4:40 am, Monday, 8 December 2025

জয়ের আশা জাগিয়ে অজিদের কাছে হার পাকিস্তানের

ডেস্ক রিপোর্ট : সূচনাটা দারুণ করেছিলেন দুই ওপেনার। টপঅর্ডাররাও ভালো করেছেন। তবে মিডলঅর্ডারে কেউ জ্বলে উঠতে পারলেন না। স্বাভাবিকভাবেই যা হওয়ার তাই হলো।

অস্ট্রেলিয়ার কাছে –রানে হেরে গেলো পাকিস্তান।

পাহাড়সহ টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা করেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার ইমাম উল হক ও আব্দুল্লাহ শফিক। উদ্বোধনী জুটিতে তারা তোলেন ১৩৪ রান। ফিফটি তুলে (৬৪) ফেরেন শফিক। পরক্ষণেই বিদায় নেন ইমাম (৭০। দুজনকেই শিকার করেন স্টয়নিস।

দুই ওপেনারকে হারানোর পর খেই হারিয়ে ফেলে পাকিস্তান। সেই অবস্থায় অ্যাডাম জাম্পার ঘূর্ণির ফাঁদে পড়েন রানমেশিন বাবর আজম। এতে বিপাকে পড়ে দলটি। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। কিন্তু মিডল অর্ডারের ব্যর্থতায় সেই পাহাড় টপকাতে পারেনি বাবর আজমের দল। শেষ পর্যন্ত ৪৫.৩ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ৩০৫ রান করে পাকিস্তান। যার ফলে ৬২ রানের হার নিয়ে মাঠ ছাড়ে পাকিস্তান।

এর আগে বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে টস জিতে অস্ট্রেলিয়াকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানানোই যেন কাল হয়েছে পাকিস্তানি অধিনায়ক বাবর আজমের। এক ওপেনিং জুটি ভাঙতেই ঘাম ঝরেছে পাকিস্তানি বোলারদের।

ওপেনিংয়ে ৩৩.৪ ওভারে ২৫৯ রান। মারকুটে ব্যাটিংয়ের সঙ্গে জোড়া সেঞ্চুরিও তুলে নেন মিচেল মার্শ আর ডেভিড ওয়ার্নার। একটি উইকেটের জন্য রীতিমত হাহাকার করছিল পাকিস্তান।

অবশেষে ম্যারাথন ওপেনিং জুটিটি ভাঙেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। শর্ট ফাইন লেগে উসামা মীরের হাতে ক্যাচ দেন মার্শ। ১০৮ বলে ১২১ রানের ইনিংসে ১০টি বাউন্ডারি আর ৯টি ছক্কা হাঁকান মার্শ। এটি তার ক্যারিয়ারসেরা ইনিংসও।

বিধ্বংসী ওপেনিং জুটি ভাঙার পরের বলে আরও একটি উইকেট তুলে নেন শাহিন আফ্রিদি। মিডঅনে তুলে মারতে গিয়ে বাবর আজমের ক্যাচ হন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (১ বলে ০)।

অস্ট্রেলিয়ার আরেক ব্যাটিং স্তম্ভ স্টিভেন স্মিথকেও থিতু হতে দেননি উসামা মীর। লেগস্পিন বলে ফিরতি ক্যাচ বানিয়ে ফেরান ডানহাতি এই ব্যাটারকে (৭)। অল্প সময়ের মধ্যে ৩টি উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া।

কিন্তু ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ২১তম সেঞ্চুরি তুলে নেওয়া ওয়ার্নার তার ইনিংসটি বড় করেছেন বেশ। ৪৩তম ওভারে এসে অবশেষে এই বিধ্বংসী ব্যাটারকে সাজঘরের পথ দেখান হারিস রউফ।

তবে ওয়ার্নার ততক্ষণে দেড়শ পেরিয়ে তার ব্যক্তিগত সংগ্রহকে নিয়ে গেছেন ১৬৩ রানে। ১২৪ বলের মারকুটে ইনিংসে ১৪ বাউন্ডারির সঙ্গে ৯টি ছক্কা হাঁকান এই ওপেনার। তবে এটিই ওয়ার্নারের ক্যারিয়ারসেরা নয়। তার ক্যারিয়ারসেরা ইনিংসটি ১৭৯ রানের।

পাকিস্তানের সবচেয়ে সফল বোলার শাহিন শাহ আফ্রিদি। ১০ ওভারে ৫৪ রান দিয়ে একাই নেন ৫টি উইকেট। ৩ উইকেট শিকার হারিস রউফের।

 

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

মৌলভীবাজারে থানার অফিসার ইনচার্জদের বিদায় সংবর্ধনা

জয়ের আশা জাগিয়ে অজিদের কাছে হার পাকিস্তানের

Update Time : 07:34:21 am, Saturday, 21 October 2023

ডেস্ক রিপোর্ট : সূচনাটা দারুণ করেছিলেন দুই ওপেনার। টপঅর্ডাররাও ভালো করেছেন। তবে মিডলঅর্ডারে কেউ জ্বলে উঠতে পারলেন না। স্বাভাবিকভাবেই যা হওয়ার তাই হলো।

অস্ট্রেলিয়ার কাছে –রানে হেরে গেলো পাকিস্তান।

পাহাড়সহ টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা করেন পাকিস্তানের দুই ওপেনার ইমাম উল হক ও আব্দুল্লাহ শফিক। উদ্বোধনী জুটিতে তারা তোলেন ১৩৪ রান। ফিফটি তুলে (৬৪) ফেরেন শফিক। পরক্ষণেই বিদায় নেন ইমাম (৭০। দুজনকেই শিকার করেন স্টয়নিস।

দুই ওপেনারকে হারানোর পর খেই হারিয়ে ফেলে পাকিস্তান। সেই অবস্থায় অ্যাডাম জাম্পার ঘূর্ণির ফাঁদে পড়েন রানমেশিন বাবর আজম। এতে বিপাকে পড়ে দলটি। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন মোহাম্মদ রিজওয়ান। কিন্তু মিডল অর্ডারের ব্যর্থতায় সেই পাহাড় টপকাতে পারেনি বাবর আজমের দল। শেষ পর্যন্ত ৪৫.৩ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ৩০৫ রান করে পাকিস্তান। যার ফলে ৬২ রানের হার নিয়ে মাঠ ছাড়ে পাকিস্তান।

এর আগে বেঙ্গালুরুর এম চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে টস জিতে অস্ট্রেলিয়াকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানানোই যেন কাল হয়েছে পাকিস্তানি অধিনায়ক বাবর আজমের। এক ওপেনিং জুটি ভাঙতেই ঘাম ঝরেছে পাকিস্তানি বোলারদের।

ওপেনিংয়ে ৩৩.৪ ওভারে ২৫৯ রান। মারকুটে ব্যাটিংয়ের সঙ্গে জোড়া সেঞ্চুরিও তুলে নেন মিচেল মার্শ আর ডেভিড ওয়ার্নার। একটি উইকেটের জন্য রীতিমত হাহাকার করছিল পাকিস্তান।

অবশেষে ম্যারাথন ওপেনিং জুটিটি ভাঙেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। শর্ট ফাইন লেগে উসামা মীরের হাতে ক্যাচ দেন মার্শ। ১০৮ বলে ১২১ রানের ইনিংসে ১০টি বাউন্ডারি আর ৯টি ছক্কা হাঁকান মার্শ। এটি তার ক্যারিয়ারসেরা ইনিংসও।

বিধ্বংসী ওপেনিং জুটি ভাঙার পরের বলে আরও একটি উইকেট তুলে নেন শাহিন আফ্রিদি। মিডঅনে তুলে মারতে গিয়ে বাবর আজমের ক্যাচ হন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (১ বলে ০)।

অস্ট্রেলিয়ার আরেক ব্যাটিং স্তম্ভ স্টিভেন স্মিথকেও থিতু হতে দেননি উসামা মীর। লেগস্পিন বলে ফিরতি ক্যাচ বানিয়ে ফেরান ডানহাতি এই ব্যাটারকে (৭)। অল্প সময়ের মধ্যে ৩টি উইকেট হারায় অস্ট্রেলিয়া।

কিন্তু ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ২১তম সেঞ্চুরি তুলে নেওয়া ওয়ার্নার তার ইনিংসটি বড় করেছেন বেশ। ৪৩তম ওভারে এসে অবশেষে এই বিধ্বংসী ব্যাটারকে সাজঘরের পথ দেখান হারিস রউফ।

তবে ওয়ার্নার ততক্ষণে দেড়শ পেরিয়ে তার ব্যক্তিগত সংগ্রহকে নিয়ে গেছেন ১৬৩ রানে। ১২৪ বলের মারকুটে ইনিংসে ১৪ বাউন্ডারির সঙ্গে ৯টি ছক্কা হাঁকান এই ওপেনার। তবে এটিই ওয়ার্নারের ক্যারিয়ারসেরা নয়। তার ক্যারিয়ারসেরা ইনিংসটি ১৭৯ রানের।

পাকিস্তানের সবচেয়ে সফল বোলার শাহিন শাহ আফ্রিদি। ১০ ওভারে ৫৪ রান দিয়ে একাই নেন ৫টি উইকেট। ৩ উইকেট শিকার হারিস রউফের।