11:11 pm, Thursday, 8 October 2026

গ্রামীণ কল্যাণের কর মওকুফ প্রশ্নে সরকারের হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই: তথ্য উপদেষ্টা

ডেস্ক রিপোর্ট : গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকার করসংক্রান্ত মামলায় সরকারের কোনো ধরনের হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

তিনি বলেছেন, বিষয়টি আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

তাই মামলাটি আদালতের নিজস্ব গতিতেই চলবে। ড. মুহাম্মদ ইউনূস বা অন্য কারোর প্রতি সরকারের অনুরাগ কিংবা বিরাগের প্রশ্নও এখানে নেই।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিক গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকার করসংক্রান্ত বিষয়, হাইকোর্টের আদেশ এবং এ নিয়ে করা দুটি রিটের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন।

একইসঙ্গে গ্রামীণ কল্যাণের পেছনে থাকা ব্যক্তিদের বিষয়ে সরকারের কোনো বিশেষ বার্তা রয়েছে কি না, তা জানতে চান।
জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, বিষয়টি আদালতের।

এ নিয়ে কিছুটা ভুল ধারণা ছিল। এখন বিস্তারিতভাবে বিষয়টি অনেকের সামনে এসেছে—কর মওকুফের বিষয়ে আদালতের রায় কী ছিল এবং কেন তখন সেই রায় কার্যকর হয়নি।
তিনি বলেন, ওই সময়ে ইন্টারিম (অন্তর্বর্তী) সময় ছিল। এখন আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের কর পরিশোধ করতে বলা হয়েছে। আদালতের রায় অনুযায়ী তাদের ওই কর দিতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, এটি আদালতের বিষয় এবং হাইকোর্টের রায় হয়েছে। সেই রায় অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের কর পরিশোধ করতে হবে। তাহারা নিজেরাই বাদী হয়ে ওই কর দিতে চাননি। এখানে সরকারের আসলে কিছু করার নেই।

মামলার পরবর্তী কার্যক্রমও আদালতের নিয়ম অনুযায়ী হবে জানিয়ে তিনি বলেন, মামলা এখন নিজস্ব গতিতে চলবে। সংশ্লিষ্টরা চাইলে বিষয়টি নিয়ে আপিল বিভাগে যেতে পারেন। সেখানে তাদের অবস্থান টেকসই না হলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী কর পরিশোধ করতে হবে।

গ্রামীণ কল্যাণের এ মামলায় সরকারের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই বলেও স্পষ্ট করেন জাহেদ উর রহমান।

তিনি বলেন, সরকারের কোনো রকম ইনভলভমেন্ট নেই। ড. ইউনূস বা অন্য কারোর প্রতি সরকারের অনুরাগ কিংবা বিরাগের প্রশ্নও এখানে নেই।

বিচার বিভাগের স্বাধীনতার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এটি যেহেতু বিচার বিভাগের বিষয়, তাই সরকার বিশ্বাস করে বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে যে দায়িত্ব পালনের কথা, সেটিই করছে। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে তার দায়িত্ব পালন করছে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

মৌলভীবাজারে শহরের ১৪টি পূজা মণ্ডপে অনুদানের চেক বিতরণ

গ্রামীণ কল্যাণের কর মওকুফ প্রশ্নে সরকারের হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই: তথ্য উপদেষ্টা

Update Time : 11:35:55 am, Tuesday, 15 September 2026

ডেস্ক রিপোর্ট : গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকার করসংক্রান্ত মামলায় সরকারের কোনো ধরনের হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

তিনি বলেছেন, বিষয়টি আদালতের এখতিয়ারভুক্ত।

তাই মামলাটি আদালতের নিজস্ব গতিতেই চলবে। ড. মুহাম্মদ ইউনূস বা অন্য কারোর প্রতি সরকারের অনুরাগ কিংবা বিরাগের প্রশ্নও এখানে নেই।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিক গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকার করসংক্রান্ত বিষয়, হাইকোর্টের আদেশ এবং এ নিয়ে করা দুটি রিটের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন।

একইসঙ্গে গ্রামীণ কল্যাণের পেছনে থাকা ব্যক্তিদের বিষয়ে সরকারের কোনো বিশেষ বার্তা রয়েছে কি না, তা জানতে চান।
জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, বিষয়টি আদালতের।

এ নিয়ে কিছুটা ভুল ধারণা ছিল। এখন বিস্তারিতভাবে বিষয়টি অনেকের সামনে এসেছে—কর মওকুফের বিষয়ে আদালতের রায় কী ছিল এবং কেন তখন সেই রায় কার্যকর হয়নি।
তিনি বলেন, ওই সময়ে ইন্টারিম (অন্তর্বর্তী) সময় ছিল। এখন আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের কর পরিশোধ করতে বলা হয়েছে। আদালতের রায় অনুযায়ী তাদের ওই কর দিতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, এটি আদালতের বিষয় এবং হাইকোর্টের রায় হয়েছে। সেই রায় অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের কর পরিশোধ করতে হবে। তাহারা নিজেরাই বাদী হয়ে ওই কর দিতে চাননি। এখানে সরকারের আসলে কিছু করার নেই।

মামলার পরবর্তী কার্যক্রমও আদালতের নিয়ম অনুযায়ী হবে জানিয়ে তিনি বলেন, মামলা এখন নিজস্ব গতিতে চলবে। সংশ্লিষ্টরা চাইলে বিষয়টি নিয়ে আপিল বিভাগে যেতে পারেন। সেখানে তাদের অবস্থান টেকসই না হলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী কর পরিশোধ করতে হবে।

গ্রামীণ কল্যাণের এ মামলায় সরকারের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা নেই বলেও স্পষ্ট করেন জাহেদ উর রহমান।

তিনি বলেন, সরকারের কোনো রকম ইনভলভমেন্ট নেই। ড. ইউনূস বা অন্য কারোর প্রতি সরকারের অনুরাগ কিংবা বিরাগের প্রশ্নও এখানে নেই।

বিচার বিভাগের স্বাধীনতার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, এটি যেহেতু বিচার বিভাগের বিষয়, তাই সরকার বিশ্বাস করে বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে যে দায়িত্ব পালনের কথা, সেটিই করছে। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে, বিচার বিভাগ স্বাধীনভাবে তার দায়িত্ব পালন করছে।