12:58 am, Thursday, 11 June 2026

জুড়ীতে বজ্রপাতে চা-শ্রমিকেদের ১৪টি গবাদিপশুর মৃত্যু

আবিদ হোসাইন :: মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার ৮নং গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের কুচাই জ্বালাই ও পাথরটিলা গ্রামে বজ্রপাতে ১৩টি গরু ও ১টি মহিষ মারা গেছে।

বুধবার (৩ জুন) সকাল ১১ ঘটিকায় বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সময় বজ্রাঘাতে চা শ্রমিকদের ১৩টি গরু এবং পাথরটিলা এলাকার একটি মহিষ ঘটনাস্থলেই মারা যায়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোয়ালবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ূম।

খেটে খাওয়া এসব চা শ্রমিক পরিবারের আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস ছিল গবাদিপশু। হঠাৎ এ ক্ষতিতে তারা চরম দুর্ভোগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন।

ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ৮নং গোয়ালবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ূম। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সান্ত্বনা প্রদান করেন। পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার আশ্বাস দেন।

এদিকে ঘটনাটি জানার পর স্থানীয়রা মৌলভীবাজার-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্যকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে তিনি গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত চা শ্রমিক পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানান।

সংসদ সদস্য জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দুর্দশা লাঘবে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণে তিনি উদ্যোগ নেবেন। পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতি পূরণে সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

কমলগঞ্জে চা শ্রমিকদের কৃষিপণ্য লুট ও পান গাছ কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন

জুড়ীতে বজ্রপাতে চা-শ্রমিকেদের ১৪টি গবাদিপশুর মৃত্যু

Update Time : 11:24:44 am, Wednesday, 3 June 2026

আবিদ হোসাইন :: মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার ৮নং গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের কুচাই জ্বালাই ও পাথরটিলা গ্রামে বজ্রপাতে ১৩টি গরু ও ১টি মহিষ মারা গেছে।

বুধবার (৩ জুন) সকাল ১১ ঘটিকায় বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সময় বজ্রাঘাতে চা শ্রমিকদের ১৩টি গরু এবং পাথরটিলা এলাকার একটি মহিষ ঘটনাস্থলেই মারা যায়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোয়ালবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ূম।

খেটে খাওয়া এসব চা শ্রমিক পরিবারের আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস ছিল গবাদিপশু। হঠাৎ এ ক্ষতিতে তারা চরম দুর্ভোগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছেন।

ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ৮নং গোয়ালবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কাইয়ূম। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সান্ত্বনা প্রদান করেন। পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার আশ্বাস দেন।

এদিকে ঘটনাটি জানার পর স্থানীয়রা মৌলভীবাজার-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্যকে অবহিত করেন। খবর পেয়ে তিনি গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত চা শ্রমিক পরিবারগুলোর প্রতি সমবেদনা জানান।

সংসদ সদস্য জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দুর্দশা লাঘবে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণে তিনি উদ্যোগ নেবেন। পাশাপাশি ক্ষয়ক্ষতি পূরণে সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।