9:28 am, Sunday, 12 July 2026

চীনের কাছ থেকে সাবমেরিন পেল মিয়ানমার জান্তা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : চীনের কাছ থেকে একটি সাবমেরিন পেয়েছে মিয়ানমার। গত সপ্তাহে ইয়াঙ্গুনে জান্তা প্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইংয়ের সভাপতিত্বে এক অনুষ্ঠানে সাবমেরিনটি হস্তান্তর করা হয়।

মিয়ানমার নৌবাহিনীর ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাবমেরিন দুটি গ্রহণ করা হয়। এটি মিং-ক্লাস ও টাইপ ০৩৫ ডিজেল ইলেক্ট্রিক সাবমেরিন। এটির নামকরণ করা হয়েছে মিন ইয়ে কিয়াই হতিন। প্রশিক্ষণ নৌযান ও আক্রমণের কাজে এটি ব্যবহার করা যাবে।

মিয়ানমারের সশস্ত্রবাহিনীর বৃহত্তম অস্ত্র সরবরাহকারী একটি দেশ চীন। এরই মধ্যে দেশটির কাছ থেকে নৌযান ও যুদ্ধবিমান পেয়েছে তারা। পাকিস্তান ও রাশিয়ার কাছ থেকেও অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান কিনেছে মিয়ানমার।

ইরাবতীর খবরে বলা হয়েছে, মিয়ানমার জান্তার প্রতি চীনের সমর্থনের কারণে দেশটির নাগরিকদের মধ্যে ক্ষোভ আরও বাড়তে পারে। ১ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকেই দেশটিতে চীনবিরোধী মনোভাব বাড়ছে।

২০১৯ সালে ভারতের কাছ থেকে পুরনো একটি সাবমেরিন কিনেছিল মিয়ানমার। এটি এখন সক্রিয় রয়েছে। ওই সময় সাবমেরিন ক্রয়ের ঘটনা চীনের নজর এড়ায়নি। চীনা সরকারের মুখপত্র গ্লোবাল টাইমসে ইস্যুটি নিয়ে ভারত ও মিয়ানমারের সমালোচনা করা হয়।

খবরে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের নৌবাহিনীর নিজেদের সাবমেরিন ও নৌযানের সংখ্যা বাড়াতে চায়। দেশটি এখন রাশিয়ার কাছ থেকে প্রজেক্ট ৬৩৬ ইম্প্রোভড কিলো সাবমেরিন কেনার জন্য আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

মৌলভীবাজারে বন্যা দূর্গত এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায় মানুষের মাঝে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ত্রাণ বিতরণ

চীনের কাছ থেকে সাবমেরিন পেল মিয়ানমার জান্তা

Update Time : 07:40:31 am, Thursday, 30 December 2021

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : চীনের কাছ থেকে একটি সাবমেরিন পেয়েছে মিয়ানমার। গত সপ্তাহে ইয়াঙ্গুনে জান্তা প্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইংয়ের সভাপতিত্বে এক অনুষ্ঠানে সাবমেরিনটি হস্তান্তর করা হয়।

মিয়ানমার নৌবাহিনীর ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাবমেরিন দুটি গ্রহণ করা হয়। এটি মিং-ক্লাস ও টাইপ ০৩৫ ডিজেল ইলেক্ট্রিক সাবমেরিন। এটির নামকরণ করা হয়েছে মিন ইয়ে কিয়াই হতিন। প্রশিক্ষণ নৌযান ও আক্রমণের কাজে এটি ব্যবহার করা যাবে।

মিয়ানমারের সশস্ত্রবাহিনীর বৃহত্তম অস্ত্র সরবরাহকারী একটি দেশ চীন। এরই মধ্যে দেশটির কাছ থেকে নৌযান ও যুদ্ধবিমান পেয়েছে তারা। পাকিস্তান ও রাশিয়ার কাছ থেকেও অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান কিনেছে মিয়ানমার।

ইরাবতীর খবরে বলা হয়েছে, মিয়ানমার জান্তার প্রতি চীনের সমর্থনের কারণে দেশটির নাগরিকদের মধ্যে ক্ষোভ আরও বাড়তে পারে। ১ ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকেই দেশটিতে চীনবিরোধী মনোভাব বাড়ছে।

২০১৯ সালে ভারতের কাছ থেকে পুরনো একটি সাবমেরিন কিনেছিল মিয়ানমার। এটি এখন সক্রিয় রয়েছে। ওই সময় সাবমেরিন ক্রয়ের ঘটনা চীনের নজর এড়ায়নি। চীনা সরকারের মুখপত্র গ্লোবাল টাইমসে ইস্যুটি নিয়ে ভারত ও মিয়ানমারের সমালোচনা করা হয়।

খবরে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের নৌবাহিনীর নিজেদের সাবমেরিন ও নৌযানের সংখ্যা বাড়াতে চায়। দেশটি এখন রাশিয়ার কাছ থেকে প্রজেক্ট ৬৩৬ ইম্প্রোভড কিলো সাবমেরিন কেনার জন্য আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।