12:41 pm, Thursday, 19 February 2026

জুড়ীতে আব্দুন নূর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১১ দিনে দুইবার চুরি

জুড়ী প্রতিনিধি :: মৌলভীবাজারের জুড়ীতে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১১ দিনের মধ্যে দুইবার চুরির ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার রাতে উপজেলার জায়ফরনগর ইউনিয়নের কালিনগর গ্রামে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা আব্দুন নূর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি হয়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশা রানী দেবী জানান, শনিবার রাতের কোন সময় কে বা কাহারা বিদ্যালয়ের কার্যালয় ও বিভিন্ন শ্রেণি কক্ষের চারটি তালা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে। স্টিল আলমারীর দরজা ভেঙ্গে সবকিছু তছনছ করে ফেলে। সংঘবদ্ধ চুরচক্র বিদ্যালয়ের ১টি ল্যাপটপ, ১০টি শিলিং ফ্যান, ১টি দেয়াল ঘড়ি, ১টি পানির ফিল্টার, স্বাস্থ্য সুরক্ষার প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি, খেলনা, নতুন বই ও প্রয়োজনীয় খাতাপত্র নিয়ে যায়। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় দেড় লক্ষ টাকা। এর আগে গত ৪ জানুয়ারি একই ভাবে বিদ্যালয়ে চুরি হয়। তখন সাউন্ড সিস্টেমের মালামাল, স্ট্যান্ড ফ্যান ও খেলনা সামগ্রীসহ প্রায় ২৫ হাজার টাকার মালামাল চুরেরা নিয়ে যায়।

এছাড়া গত ইদুল আজহার আগের রাতে বিদ্যালয়ের টিউবওয়েল চুরি হয়। তার আগে আরও একবার বিদ্যালয়ে একটি চুরির ঘটনা ঘটে।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মহিউদ্দিন ভূইঁয়া ও জুড়ী থানার এস আই সৈয়দ মান্নান বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন।

জুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ সঞ্জয় চক্রবর্তী জানান, বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনাটি গভীর ভাবে দেখা হচ্ছে। জড়িতদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

 

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

বাংলাদেশ: স্থিতিশীলতা, সুরক্ষা ও কৌশলগত ভবিষ্যতের প্রশ্নে ভারতের ভূমিকা

জুড়ীতে আব্দুন নূর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১১ দিনে দুইবার চুরি

Update Time : 12:44:45 pm, Sunday, 16 January 2022

জুড়ী প্রতিনিধি :: মৌলভীবাজারের জুড়ীতে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১১ দিনের মধ্যে দুইবার চুরির ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার রাতে উপজেলার জায়ফরনগর ইউনিয়নের কালিনগর গ্রামে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা আব্দুন নূর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি হয়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশা রানী দেবী জানান, শনিবার রাতের কোন সময় কে বা কাহারা বিদ্যালয়ের কার্যালয় ও বিভিন্ন শ্রেণি কক্ষের চারটি তালা ভেঙ্গে ভিতরে প্রবেশ করে। স্টিল আলমারীর দরজা ভেঙ্গে সবকিছু তছনছ করে ফেলে। সংঘবদ্ধ চুরচক্র বিদ্যালয়ের ১টি ল্যাপটপ, ১০টি শিলিং ফ্যান, ১টি দেয়াল ঘড়ি, ১টি পানির ফিল্টার, স্বাস্থ্য সুরক্ষার প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি, খেলনা, নতুন বই ও প্রয়োজনীয় খাতাপত্র নিয়ে যায়। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় দেড় লক্ষ টাকা। এর আগে গত ৪ জানুয়ারি একই ভাবে বিদ্যালয়ে চুরি হয়। তখন সাউন্ড সিস্টেমের মালামাল, স্ট্যান্ড ফ্যান ও খেলনা সামগ্রীসহ প্রায় ২৫ হাজার টাকার মালামাল চুরেরা নিয়ে যায়।

এছাড়া গত ইদুল আজহার আগের রাতে বিদ্যালয়ের টিউবওয়েল চুরি হয়। তার আগে আরও একবার বিদ্যালয়ে একটি চুরির ঘটনা ঘটে।

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মহিউদ্দিন ভূইঁয়া ও জুড়ী থানার এস আই সৈয়দ মান্নান বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন।

জুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ সঞ্জয় চক্রবর্তী জানান, বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনাটি গভীর ভাবে দেখা হচ্ছে। জড়িতদের সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।