4:01 pm, Friday, 10 April 2026

দুই ধর্ষকের ফাঁসি কার্যকর রাতে

ডেস্ক রিপোর্ট :: চুয়াডাঙ্গার আলোচিত দুই গৃহবধূকে গণধর্ষণ ও হত্যা মামলায় দণ্ডিত দুজনের ফাঁসি রাতেই কার্যকর হতে যাচ্ছে।

সোমবার (৪ অক্টোবর) যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে এ রায় কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছে জেল কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

জেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০০৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর রাতে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার জোরগাছা হাজিরপাড়া গৃহবধূ কমেলা বেগম ও ফিঙে বেগম হত্যার শিকার হন। এ ঘটনায় কমেলা বেগমের মেয়ে বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশের তদন্তে হত্যার পূর্বে গণধর্ষণের তথ্য উঠে আসে।

পুলিশ এ ঘটনায় পাশের রায়ের লক্ষ্মীপুর গ্রামের আজিজ, মিন্টু, মহিউদ্দিন ও সুজন নামে চারজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। বিচার চলাকালে আসামি মহিউদ্দিন মারা যান।

এরপর দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে ২০০৭ সালের ২৬ জুলাই চুয়াডাঙ্গার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা আপিল করলে হাইকোর্ট নিম্ন আদালতের আদেশ বহাল রাখেন। এরপর আসামিরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। আদালত আসামি সুজনকে খালাস দেন এবং আজিজ ও মিন্টুর মৃত্যু দণ্ডাদেশ বহাল রাখেন।

এরপর রাষ্ট্রপতি তাদের ক্ষমার আবেদন মঞ্জুর না করায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগ গত ৬ সেপ্টেম্বর ফাঁসি কার্যকর করতে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারকে নির্দেশনা দেয়। সেই মোতাবেক আজ রাতে এ রায় কার্যকর করা হবে।

এ লক্ষ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মো. সায়েমুজ্জামান।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

লংলা আধুনিক ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো : আতাউর রহমান এর শেষ কর্ম দিবস সম্পন্ন

দুই ধর্ষকের ফাঁসি কার্যকর রাতে

Update Time : 09:20:31 am, Monday, 4 October 2021

ডেস্ক রিপোর্ট :: চুয়াডাঙ্গার আলোচিত দুই গৃহবধূকে গণধর্ষণ ও হত্যা মামলায় দণ্ডিত দুজনের ফাঁসি রাতেই কার্যকর হতে যাচ্ছে।

সোমবার (৪ অক্টোবর) যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে রাত ১০টা ৪৫ মিনিটে এ রায় কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছে জেল কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

জেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০০৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর রাতে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার জোরগাছা হাজিরপাড়া গৃহবধূ কমেলা বেগম ও ফিঙে বেগম হত্যার শিকার হন। এ ঘটনায় কমেলা বেগমের মেয়ে বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশের তদন্তে হত্যার পূর্বে গণধর্ষণের তথ্য উঠে আসে।

পুলিশ এ ঘটনায় পাশের রায়ের লক্ষ্মীপুর গ্রামের আজিজ, মিন্টু, মহিউদ্দিন ও সুজন নামে চারজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। বিচার চলাকালে আসামি মহিউদ্দিন মারা যান।

এরপর দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে ২০০৭ সালের ২৬ জুলাই চুয়াডাঙ্গার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা আপিল করলে হাইকোর্ট নিম্ন আদালতের আদেশ বহাল রাখেন। এরপর আসামিরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। আদালত আসামি সুজনকে খালাস দেন এবং আজিজ ও মিন্টুর মৃত্যু দণ্ডাদেশ বহাল রাখেন।

এরপর রাষ্ট্রপতি তাদের ক্ষমার আবেদন মঞ্জুর না করায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগ গত ৬ সেপ্টেম্বর ফাঁসি কার্যকর করতে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারকে নির্দেশনা দেয়। সেই মোতাবেক আজ রাতে এ রায় কার্যকর করা হবে।

এ লক্ষ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কাজী মো. সায়েমুজ্জামান।