ডেস্ক রিপোট:খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। সোমবার (১২ জুন) সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট। সকালেই ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে।
সেখানে কথা হয় কাঁচামাল ব্যবসায়ী সেলিম খাঁর সাথে। তিনি এবার প্রথম ভোট দিতে এসেছেন। তার চাওয়া যারা বিজয়ী হবে তারা যেন খুলনায় কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেন।
তিনি বলেন, আমি এবার নতুন ভোটার হয়েছি। তাই আমার ভোট প্রয়োগ করতে এসেছি। আমার চাওয়া যারা খুলনায় নির্বাচিত হবেন তারা যেন কলকারখানা চালু করে এবং কাজের সুযোগ সৃষ্টি করে।
এবার খুলনা সিটি নির্বাচনে সবগুলো কেন্দ্রে ভোট হচ্ছে ইভিএম মেশিনে। সকাল সোয়া ৮টার দিকে ভোট দিয়ে বেরিয়ে আসেন বয়োবৃদ্ধ স্থানীয় বাসিন্দা গোলাম রসুল। ইভিএমে ভোট দিয়ে তিনি বেশ খুশি। এবার কোনো সমস্যা হয়নি। বললেন, অনেকটা সুষ্ঠুভাবে ভোট হচ্ছে।
খুলনা কলেজিয়েট স্কুল কেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসার জোতি প্রকাশ মণ্ডল বলেন, এই কেন্দ্রে নয়টি কক্ষ আছে, আর সিসিটিভি ক্যামেরা আছে ১১টি। এসব ক্যামেরা দিয়ে কেন্দ্র পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ভোটার উপস্থিতি সন্তোষজনক।
এই কেন্দ্রে নিরাপত্তার দায়িত্বে আছেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপরিদর্শক এস এম শাহাদাত।
তিনি বলেন, কলিং এজেন্ট সবাইকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে কেন্দ্রে ঢুকানো হয়েছে। তাদের কারো কাছে কোনো মোবাইল বা ডিজিটাল ডিভাইস নেই। এ ছাড়া যে কোনো ধরনের অস্থিতিশীল পরিবেশ এড়াতে আমরা সর্বদা সজাগ আছি।
খুলনা নগরীর ৩১টি ওয়ার্ডে ২৮৯ ভোটকেন্দ্রের ১ হাজার ৭৩২টি ভোটকক্ষে ভোটগ্রহণ করা হচ্ছে। ভোটকেন্দ্র সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণের জন্য মোট ২ হাজার ৩১০টি সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
কেসিসি নির্বাচনে ২৮৯টি ভোটকেন্দ্রে ৫ লাখ ৩৫ হাজার ৫২৯ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এর মধ্যে নারী ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৬৬ হাজার ৬৯৬ এবং পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৬৮ হাজার ৮৩৩ জন। ভোট শেষে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে।
খুলনায় মেয়র পদে ৫ জন এবং ৩১টি সাধারণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ১৩৬ জন এবং ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ৩৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরইমধ্যে নগরীর ১৩ ও ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে দুজন কাউন্সিলর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক 

























