10:21 am, Thursday, 11 June 2026

জুড়ীতে শিকারীর কাছ থেকে ২০টি পাখি উদ্ধার করে অবমুক্ত

জুড়ী প্রতিনিধি : মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার শিকারীর কাছ থেকে ২০টি পাখি উদ্ধার করে অবমুক্ত করা হয়েছে। শুক্রবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার গোয়ালবাড়ী এলাকায় বিক্রিকালে পাখিগুলো উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে উপজেলার গোয়ালবাড়ী এলাকায় পাখি শিকারী বেশ কয়েক প্রজাতির পাখি নিয়ে বিক্রির জন্য ঘোরাফেরা করছিল। পরিবেশকর্মীদের মাধ্যমে খবর পেয়ে বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পাখিগুলোকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। এর আগে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে শিকারি পাখির খাঁচা রেখে ফেলে পালিয়ে যায়।

পরিবেশকর্মী খোরশেদ আলম ও সাব্বির খান বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে আসলে আমরা বন বিভাগকে পাখি বিক্রির বিষয়টি অবগত করি এবং পরবর্তীতে বন বিভাগের সহায়তায় পাখিগুলো উদ্ধার করে অবমুক্ত করা হয়।

উদ্ধার করা পাখি গুলোর মধ্যে টিটি পাখি ২ টি, জলমোরগ ২ টি, ছোট ডুবুরি ১ টি, বাবু বাটান ১ টি, ওটা পাখি ১১ টি অন্যান্য তিনটি সহ মোট ২০ টি পাখি অবমুক্ত করা হয়।

বন বিভাগের জুড়ী রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন, গোয়ালবাড়ী এলাকা থেকে পরিত্যাক্ত অবস্থায় খাঁচাবন্দি ২০ টি পাখি উদ্ধার করা হয়। গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে জুড়ী নদীর পাড়ে অবমুক্ত করা হয়। এ সময় তিনি বন্য প্রাণী ও জীবজন্তু সংরক্ষণে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবছরে সময়ে হাওরের বিভিন্ন জলাশয়ে পরিযায়ী পাখির সমাবেশ ঘটে। দূরদেশের অসহনীয় শীত থেকে বাঁচতে এসব পাখি হাকালুকি হাওরে আশ্রয় নেয়। এ সুযোগে স্থানীয় কিছু পাখি শিকারি কীটনাশক মেশানো খাবার খাইয়ে অথবা জাল দিয়ে ফাঁদ তৈরি করে পাখি শিকার করেন।

বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, এ রকম পাখি রক্ষায় সবাই মিলে কাজ করে যেতে হবে। এক্ষেত্রে মানুষকে সচেতন হতে হবে। সাথে সাথে আমাদেরকে তথ্য দিলে আমরা কার্যকরী ব্যবস্থা নিবো।

 

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

কমলগঞ্জে চা শ্রমিকদের কৃষিপণ্য লুট ও পান গাছ কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন

জুড়ীতে শিকারীর কাছ থেকে ২০টি পাখি উদ্ধার করে অবমুক্ত

Update Time : 11:15:19 am, Saturday, 19 February 2022

জুড়ী প্রতিনিধি : মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার শিকারীর কাছ থেকে ২০টি পাখি উদ্ধার করে অবমুক্ত করা হয়েছে। শুক্রবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে উপজেলার গোয়ালবাড়ী এলাকায় বিক্রিকালে পাখিগুলো উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলে উপজেলার গোয়ালবাড়ী এলাকায় পাখি শিকারী বেশ কয়েক প্রজাতির পাখি নিয়ে বিক্রির জন্য ঘোরাফেরা করছিল। পরিবেশকর্মীদের মাধ্যমে খবর পেয়ে বন বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পাখিগুলোকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। এর আগে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে শিকারি পাখির খাঁচা রেখে ফেলে পালিয়ে যায়।

পরিবেশকর্মী খোরশেদ আলম ও সাব্বির খান বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে আসলে আমরা বন বিভাগকে পাখি বিক্রির বিষয়টি অবগত করি এবং পরবর্তীতে বন বিভাগের সহায়তায় পাখিগুলো উদ্ধার করে অবমুক্ত করা হয়।

উদ্ধার করা পাখি গুলোর মধ্যে টিটি পাখি ২ টি, জলমোরগ ২ টি, ছোট ডুবুরি ১ টি, বাবু বাটান ১ টি, ওটা পাখি ১১ টি অন্যান্য তিনটি সহ মোট ২০ টি পাখি অবমুক্ত করা হয়।

বন বিভাগের জুড়ী রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন, গোয়ালবাড়ী এলাকা থেকে পরিত্যাক্ত অবস্থায় খাঁচাবন্দি ২০ টি পাখি উদ্ধার করা হয়। গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে জুড়ী নদীর পাড়ে অবমুক্ত করা হয়। এ সময় তিনি বন্য প্রাণী ও জীবজন্তু সংরক্ষণে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবছরে সময়ে হাওরের বিভিন্ন জলাশয়ে পরিযায়ী পাখির সমাবেশ ঘটে। দূরদেশের অসহনীয় শীত থেকে বাঁচতে এসব পাখি হাকালুকি হাওরে আশ্রয় নেয়। এ সুযোগে স্থানীয় কিছু পাখি শিকারি কীটনাশক মেশানো খাবার খাইয়ে অথবা জাল দিয়ে ফাঁদ তৈরি করে পাখি শিকার করেন।

বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, এ রকম পাখি রক্ষায় সবাই মিলে কাজ করে যেতে হবে। এক্ষেত্রে মানুষকে সচেতন হতে হবে। সাথে সাথে আমাদেরকে তথ্য দিলে আমরা কার্যকরী ব্যবস্থা নিবো।