11:43 pm, Monday, 19 January 2026

চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণার পর শ্মশানে জেগে উঠলো মরদেহ

ডেস্ক রিপোর্ট : শেষকৃত্যানুষ্ঠান শুরুর আগমুহূর্তে জীবিত হয়ে ওঠলো মরদেহ। ভারতের রাজস্থানের ঝুনঝুনু জেলা এমন এক বিস্ময়কর ঘটনার স্বাক্ষী হলো।
বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) রাজস্থানের ঝুনঝুনু জেলার বিডিকে হাসপাতালে ২৫ বছর বয়সী বাক্‌প্রতিবন্ধী যুবক রোহিতাশকে মৃত ঘোষণা করেছিলেন চিকিৎসকরা। এরপর তার মরদেহ মর্গ থেকে চিতায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

শ্মশানে শেষকৃত্যানুষ্ঠান শুরুর আগমুহূর্তে হঠাৎ তার শ্বাসপ্রশ্বাস শুরু হয়। পর দ্রুত তাকে জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তার
আবার চিকিৎসা শুরুহয়। প্রাথমিকভাবে তার অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানানো হলেও শুক্রবার(২২ নভেম্বর) সকালে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট তিন চিকিৎসককে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে গঠন করা হয়েছে একটি তদন্ত কমিটি। খবর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

ঝুনঝুনু জেলার বাগাদে মা সেবা সংস্থানের আশ্রয় কেন্দ্রেই থাকতেন রোহিতাশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে স্থানীয় ভগবান দাস খেতান (বিডিকে) হাসপাতালে জরুরি বিভাগের ভর্তি করা হয়, যা জেলা সবচেয়ে বড় সরকারি হাসপাতাল। হাসপাতালে পৌঁছানোর কয়েক মিনিটের মধ্যেই চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন এবং তার দেহ মর্গে পাঠিয়ে দেন, যেখানে দুই ঘণ্টা তাকে একটি ডিপ ফ্রিজে রাখা হয়।   ওইদিন সন্ধ্যা ৫টায়, শ্মশানে যখন তার দেহাগ্নির প্রস্তুতি চলছিল সেখানে উপস্থিত সবাই রোহিতাশের দেহে নড়াচড়া দেখতে পায়। তারা বুঝতে পারেন তিনি জীবিত। পরে তাকে দ্রুত বিডিকে হাসপাতালে ফেরত পাঠানো হয়। সেখান থেকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএমএস হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসা সত্ত্বেও, ১২ ঘণ্টা পর রোহিতাশ মারা যান।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণার পর শ্মশানে জেগে উঠলো মরদেহ

Update Time : 07:48:49 am, Saturday, 23 November 2024

ডেস্ক রিপোর্ট : শেষকৃত্যানুষ্ঠান শুরুর আগমুহূর্তে জীবিত হয়ে ওঠলো মরদেহ। ভারতের রাজস্থানের ঝুনঝুনু জেলা এমন এক বিস্ময়কর ঘটনার স্বাক্ষী হলো।
বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) রাজস্থানের ঝুনঝুনু জেলার বিডিকে হাসপাতালে ২৫ বছর বয়সী বাক্‌প্রতিবন্ধী যুবক রোহিতাশকে মৃত ঘোষণা করেছিলেন চিকিৎসকরা। এরপর তার মরদেহ মর্গ থেকে চিতায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

শ্মশানে শেষকৃত্যানুষ্ঠান শুরুর আগমুহূর্তে হঠাৎ তার শ্বাসপ্রশ্বাস শুরু হয়। পর দ্রুত তাকে জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তার
আবার চিকিৎসা শুরুহয়। প্রাথমিকভাবে তার অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানানো হলেও শুক্রবার(২২ নভেম্বর) সকালে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট তিন চিকিৎসককে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে গঠন করা হয়েছে একটি তদন্ত কমিটি। খবর ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

ঝুনঝুনু জেলার বাগাদে মা সেবা সংস্থানের আশ্রয় কেন্দ্রেই থাকতেন রোহিতাশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে স্থানীয় ভগবান দাস খেতান (বিডিকে) হাসপাতালে জরুরি বিভাগের ভর্তি করা হয়, যা জেলা সবচেয়ে বড় সরকারি হাসপাতাল। হাসপাতালে পৌঁছানোর কয়েক মিনিটের মধ্যেই চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন এবং তার দেহ মর্গে পাঠিয়ে দেন, যেখানে দুই ঘণ্টা তাকে একটি ডিপ ফ্রিজে রাখা হয়।   ওইদিন সন্ধ্যা ৫টায়, শ্মশানে যখন তার দেহাগ্নির প্রস্তুতি চলছিল সেখানে উপস্থিত সবাই রোহিতাশের দেহে নড়াচড়া দেখতে পায়। তারা বুঝতে পারেন তিনি জীবিত। পরে তাকে দ্রুত বিডিকে হাসপাতালে ফেরত পাঠানো হয়। সেখান থেকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএমএস হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসা সত্ত্বেও, ১২ ঘণ্টা পর রোহিতাশ মারা যান।