6:51 pm, Friday, 16 January 2026

চা শিল্পাঞ্চলে বৃষ্টিপাতে বেশি উৎপাদনের আশাবাদ

স্টাফ রিপোর্ট :: মৌলভীবাজারের চা শিল্পাঞ্চলে শনিবার রাতে বৃষ্টিপাত হয়েছে। এ বৃষ্টিপাত চা শিল্পের জন্য আশীর্বাদ হয়ে দেখা দিয়েছে। চা সংশ্লিষ্টরা বলছেন এ বৃষ্টি চা শিল্পের জন্য চমৎকার সুফল বয়ে আনবে।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের অবজারভার মো. মুজিবুর রহমান জানান, শনিবার রাত ১টার পর ২.৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. মোহাম্মদ আলী বলেন, এ বৃষ্টি চায়ের জন্য খুবই উপকার হবে। বৃষ্টি যতটুকুই হোক এটা চা শিল্পের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন ছিল।

জেলার রাজনগরের উত্তরবাগ চা বাগানের ব্যবস্হাপক মো. লোকমান চৌধুরী জানান, গত কদিন ধরে আমরা খরার কবলে পড়েছিলাম। এ বৃষ্টি আমাদের অনেক উপকারে আসবে। ইয়াং টিগুলো মৃত্যুর হাত থেকে বেচেঁ যাবে। সেচ কম লাগবে। শনিবার রাতে ওইখানে ১ ইঞ্চিরও বেশি বৃষ্টি হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, চা গাছগুলো সতেজ হওয়াসহ প্রাণ ফিরে পাবে এ বৃষ্টিতে। কদিন ধরে ভাল পাতা পাওয়া যাচ্ছিল না। এখন পাতা পাওয়া যাবে।

বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাহী উপদেষ্টা রাম ভজন কৈরি জানান, গত ১ জানুয়ারি শুরু হওয়া ২০২২ সালের নতুন চা উৎপাদন মৌসুমের শুরুতেই চা উৎপাদনে ভাল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তিনি জানান, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চা উৎপাদিত হয়েছে ৫ লক্ষ ৪০ হাজার কেজি। ২০২১ সালের একি সময়ে দেশে চা উৎপাদিত হয়েছিল ৩ লক্ষ ৫ হাজার কেজি। এতে দেখা যায় প্রথম দুমাসেই গত বছরের তুলনায় চা উৎপাদন প্রায় ২ লক্ষ ৩৫ হাজার কেজি বেশি হয়েছে।

চা বোর্ড সূত্র জানায়, ২০২১ সালে দেশের চা শিল্পের ১৬৮ বছরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ চা উৎপাদন হয়েছে। ওই বছর চা উৎপাদন হয়েছিল ৯ কোটি ৬৫ লাখ ৬ হাজার কেজি। যা চা শিল্পের ১৬৮ বছরের ইতিহাসে নতুন রেকর্ড।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

বিসিবির প্রতিটি টাকায় ক্রিকেটারদের কষ্ট মিশে আছে: মিরাজ

চা শিল্পাঞ্চলে বৃষ্টিপাতে বেশি উৎপাদনের আশাবাদ

Update Time : 09:09:38 am, Sunday, 27 March 2022

স্টাফ রিপোর্ট :: মৌলভীবাজারের চা শিল্পাঞ্চলে শনিবার রাতে বৃষ্টিপাত হয়েছে। এ বৃষ্টিপাত চা শিল্পের জন্য আশীর্বাদ হয়ে দেখা দিয়েছে। চা সংশ্লিষ্টরা বলছেন এ বৃষ্টি চা শিল্পের জন্য চমৎকার সুফল বয়ে আনবে।

শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের অবজারভার মো. মুজিবুর রহমান জানান, শনিবার রাত ১টার পর ২.৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. মোহাম্মদ আলী বলেন, এ বৃষ্টি চায়ের জন্য খুবই উপকার হবে। বৃষ্টি যতটুকুই হোক এটা চা শিল্পের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজন ছিল।

জেলার রাজনগরের উত্তরবাগ চা বাগানের ব্যবস্হাপক মো. লোকমান চৌধুরী জানান, গত কদিন ধরে আমরা খরার কবলে পড়েছিলাম। এ বৃষ্টি আমাদের অনেক উপকারে আসবে। ইয়াং টিগুলো মৃত্যুর হাত থেকে বেচেঁ যাবে। সেচ কম লাগবে। শনিবার রাতে ওইখানে ১ ইঞ্চিরও বেশি বৃষ্টি হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, চা গাছগুলো সতেজ হওয়াসহ প্রাণ ফিরে পাবে এ বৃষ্টিতে। কদিন ধরে ভাল পাতা পাওয়া যাচ্ছিল না। এখন পাতা পাওয়া যাবে।

বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাহী উপদেষ্টা রাম ভজন কৈরি জানান, গত ১ জানুয়ারি শুরু হওয়া ২০২২ সালের নতুন চা উৎপাদন মৌসুমের শুরুতেই চা উৎপাদনে ভাল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তিনি জানান, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চা উৎপাদিত হয়েছে ৫ লক্ষ ৪০ হাজার কেজি। ২০২১ সালের একি সময়ে দেশে চা উৎপাদিত হয়েছিল ৩ লক্ষ ৫ হাজার কেজি। এতে দেখা যায় প্রথম দুমাসেই গত বছরের তুলনায় চা উৎপাদন প্রায় ২ লক্ষ ৩৫ হাজার কেজি বেশি হয়েছে।

চা বোর্ড সূত্র জানায়, ২০২১ সালে দেশের চা শিল্পের ১৬৮ বছরের ইতিহাসে সর্বোচ্চ চা উৎপাদন হয়েছে। ওই বছর চা উৎপাদন হয়েছিল ৯ কোটি ৬৫ লাখ ৬ হাজার কেজি। যা চা শিল্পের ১৬৮ বছরের ইতিহাসে নতুন রেকর্ড।