3:49 am, Wednesday, 14 January 2026

গণবিরোধী আ.লীগ দেশে রাজনীতি করার অধিকার হারিয়েছে: সৈয়দ রেজাউল করীম

অনলাইন ডেস্ক : গণবিরোধি সন্ত্রাসী শক্তির প্রতি নমনীয়তার সুযোগ নেই উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে রাজনীতি করার অধিকার হারিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের (আইএবি) আমির ও চরমোনাই পীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম।

সোমবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতি তিনি এ কথা বলেন। বিবৃতিতে বলা হয়, গত দেড় দশকে আওয়ামী স্বৈরাচার নিজেদের অভিশপ্ত কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি মানুষকে বিষিয়ে তুলেছিলো। শুধু আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসর ছাড়া সবাই ছিলো মাজলুম আর তারা ছিলো জালিম। ক্ষমতার অপপ্রয়োগ, অধিকার হরণ, জুলুম, নির্যাতন, গুম, খুন এমনকি দেশের স্বাধীনতা-স্বার্বভৌমত্ব বিকিয়ে দেয়াসহ হেন কোনো অপকর্ম নেই, যা তারা করেনি।

ফলশ্রুতিতে আপমর জনসাধারণ ছাত্রবিক্ষোভের সাথে নিঃস্বার্থভাবে একাত্বতা পোষণ করে এবং স্বৈরাচার পতনের একদফা দাবীতে অকাতরে জীবন বিলিয়ে দেয়। অগণন ছাত্র-জনতার জীবন, রক্ত ও হতাহতের মধ্য দিয়ে এই দেশবিরোধি অপশক্তির পতন হয়েছে। সুতরাং এই সন্ত্রাসীদের বাংলাদেশের জমিনে আর রাজনীতি করার কোনো অধিকার নাই। অতএব তাদের প্রতি নম্রতার কোনো সুযোগ নেই।

সৈয়দ রেজাউল করীম আরও বলেন, ‘ছাত্র-জনতার জীবনের বিনিময়ে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে যারা দায়িত্বে এসেছেন, তাদের কাছ থেকে দায়িত্বশীল বক্তব্য আশা করে এদেশের মানুষ। যে বক্তব্যে দেশের মানুষ ক্ষব্ধ হয়, দ্বিধাবিভক্ত হয়, দায়িত্বশীলদের কাছ থেকে এমন বক্তব্য ছাত্র-জনতা প্রত্যাশা করে না।’

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন পাবনার তানভীর

গণবিরোধী আ.লীগ দেশে রাজনীতি করার অধিকার হারিয়েছে: সৈয়দ রেজাউল করীম

Update Time : 05:57:49 pm, Monday, 12 August 2024
অনলাইন ডেস্ক : গণবিরোধি সন্ত্রাসী শক্তির প্রতি নমনীয়তার সুযোগ নেই উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে রাজনীতি করার অধিকার হারিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের (আইএবি) আমির ও চরমোনাই পীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম।

সোমবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতি তিনি এ কথা বলেন। বিবৃতিতে বলা হয়, গত দেড় দশকে আওয়ামী স্বৈরাচার নিজেদের অভিশপ্ত কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি মানুষকে বিষিয়ে তুলেছিলো। শুধু আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসর ছাড়া সবাই ছিলো মাজলুম আর তারা ছিলো জালিম। ক্ষমতার অপপ্রয়োগ, অধিকার হরণ, জুলুম, নির্যাতন, গুম, খুন এমনকি দেশের স্বাধীনতা-স্বার্বভৌমত্ব বিকিয়ে দেয়াসহ হেন কোনো অপকর্ম নেই, যা তারা করেনি।

ফলশ্রুতিতে আপমর জনসাধারণ ছাত্রবিক্ষোভের সাথে নিঃস্বার্থভাবে একাত্বতা পোষণ করে এবং স্বৈরাচার পতনের একদফা দাবীতে অকাতরে জীবন বিলিয়ে দেয়। অগণন ছাত্র-জনতার জীবন, রক্ত ও হতাহতের মধ্য দিয়ে এই দেশবিরোধি অপশক্তির পতন হয়েছে। সুতরাং এই সন্ত্রাসীদের বাংলাদেশের জমিনে আর রাজনীতি করার কোনো অধিকার নাই। অতএব তাদের প্রতি নম্রতার কোনো সুযোগ নেই।

সৈয়দ রেজাউল করীম আরও বলেন, ‘ছাত্র-জনতার জীবনের বিনিময়ে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে যারা দায়িত্বে এসেছেন, তাদের কাছ থেকে দায়িত্বশীল বক্তব্য আশা করে এদেশের মানুষ। যে বক্তব্যে দেশের মানুষ ক্ষব্ধ হয়, দ্বিধাবিভক্ত হয়, দায়িত্বশীলদের কাছ থেকে এমন বক্তব্য ছাত্র-জনতা প্রত্যাশা করে না।’