7:12 am, Sunday, 9 August 2026

জর্ডানে মার্কিন বিমানঘাঁটিতেও ইরানের হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: জর্ডানের আল-আজরাক এলাকায় অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক বিমানঘাঁটিতে একযোগে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস। হামলায় মার্কিন বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমানের হ্যাঙ্গার এবং একটি বড় বিমান পার্কিং র‌্যাম্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, এই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত দুটি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে।

পাশাপাশি সেখানে থাকা আরও কয়েকটি মার্কিন যুদ্ধবিমানেরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে তাদের দাবি।
তবে যুক্তরাষ্ট্র বা জর্ডানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এসব দাবির বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

স্বাধীনভাবেও এই দাবিগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
হামলার পাশাপাশি জর্ডানের জাতীয় সেনাবাহিনীর প্রতি একটি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছে আইআরজিসি।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আগ্রাসী ও কাফের সামরিক বাহিনী বৈধ লক্ষ্যবস্তু।

এতে আরও বলা হয়, জর্ডানের ভূখণ্ড থেকে মার্কিন সেনাদের সরিয়ে দিতে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। আইআরজিসির ভাষ্য, ‘যেকোনো উপায়ে তাদের নির্মূল করা এবং নিষ্পাপ মুসলমানদের হত্যাকারীদের হাত থেকে জর্ডানের পবিত্র ভূমিকে মুক্ত করা আপনাদের ধর্মীয় ও মানবিক দায়িত্ব।’

এর আগে সৌদি আরবের ভূখণ্ডে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করেও দূরপাল্লার ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছিল ইরান।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

অরক্ষিত ‘হাকালুকি উপস্বাস্থ্য কেন্দ্র’চিকিৎসা বঞ্চিত হাওর পারের হতদরিদ্র বাসিন্দারা

জর্ডানে মার্কিন বিমানঘাঁটিতেও ইরানের হামলা

Update Time : 10:05:49 am, Saturday, 18 July 2026

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: জর্ডানের আল-আজরাক এলাকায় অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক বিমানঘাঁটিতে একযোগে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস। হামলায় মার্কিন বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমানের হ্যাঙ্গার এবং একটি বড় বিমান পার্কিং র‌্যাম্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, এই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত দুটি অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে।

পাশাপাশি সেখানে থাকা আরও কয়েকটি মার্কিন যুদ্ধবিমানেরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে তাদের দাবি।
তবে যুক্তরাষ্ট্র বা জর্ডানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত এসব দাবির বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

স্বাধীনভাবেও এই দাবিগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
হামলার পাশাপাশি জর্ডানের জাতীয় সেনাবাহিনীর প্রতি একটি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছে আইআরজিসি।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আগ্রাসী ও কাফের সামরিক বাহিনী বৈধ লক্ষ্যবস্তু।

এতে আরও বলা হয়, জর্ডানের ভূখণ্ড থেকে মার্কিন সেনাদের সরিয়ে দিতে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। আইআরজিসির ভাষ্য, ‘যেকোনো উপায়ে তাদের নির্মূল করা এবং নিষ্পাপ মুসলমানদের হত্যাকারীদের হাত থেকে জর্ডানের পবিত্র ভূমিকে মুক্ত করা আপনাদের ধর্মীয় ও মানবিক দায়িত্ব।’

এর আগে সৌদি আরবের ভূখণ্ডে অবস্থিত একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করেও দূরপাল্লার ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছিল ইরান।