3:54 pm, Saturday, 14 March 2026

টানা তিন দিন বাড়লো তেলের দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে হুমকির ফলে সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার শঙ্কায় টানা তৃতীয় দিনের মতো তেলের দাম বেড়েছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদন বলছে, মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ভোরে ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম ব্যারেল প্রতি ১.৭০ ডলার বা ২.২ শতাংশ বেড়ে ৭৯.৪৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

সোমবার প্রতি ব্যারেলের মূল্য ৮২.৩৭ ডলার পর্যন্ত উঠেছিল, যা ২০২৫ সালের জানুয়ারির পর সর্বোচ্চ। তবে সেই ঊর্ধ্বমুখী সেই দর দিনশেষে ৬.৭ শতাংশ বেশিতে স্থির হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট ক্রুডের দামও ১.১৭ ডলার বা ১.৬ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি ৭২.৪০ ডলারে পৌঁছেছে। আগের দিনে এই দর ২০২৫ সালের জুনের পর সর্বোচ্চ স্তরে উঠলেও পরে কিছুটা কমে দিনশেষে ৬.৩ শতাংশ বৃদ্ধিতে শেষ হয়।

আইজি মার্কেট অ্যানালিস্ট টনি সাইকামোর রয়টার্সকে বলেন, পরিস্থিতি দ্রুত শান্ত হওয়ার কোনো লক্ষণ নেই, হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ। ইরান এ অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করার মনোভাব দেখাচ্ছে।

ফলে সংঘাত যত দীর্ঘ হবে, তেলের দাম আরও বাড়ার সম্ভবনা ততই বাড়বে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

নাগরিকদের দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারে না: প্রধানমন্ত্রী

টানা তিন দিন বাড়লো তেলের দাম

Update Time : 09:43:46 am, Tuesday, 3 March 2026

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :: ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলে হুমকির ফলে সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার শঙ্কায় টানা তৃতীয় দিনের মতো তেলের দাম বেড়েছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদন বলছে, মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ভোরে ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম ব্যারেল প্রতি ১.৭০ ডলার বা ২.২ শতাংশ বেড়ে ৭৯.৪৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

সোমবার প্রতি ব্যারেলের মূল্য ৮২.৩৭ ডলার পর্যন্ত উঠেছিল, যা ২০২৫ সালের জানুয়ারির পর সর্বোচ্চ। তবে সেই ঊর্ধ্বমুখী সেই দর দিনশেষে ৬.৭ শতাংশ বেশিতে স্থির হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট ক্রুডের দামও ১.১৭ ডলার বা ১.৬ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি ৭২.৪০ ডলারে পৌঁছেছে। আগের দিনে এই দর ২০২৫ সালের জুনের পর সর্বোচ্চ স্তরে উঠলেও পরে কিছুটা কমে দিনশেষে ৬.৩ শতাংশ বৃদ্ধিতে শেষ হয়।

আইজি মার্কেট অ্যানালিস্ট টনি সাইকামোর রয়টার্সকে বলেন, পরিস্থিতি দ্রুত শান্ত হওয়ার কোনো লক্ষণ নেই, হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ। ইরান এ অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করার মনোভাব দেখাচ্ছে।

ফলে সংঘাত যত দীর্ঘ হবে, তেলের দাম আরও বাড়ার সম্ভবনা ততই বাড়বে।