5:29 am, Saturday, 16 May 2026

চেতনানাশক দিয়ে অজ্ঞান করা হয় মাহিরাকে

ডেস্ক রিপোর্ট :: এইচএসসি পরীক্ষার জন্য বাসা থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হওয়া মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজের শিক্ষার্থী মাহিরা বিনতে মারুফ পুলিকে উদ্ধার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

রোববার (২৯ জুন) দিনগত রাতে সাভার থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব-৪ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপস) কে এন রায় নিয়তি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, রাজধানীর ভাটারা থানা এলাকা থেকে নিখোঁজ এইচএসসি পরীক্ষার্থী মাহিরা বিনতে মারুফ পুলিকে সাভার থেকে উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৪। ২৯ জুন রাতে সাভার এলাকায় অভিযান চালিয়ে নিখোঁজ শিক্ষার্থী মাহিরা বিনতে মারুফকে (পুলি) উদ্ধার করা হয়। মাহিরা ছিলেন এইচএসসি-২০২৫ এর পরীক্ষার্থী। তার বাসা ভাটারা থানা এলাকায়। তার পরীক্ষা কেন্দ্র ছিল মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ। তিনি মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ সেন্টারে পরীক্ষা দেওয়ার উদ্দেশে রোববার সকাল ৮টার দিকে বাসা থেকে বের হয়ে যান। ওই দিন দুপুর ১টার মধ্যে তার পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা পরীক্ষা কেন্দ্রে খোঁজ নিতে যান। কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে তারা জানতে পারেন, তিনি ওই দিন পরীক্ষাকেন্দ্রে উপস্থিতই হননি। সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করেও দিনভর মাহিরাকে না পেয়ে তার পরিবার ডিএমপির গুলশান বিভাগের ভাটারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে র‌্যাব ওই ঘটনার রহস্য উদঘাটনে ছায়াতদন্ত শুরু করে এবং সাভার এলাকায় ভিকটিমের অবস্থান নির্ণয় করে অভিযান চালায়।

উদ্ধারকৃত শিক্ষার্থীর বরাত দিয়ে র‍্যাবের এ কর্মকর্তা জানান, গত ২৯ জুন তার এইচএসসি পরীক্ষা ছিল। সকাল ৮টার দিকে বাসা থেকে বের হয়ে মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ সেন্টারে পরীক্ষা দেওয়ার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কিছুক্ষণ পর পরই একজন নারী তার সঙ্গে কথা বলতে আসে, কথা বলার এক পর্যায়ে নারী চেতনানাশক কিছু দ্রব্য তার নাকের সামনে ধরলে মেয়েটি অজ্ঞান হয়ে যায়। পরে সে আর কিছু মনে করতে পারে না। জ্ঞান ফিরলে সে নিজেকে একটি রুমের ভেতরে আবিষ্কার করে। সে সময়ে সাভারে র‍্যাবের একটি দল মেয়েটির সম্ভাব্য অবস্থান নিশ্চিত করে। অভিযান পরিচালনার জন্য মেয়েটির অবস্থানরত এলাকায় যায়। ভিকটিম অজ্ঞাত বাসায় বেশ কিছুসময় অতিবাহিত হওয়ার পরে সুকৌশলে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। র‌্যাবের টহল দল তখন ভিকটিমের সুনির্দিষ্ট অবস্থান নির্ণয় করে তাকে উদ্ধার করে। ভিকটিমকে প্রাথমিক আইনি কার্যক্রম শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

চেতনানাশক দিয়ে অজ্ঞান করা হয় মাহিরাকে

Update Time : 08:22:25 am, Monday, 30 June 2025

ডেস্ক রিপোর্ট :: এইচএসসি পরীক্ষার জন্য বাসা থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হওয়া মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজের শিক্ষার্থী মাহিরা বিনতে মারুফ পুলিকে উদ্ধার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

রোববার (২৯ জুন) দিনগত রাতে সাভার থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব-৪ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপস) কে এন রায় নিয়তি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, রাজধানীর ভাটারা থানা এলাকা থেকে নিখোঁজ এইচএসসি পরীক্ষার্থী মাহিরা বিনতে মারুফ পুলিকে সাভার থেকে উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৪। ২৯ জুন রাতে সাভার এলাকায় অভিযান চালিয়ে নিখোঁজ শিক্ষার্থী মাহিরা বিনতে মারুফকে (পুলি) উদ্ধার করা হয়। মাহিরা ছিলেন এইচএসসি-২০২৫ এর পরীক্ষার্থী। তার বাসা ভাটারা থানা এলাকায়। তার পরীক্ষা কেন্দ্র ছিল মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ। তিনি মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ সেন্টারে পরীক্ষা দেওয়ার উদ্দেশে রোববার সকাল ৮টার দিকে বাসা থেকে বের হয়ে যান। ওই দিন দুপুর ১টার মধ্যে তার পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা পরীক্ষা কেন্দ্রে খোঁজ নিতে যান। কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে তারা জানতে পারেন, তিনি ওই দিন পরীক্ষাকেন্দ্রে উপস্থিতই হননি। সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করেও দিনভর মাহিরাকে না পেয়ে তার পরিবার ডিএমপির গুলশান বিভাগের ভাটারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে র‌্যাব ওই ঘটনার রহস্য উদঘাটনে ছায়াতদন্ত শুরু করে এবং সাভার এলাকায় ভিকটিমের অবস্থান নির্ণয় করে অভিযান চালায়।

উদ্ধারকৃত শিক্ষার্থীর বরাত দিয়ে র‍্যাবের এ কর্মকর্তা জানান, গত ২৯ জুন তার এইচএসসি পরীক্ষা ছিল। সকাল ৮টার দিকে বাসা থেকে বের হয়ে মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ সেন্টারে পরীক্ষা দেওয়ার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কিছুক্ষণ পর পরই একজন নারী তার সঙ্গে কথা বলতে আসে, কথা বলার এক পর্যায়ে নারী চেতনানাশক কিছু দ্রব্য তার নাকের সামনে ধরলে মেয়েটি অজ্ঞান হয়ে যায়। পরে সে আর কিছু মনে করতে পারে না। জ্ঞান ফিরলে সে নিজেকে একটি রুমের ভেতরে আবিষ্কার করে। সে সময়ে সাভারে র‍্যাবের একটি দল মেয়েটির সম্ভাব্য অবস্থান নিশ্চিত করে। অভিযান পরিচালনার জন্য মেয়েটির অবস্থানরত এলাকায় যায়। ভিকটিম অজ্ঞাত বাসায় বেশ কিছুসময় অতিবাহিত হওয়ার পরে সুকৌশলে বাসা থেকে বের হয়ে যায়। র‌্যাবের টহল দল তখন ভিকটিমের সুনির্দিষ্ট অবস্থান নির্ণয় করে তাকে উদ্ধার করে। ভিকটিমকে প্রাথমিক আইনি কার্যক্রম শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।