11:56 am, Tuesday, 16 December 2025

কুষ্ঠ রোগ বিষয়ে মৌলভীবাজারে সচেতনতামূলক সভা

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:: ল‍েপ্রসি (কুষ্ঠ) রোগ বিষয়ে মৌলভীবাজার সিভিল সার্জন অফিস সাংবাদিকদের সচেতনতামূলক সভা করেছে। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় মৌলভীবাজার ইপিআই ভবনে এতে সভাপতিত্ব করেন, সিভিল সার্জন চৌধুরী জালাল উদ্দিন মুর্শেদ।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার জেলা প্রশাসন বেলায়েত হোসেন, মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদর্শন কুমার রায়, জেলা সমাজসেবা অফিসের উপ-পরিচালক হাবিবুর রহমান প্রমুখ।সভায় জানানো হয়, এই রোগ হাঁচি কাশির মাধ্যমে ছড়িয়ে থাকে। রোগটি নির্নয়ে দেরী হওয়ার কারণ হলো রোগটি দেরীতে ধরা পড়ে। মৌলভীবাজারে এক লক্ষ মানুষের মধ‍্যে ৫ জনের বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। সবচেয়ে আশংকাজনক বিষয় হলো দেশের ৯টি জেলায় এই রোগের প্রকোপ বেশি। তার মধ‍্যে মৌলভীবাজার হলো এক নম্বরে। এর মূল কারণ হলো-এ জেলায় চা বাগান বেশি। এসব বাগানের অধিকাংশ লোকজন অশিক্ষিত, অর্ধশিক্ষিত ও অসচেতন। যার কারণে চা বাগানে এই রোগের প্রকোপ বেশি। মৌলভীবাজার জেলায় বর্তমানে ৬৬০জন কুষ্ঠ রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে। এর মধ‍্যে ৩৭জন শিশু রয়েছে। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত কুলাউড়া উপজেলা এবং সবচেয়ে কম রাজনগর উপজেলায়। এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আগামী ২০৩০ সালের মধ‍্যে এই রোগ নির্মুলে কাজ শুরু করেছে। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ও এই রোগ সম্পূর্ণ নির্মুলে কাজ শুরু করেছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিগন মতামত ব‍্যক্ত করে জানান, যেহেতু রোগটি হাঁচি কাশির মাধ‍্যমে ছড়ায় সেহেতু মাস্ক পরিধান করলে হয়তো এ রোগ থেকে অনেকটা রক্ষা পাওয়া যেতে পারে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাবের উদ্যোগে শহিদদের স্বরণে স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ

কুষ্ঠ রোগ বিষয়ে মৌলভীবাজারে সচেতনতামূলক সভা

Update Time : 08:55:19 am, Wednesday, 25 January 2023

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:: ল‍েপ্রসি (কুষ্ঠ) রোগ বিষয়ে মৌলভীবাজার সিভিল সার্জন অফিস সাংবাদিকদের সচেতনতামূলক সভা করেছে। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় মৌলভীবাজার ইপিআই ভবনে এতে সভাপতিত্ব করেন, সিভিল সার্জন চৌধুরী জালাল উদ্দিন মুর্শেদ।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার জেলা প্রশাসন বেলায়েত হোসেন, মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুদর্শন কুমার রায়, জেলা সমাজসেবা অফিসের উপ-পরিচালক হাবিবুর রহমান প্রমুখ।সভায় জানানো হয়, এই রোগ হাঁচি কাশির মাধ্যমে ছড়িয়ে থাকে। রোগটি নির্নয়ে দেরী হওয়ার কারণ হলো রোগটি দেরীতে ধরা পড়ে। মৌলভীবাজারে এক লক্ষ মানুষের মধ‍্যে ৫ জনের বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। সবচেয়ে আশংকাজনক বিষয় হলো দেশের ৯টি জেলায় এই রোগের প্রকোপ বেশি। তার মধ‍্যে মৌলভীবাজার হলো এক নম্বরে। এর মূল কারণ হলো-এ জেলায় চা বাগান বেশি। এসব বাগানের অধিকাংশ লোকজন অশিক্ষিত, অর্ধশিক্ষিত ও অসচেতন। যার কারণে চা বাগানে এই রোগের প্রকোপ বেশি। মৌলভীবাজার জেলায় বর্তমানে ৬৬০জন কুষ্ঠ রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে। এর মধ‍্যে ৩৭জন শিশু রয়েছে। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত কুলাউড়া উপজেলা এবং সবচেয়ে কম রাজনগর উপজেলায়। এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আগামী ২০৩০ সালের মধ‍্যে এই রোগ নির্মুলে কাজ শুরু করেছে। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ও এই রোগ সম্পূর্ণ নির্মুলে কাজ শুরু করেছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিগন মতামত ব‍্যক্ত করে জানান, যেহেতু রোগটি হাঁচি কাশির মাধ‍্যমে ছড়ায় সেহেতু মাস্ক পরিধান করলে হয়তো এ রোগ থেকে অনেকটা রক্ষা পাওয়া যেতে পারে।