3:52 pm, Thursday, 10 September 2026

দূর্ঘটনার খেসারত একবছর !

নিজস্ব প্রতিবেদক:: মৌলভীবাজার শহরস্থ শ্রীমঙ্গল রোডে একটি সড়ক দূর্ঘটনায় ফুটপাত কাম ড্রেনের স্লাব ভেঙ্গে যাওয়ার ফলে ৮টি দোকানকোঠার ব্যবসা-বাণিজ্য লাটে উঠেছে গত একবছর যাবৎ। এ অচলাবস্থার সুরাহা নিয়ে বিরাজ করছে অনিশ্চয়তা। গত ২০২০ সালের ৩০ জুন তারিখে মালবোঝাই একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ড্রেন কাম ফুটপাতের উপর পড়ে গেলে ড্রেনের স্লাব ভেঙ্গে যায়। তাতে পার্শ্ববর্তী একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান প্রায় অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। ট্রাকমালিক সপ্তাহদিনের মাথায় ট্রাকটি উঠিয়ে নেয়ার সাথে স্লাব ভাঙ্গার জন্য ক্ষতিমূল্য প্রদান করেন বলে জানা গেছে। অতঃপর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গতবছরের আগষ্ট মাসে সংস্কারের নামে পুরো অবকাঠামোর সম্মুখভাগ ভেঙ্গে ফেলার উদ্যোগ নেয়। এ লক্ষ্যে বালু এবং ইট-পাথরও জোগাড় করা হয়। কিন্তু, দুসপ্তাহের মাথায় রাতের আধারে ইট পাথর এবং বালু সরিয়ে নেয়া হয় রহস্যজনকভাবে। এমতাবস্থায় পুরো বিল্ডিংয়ের ৮টি দোকানকোঠা মূল সড়ক থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ব্যবসায়ীরা বলেছেন- গত একবছর যাবৎ তাদের ব্যবসাপাতি লাটে উঠেছে। বাণিজ্যিক বিল্ডিংয়ের অন্যতম মালিক আব্দুল বাছিত তরফদার জানান- সড়ক দূর্ঘটনায় মাত্র একটি দোকানকোঠার সম্মুখভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। কিন্তু, সংস্কারের নামে বাকী ৭টি দোকানকে শুধু ক্ষতিগ্রস্তই করা হয়নি, অধিকন্তু পুরো অবকাঠামোকে হুমকীগ্রস্ত করা হয়েছে। এ ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি জানান তার দায়িত্ব গ্রহণের ৬ মাস আগের এই ঘটনা। সেসময়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে অষ্পষ্টতা আছে। বর্তমানে বরাদ্দের অভাবে সংস্কার কাজ করা সম্ভব হচ্ছেনা। বরাদ্দ নিশ্চিত হলে সংস্কার দ্রুতগতিতে হবে। তিনি বলেন- ক্ষতিপূরণের টাকা সড়ক ও জনপথ বিভাগ গ্রহণ করেনি।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

দূর্ঘটনার খেসারত একবছর !

Update Time : 09:09:44 am, Monday, 14 June 2021

নিজস্ব প্রতিবেদক:: মৌলভীবাজার শহরস্থ শ্রীমঙ্গল রোডে একটি সড়ক দূর্ঘটনায় ফুটপাত কাম ড্রেনের স্লাব ভেঙ্গে যাওয়ার ফলে ৮টি দোকানকোঠার ব্যবসা-বাণিজ্য লাটে উঠেছে গত একবছর যাবৎ। এ অচলাবস্থার সুরাহা নিয়ে বিরাজ করছে অনিশ্চয়তা। গত ২০২০ সালের ৩০ জুন তারিখে মালবোঝাই একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ড্রেন কাম ফুটপাতের উপর পড়ে গেলে ড্রেনের স্লাব ভেঙ্গে যায়। তাতে পার্শ্ববর্তী একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান প্রায় অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। ট্রাকমালিক সপ্তাহদিনের মাথায় ট্রাকটি উঠিয়ে নেয়ার সাথে স্লাব ভাঙ্গার জন্য ক্ষতিমূল্য প্রদান করেন বলে জানা গেছে। অতঃপর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ গতবছরের আগষ্ট মাসে সংস্কারের নামে পুরো অবকাঠামোর সম্মুখভাগ ভেঙ্গে ফেলার উদ্যোগ নেয়। এ লক্ষ্যে বালু এবং ইট-পাথরও জোগাড় করা হয়। কিন্তু, দুসপ্তাহের মাথায় রাতের আধারে ইট পাথর এবং বালু সরিয়ে নেয়া হয় রহস্যজনকভাবে। এমতাবস্থায় পুরো বিল্ডিংয়ের ৮টি দোকানকোঠা মূল সড়ক থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ব্যবসায়ীরা বলেছেন- গত একবছর যাবৎ তাদের ব্যবসাপাতি লাটে উঠেছে। বাণিজ্যিক বিল্ডিংয়ের অন্যতম মালিক আব্দুল বাছিত তরফদার জানান- সড়ক দূর্ঘটনায় মাত্র একটি দোকানকোঠার সম্মুখভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। কিন্তু, সংস্কারের নামে বাকী ৭টি দোকানকে শুধু ক্ষতিগ্রস্তই করা হয়নি, অধিকন্তু পুরো অবকাঠামোকে হুমকীগ্রস্ত করা হয়েছে। এ ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি জানান তার দায়িত্ব গ্রহণের ৬ মাস আগের এই ঘটনা। সেসময়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে অষ্পষ্টতা আছে। বর্তমানে বরাদ্দের অভাবে সংস্কার কাজ করা সম্ভব হচ্ছেনা। বরাদ্দ নিশ্চিত হলে সংস্কার দ্রুতগতিতে হবে। তিনি বলেন- ক্ষতিপূরণের টাকা সড়ক ও জনপথ বিভাগ গ্রহণ করেনি।