হাসান আল মাহমুদ রাজু :- কুলাউড়া উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের ইছাছড়া পুঞ্জিতে দুবৃত্তদের দ্বারা ১২শ পান গাছ কর্তনের প্রতিবাদে এবং জড়িতদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে গ্রেফতার ও বিচার এবং আদিবাসীদের পান জুম ও জীবন জীবিকার নিরাপত্তার দাবীতে মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল ১১ ঘটিকার সময় কুলাউড়া শহীদ মিনারের সম্মুখে আদিবাসীদের বিভিন্ন সংগঠনের আয়োজনে কুলাউড়া উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের ইছাছড়া পুঞ্জিতে দুবৃত্তদের দ্বারা ১২শ পান গাছ কর্তনের প্রতিবাদে এবং জড়িতদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে গ্রেফতার ও বিচার এবং আদিবাসীদের পান জুম ও জীবন জীবিকার নিরাপত্তার দাবীতে মানবন্ধন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে স্মারকলিপি পেশ করা হয়। উক্ত মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
উক্ত মানববন্ধনে একাত্মতা পোষন করে বক্তব্য রাখেন বিভিন্ন রাজনৈতিক,সামাজিক সংগঠন, অধিকারভিত্তিক সংগঠন ও আদিবাসী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা।
বক্তারা বলেন, কর্মধা ইউনিয়নের ইছাছড়া জুমে গত ২৮ মার্চ (শনিবার) গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে পানচাষি অনন্ত ও সরিস লামারাই দম্পতির প্রায় ১২ শতাধিক পানগাছ কেটে ফেলেছে। যার বাজারমূল্য প্রায় ১২ লক্ষ টাকা। ইছাছড়া খাসিয়া পুঞ্জিতে ৪৬টি আদিবাসী পরিবারের একমাত্র জীবিকা এই পান চাষ। ইতিপূর্বে কুলাউড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হলেও এখন পর্যন্ত অপরাধীদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। মানববন্ধনে বক্তারা আরও বলেন, এই ধ্বংসযজ্ঞ কেবল একজন চাষির ক্ষতি নয়, বরং একটি জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকার ওপর আঘাত। বক্তারা দুর্বৃত্তদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা এবং ক্ষতিগ্রস্তদের উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দাবী করেন। অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না দিলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
এবিষয়ে কুলাউড়া উপজেলার নির্বাহী অফিসার মো: মহি উদ্দিন বলেন,এবিষয়ে আজ আধিবাসীর পক্ষে স্মারকলিপি পেয়েছি। আমি কুলাউড়া থানা পুলিশের সাথে কথা বলেছি এবং আমার উর্ধনত কর্মকর্তাদের কেও জানিয়েছি এবং এবিষয়ে দ্রুত অপরাধীদের সনাক্ত করে আইনি প্রদেক্ষেপ গ্রহন করা হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক 






















