3:52 pm, Wednesday, 7 October 2026

জানাজায় মানুষের ঢল, বাবা-মায়ের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন সাবেক চেয়ারম্যান মোসলেহ উদ্দিন

জুড়ী প্রতিনিধিঃ হাজার হাজার মানুষকে কাঁদিয়ে পিতা-মাতার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার সদর জায়ফরনগর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. মোসলেহ উদ্দিন। সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) সকাল ৭.১৫ মিনিটে নিজ বাড়ীতে মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। ওইদিন বাদ আছর বেলাগাঁও-কন্টিনালা জামে মসজিদ কেন্দ্রীয় ঈদগাহে জানাজার নামাজ শেষে স্থানীয় কবরস্থানে পিতা-মাতার কবরের পাশে দাফন সম্পন্ন হয় ওই জনপ্রিয় কিংবদন্তী জনপ্রতিনিধির।

হাজার হাজার জনতার ঢল নামে তাঁর জানাজায়, অংশ নেন বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতা-কর্মী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সাংবাদিক, সুশিল সমাজ ও সকল শ্রেণী পেশার মানুষ। এসময় তাঁরা সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. মোসলেহ উদ্দিনের দীর্ঘ বর্ণাঢ্য জীবন এবং মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসার স্মৃতি চারণ করেন। তারা বলেন- দীর্ঘ জীবনে সাবেক চেয়ারম্যান মোসলেহ উদ্দিন ছিলেন নিবেদিত প্রাণ একজন সৎ, নিষ্ঠাবান ও আদর্শবান মানুষ। জুড়ী উপজেলা প্রতিষ্ঠায় তাঁর ছিলো অনেক অবদান। এই উপজেলার উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করেছেন। আজীবন মানুষের সেবা করেছেন। আজকের জানাজা-ই এর প্রমাণ। আজ হাজারো মানুষের ভালোবাসা নিয়ে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন তিনি। আজ আমরা শোকাহত। আমরা এই উপজেলার একজন অভিভাবককে হারালাম। তাঁর মৃত্যুর খবরে জুড়ী উপজেলার সর্বত্র শোকের ছায়া নেমে আসে।

মৃত্যুকালে সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. মোসলেহ উদ্দিনের বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে ও ৩ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখে যান।

উল্লেখ্য, সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. মোসলেহ উদ্দিন জুড়ী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক, ভোরের কাগজ ও বাংলাদেশ টুডে পত্রিকার জুড়ী উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম সুমনের পিতা।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

জানাজায় মানুষের ঢল, বাবা-মায়ের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন সাবেক চেয়ারম্যান মোসলেহ উদ্দিন

Update Time : 08:37:56 am, Tuesday, 19 December 2023

জুড়ী প্রতিনিধিঃ হাজার হাজার মানুষকে কাঁদিয়ে পিতা-মাতার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার সদর জায়ফরনগর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. মোসলেহ উদ্দিন। সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) সকাল ৭.১৫ মিনিটে নিজ বাড়ীতে মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। ওইদিন বাদ আছর বেলাগাঁও-কন্টিনালা জামে মসজিদ কেন্দ্রীয় ঈদগাহে জানাজার নামাজ শেষে স্থানীয় কবরস্থানে পিতা-মাতার কবরের পাশে দাফন সম্পন্ন হয় ওই জনপ্রিয় কিংবদন্তী জনপ্রতিনিধির।

হাজার হাজার জনতার ঢল নামে তাঁর জানাজায়, অংশ নেন বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতা-কর্মী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সাংবাদিক, সুশিল সমাজ ও সকল শ্রেণী পেশার মানুষ। এসময় তাঁরা সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. মোসলেহ উদ্দিনের দীর্ঘ বর্ণাঢ্য জীবন এবং মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসার স্মৃতি চারণ করেন। তারা বলেন- দীর্ঘ জীবনে সাবেক চেয়ারম্যান মোসলেহ উদ্দিন ছিলেন নিবেদিত প্রাণ একজন সৎ, নিষ্ঠাবান ও আদর্শবান মানুষ। জুড়ী উপজেলা প্রতিষ্ঠায় তাঁর ছিলো অনেক অবদান। এই উপজেলার উন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করেছেন। আজীবন মানুষের সেবা করেছেন। আজকের জানাজা-ই এর প্রমাণ। আজ হাজারো মানুষের ভালোবাসা নিয়ে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন তিনি। আজ আমরা শোকাহত। আমরা এই উপজেলার একজন অভিভাবককে হারালাম। তাঁর মৃত্যুর খবরে জুড়ী উপজেলার সর্বত্র শোকের ছায়া নেমে আসে।

মৃত্যুকালে সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. মোসলেহ উদ্দিনের বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। তিনি স্ত্রী, ২ ছেলে ও ৩ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখে যান।

উল্লেখ্য, সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. মোসলেহ উদ্দিন জুড়ী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক, ভোরের কাগজ ও বাংলাদেশ টুডে পত্রিকার জুড়ী উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম সুমনের পিতা।