বেআইনিভাবে নিজের কাছে অস্ত্র রাখার অভিযোগ উঠে সঞ্জয়ের বিরুদ্ধে। ২০০৭ সালে মুম্বাইয়ের টাডা আদালত সেই অপরাধে তাকে কারাদণ্ডাদেশ দেন। পরে সুপ্রিম কোর্ট সেই রায়ই বহাল রাখায় ২০১৩ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত পুণের ইয়েরওয়াড়া জেলে থাকতে হয়েছে সঞ্জয়ের। বিলাসবহুল জীবন ছেড়ে এই অভিনেতা গিয়ে ওঠেন জেলখানার কুঠুরিতে।

হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বন্দি জীবনেই সঞ্জয়কে কাগজের ঠোঙা তৈরির নির্দেশ দেন জেল কর্তৃপক্ষ। ঠোঙাপ্রতি মিলতো ২০ পয়সা। প্রতিদিন প্রায় ৫০ থেকে ১০০টি ঠোঙা তৈরি করতেন তিনি।

সঞ্জয় জানান, প্রায় সাড়ে তিন বছরের জেল-জীবনে ঠোঙা তৈরি করেই তিনি রোজগার করেছিলেন প্রায় ৫০০ রুপি। ২০১৬ সালে জেল থেকে ছাড়া পেয়ে সেই টাকা স্ত্রী মান্যতার হাতে তুলে দেন তিনি।

সঞ্জয় বলেন, পণ করেছিলাম জেলের কঠিন দিনগুলো ইতিবাচক মন নিয়ে কাটাবো। ওই ৫০০ রুপির মূল্য আমার কাছে পাঁচ হাজার কোটি রুপির সমান!