3:00 am, Tuesday, 17 February 2026

তাইওয়ানের আকাশে চীনের ৩৯ যুদ্ধবিমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ফের চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল তাইওয়ানের আকাশসীমায় ঢুকে পড়েছে চীনা যুদ্ধবিমান। তাইওয়ানের এয়ার ডিফেন্স আইডেন্টিফিকেশন জোনে ৩৯টি সামরিক বিমান পাঠিয়েছে চীন। তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সীমান্তে উত্তেজনা বাড়াতে এমনটা করেছে তারা।

তাইওয়ানের আশেপাশে মার্কিন নৌবাহিনীর তিনটি এয়ারক্রাফ্ট মোতায়েন হওয়ায় অক্টোবরের পর থেকে সবচেয়ে বড় চীনা যুদ্ধবিমানের অনুপ্রবেশের ঘটনা এটি। তবে এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে বেইজিং কোনো মন্তব্য করেনি।

সম্প্রতি নৌপথেও যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের আধিপত্য নিয়ে উত্তেজনা শুরু হয়েছে। এদিকে ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এর মাঝেই তাইওয়ানের আকাশসীমায় যুদ্ধবিমান পাঠাল চীন।

গত বছর ৯ অক্টোবর তাইওয়ানকে পুনরায় একত্র করার ঘোষণা দেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তবে শান্তিপূর্ণভাবেই তাইওয়ানকে একত্র করা হবে বলে জানান তিনি। এর পাল্টা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টও। জাতীয় দিবস (১০ অক্টোবর) বেইজিংকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে প্রেসিডেন্ট তাসাই ইন-ওয়েন বলেন, তাইওয়ান কখনো চীনের কাছে মাথানত করবে না। দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় নিজেদের প্রতিরক্ষা বলয় জোরদার করার কথাও জানান তিনি।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, বেইজিং ধারাবাহিকভাবে তাইওয়ানকে রাজনৈতিক ও সামরিক চাপের মুখে ফেলেছে। প্রতিনিয়ত তাইওয়ানের আকাশে চীনা যুদ্ধবিমান টহল দিচ্ছে। গত বছর অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহেই বেইজিংয়ের ১৪৯টি সামরিক বিমান টহল দিয়েছে তাইওয়ানের আকাশসীমায়।

চীন তাইওয়ানকে তাদের নিজস্ব রাজ্য দাবি করে আগ্রাসন চালিয়ে আসছে। যদিও তাইওয়ান তাদের স্বতন্ত্র বলে দাবি করে। সম্প্রতি তাইওয়ানকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নানা পদক্ষেপগ্রহণ, চীনের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

তাইওয়ানের আকাশে চীনের ৩৯ যুদ্ধবিমান

Update Time : 07:16:27 am, Monday, 24 January 2022

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ফের চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল তাইওয়ানের আকাশসীমায় ঢুকে পড়েছে চীনা যুদ্ধবিমান। তাইওয়ানের এয়ার ডিফেন্স আইডেন্টিফিকেশন জোনে ৩৯টি সামরিক বিমান পাঠিয়েছে চীন। তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সীমান্তে উত্তেজনা বাড়াতে এমনটা করেছে তারা।

তাইওয়ানের আশেপাশে মার্কিন নৌবাহিনীর তিনটি এয়ারক্রাফ্ট মোতায়েন হওয়ায় অক্টোবরের পর থেকে সবচেয়ে বড় চীনা যুদ্ধবিমানের অনুপ্রবেশের ঘটনা এটি। তবে এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে বেইজিং কোনো মন্তব্য করেনি।

সম্প্রতি নৌপথেও যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের আধিপত্য নিয়ে উত্তেজনা শুরু হয়েছে। এদিকে ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এর মাঝেই তাইওয়ানের আকাশসীমায় যুদ্ধবিমান পাঠাল চীন।

গত বছর ৯ অক্টোবর তাইওয়ানকে পুনরায় একত্র করার ঘোষণা দেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তবে শান্তিপূর্ণভাবেই তাইওয়ানকে একত্র করা হবে বলে জানান তিনি। এর পাল্টা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টও। জাতীয় দিবস (১০ অক্টোবর) বেইজিংকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে প্রেসিডেন্ট তাসাই ইন-ওয়েন বলেন, তাইওয়ান কখনো চীনের কাছে মাথানত করবে না। দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় নিজেদের প্রতিরক্ষা বলয় জোরদার করার কথাও জানান তিনি।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, বেইজিং ধারাবাহিকভাবে তাইওয়ানকে রাজনৈতিক ও সামরিক চাপের মুখে ফেলেছে। প্রতিনিয়ত তাইওয়ানের আকাশে চীনা যুদ্ধবিমান টহল দিচ্ছে। গত বছর অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহেই বেইজিংয়ের ১৪৯টি সামরিক বিমান টহল দিয়েছে তাইওয়ানের আকাশসীমায়।

চীন তাইওয়ানকে তাদের নিজস্ব রাজ্য দাবি করে আগ্রাসন চালিয়ে আসছে। যদিও তাইওয়ান তাদের স্বতন্ত্র বলে দাবি করে। সম্প্রতি তাইওয়ানকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নানা পদক্ষেপগ্রহণ, চীনের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।