ডেস্ক রিপোর্ট :: রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে টস জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় ঢাকা ক্যাপিটালস। শুরুতেই সেই সিদ্ধান্তের যথার্থতা প্রমাণ করেন অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন ও অলরাউন্ডার ইমাদ ওয়াসিম। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৩২ রান সংগ্রহ করে রাজশাহী।
ইনিংসের প্রথম বলেই বড় ধাক্কা খায় রাজশাহী।
ইমাদ ওয়াসিমের ডেলিভারিতে ব্যাটে বল লাগাতে পারেননি ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান। ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে পড়ায় মুহূর্তের মধ্যেই স্টাম্প ভেঙে দেন মিঠুন। রানের খাতা খোলার আগেই স্টাম্পিং হয়ে ফেরেন সাহিবজাদা। দ্রুত উইকেট হারিয়ে চাপেই পড়ে যায় রাজশাহী।
এক উইকেট হারানোর পর তিন নম্বরে নামেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তার সঙ্গে ওপেনার তানজিদ হাসান তামিমকে রেখে ইনিংস গড়ার চেষ্টা করে রাজশাহী। দুজন বাঁহাতি ব্যাটার থাকায় মিঠুন স্পিনার নাসির হোসেনকে আক্রমণে আনেন। প্রথম ওভারে দুই চার ও এক ছক্কায় ১৬ রান দিয়ে বসেন নাসির।
পরের ওভারের শুরুতেও তানজিদের ব্যাটে আসে দুটি চার। তবে পঞ্চম বলেই উসমান খানের হাতে ক্যাচ দেন ১৫ বলে ২০ রান করা তানজিদ।
তানজিদের বিদায়ের পর শান্তর সঙ্গে জুটি গড়ার দায়িত্ব পড়ে ইয়াসির আলী রাব্বির ওপর। কিন্তু সেটিও বড় হতে পারেনি। ওয়াসিমের বলে শামীম হোসেনের হাতে ক্যাচ দেন ইয়াসির।
১৫ বলে ১৩ রান করে ফেরায় আবারও চাপে পড়ে রাজশাহী।
উদ্বোধনী ম্যাচে সেঞ্চুরি করা শান্ত এদিনও ভালো শুরু করেছিলেন। তবে ওয়াসিমের আঁটসাঁট বোলিংয়ের সামনে আটকে যান রাজশাহীর অধিনায়ক। চাপ কাটাতে ডাউন দ্য উইকেটে বড় শট খেলতে গিয়ে উসমান খানের হাতে ক্যাচ দেন শান্ত। তার ইনিংস থামে ২৮ বলে ৩৭ রানে, যেখানে ছিল দুটি চার ও দুটি ছক্কা।
এরপর দ্রুত ধস নামে রাজশাহীর ইনিংসে। মেহেরাব জিয়াউর রহমানের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন শূন্য রানে। একশর আগেই ৫ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে দলটি। অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম কিছুটা লড়াইয়ের চেষ্টা করলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ২৩ বলে ২৪ রান করে আউট হন তিনি।
শেষের দিকে মোহাম্মদ নাওয়াজ কিছুটা দৃঢ়তা দেখান। ২৬ বলে ২৬ রানের ইনিংস খেললেও বড় স্কোরে পৌঁছাতে পারেনি রাজশাহী। নির্ধারিত ২০ ওভারে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৩২ রান।
ঢাকার বোলিংয়ে সবচেয়ে সফল ছিলেন ওয়াসিম। দুর্দান্ত নিয়ন্ত্রণে ৪ ওভারে মাত্র ১৬ রান খরচ করে নেন ৩টি উইকেট। নাসির হোসেন পান ২টি উইকেট। শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নিয়ে রাজশাহীর ব্যাটিং লাইনআপকে চাপে রেখে শেষ পর্যন্ত মাঝারি পুঁজিতেই আটকে দেয় ঢাকা ক্যাপিটালস।

নিজস্ব প্রতিবেদক 






















