10:14 pm, Thursday, 14 May 2026

দেশে একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না’ জমিসহ গৃহ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী

এম এ রকিব :: ক্ষমতায় থেকে নিজে খাবো, নিজে খাবো, এটা নয়। ক্ষমতা আমার কাছে মানুষকে শান্তিতে রাখা। কীভাবে মানুষকে ভালো রাখা যায় এটা হলো বড়। বাংলাদেশে একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না। কোথাও কেউ গৃহহীন থাকলে আমাদের জানাবেন। আমার লক্ষ্য একটাই, বঙ্গবন্ধুর সৃষ্ট বাংলাদেশে কোনও মানুষ যেন ভূমিহারা, গৃহহারা না থাকে। তবেই আমার বাবার আত্মা শান্তি পাবে। করোনাভাইরাসের প্রভাব শেষ হচ্ছে না। টিকা নিয়ে আসছি। আরও আনবো। স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে চলতে হবে। হাত ধোয়া, মাস্ক পরা ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা দরকার। নিজে ভালো থাকবেন, অন্যকে ভালো থাকতে সহযোগিতা করবেন।

রোববার সকাল ১১ টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকীতে ‘মুজিব শতবর্ষ’ উদযাপন ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার গৃহহীন, ভূমিহীন অসহায় দরিদ্র পরিবারের মাঝে জমিসহ গৃহ প্রদানের উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে গনভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে সরাসরি যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় দ্বিতীয় পর্যায়ে সারা দেশে ৫৩ হাজার ৩৪০ পরিবারকে দুই শতাংশ জমির মালিকানাসহ সেমিপাকা ঘর উপহার দেওয়া হয়। এর মধ্যে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার কলাপুর ইউনিয়নের মাইজদিহি এলাকার পাহাড়ের চুড়ায় ১৫৮ পরিবারকে বুঝিয়ে দেওয়া হলো তাদের স্বপ্নে নীড়। এখানে পর্যায়ক্রমে ৩০০ পরিবারকে দেওয়া হবে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার। এর আগে আশ্রয়ণ-১ প্রকল্পের আওতায় দেওয়া হয় আরো তিন’শ পরিবারকে জমিসহ সেমিপাকা ঘর।

প্রধানমন্ত্রী নিজ কার্যালয় থেকে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল, কুড়িগ্রামের সদর, শেরপুরের ঝিনাইগাতি ও চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় সরাসরি ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তাঁর প্রতিনিধি হিসেবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছ থেকে জমির দলিল ও ঘরের চাবি বুঝে নেন ছিন্নমূল এসব পরিবার।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গৃহহীন, ভূমিহীন, অসহায় দরিদ্র পরিবারের ঘর পাওয়া দুঃখী মানুষের মুখের হাসিই আমার কাছে সব চেয়ে বড়। ঘর পাওয়া মানুষগুলো যে আনন্দ পেয়েছে, এর চেয়ে বড় পাওয়া আর কিছু নেই। আমাদের লক্ষ্য সমাজের একদম নিচুস্থরের পড়ে থাকা লোকদের টেনে তোলা, তাদের মূল সমাজের সঙ্গে অন্তর্ভুক্তি করা। অর্থনীতি নীতিমালায় আমাদের প্রথম কাজ হচ্ছে একেবারে গ্রামপর্যায়ে তৃণমূল মানুষের কাছে সুবিধা পৌঁছে দেওয়া। এই মানুষগুলোর জীবন মান উন্নত করতেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

শেখ হাসিনা বলেন, পুরো বাংলাদেশ আমি ঘুরেছি। গ্রামে-গঞ্জে-মাঠেঘাটে গিয়েছি। আওয়ামীলীগ মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করে। জাতির পিতা মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্ব দিয়েছেন। তার পদাঙ্ক অনুসরণ করেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। আমরা এ পর্যন্ত ৪ লাখ ৪২ হাজার ৬০৮ পরিবারকে গৃহ নির্মাণ করে দিয়েছি। এর মধ্যে জলবায়ু উদ্বাস্তু পুনর্বাসনে কক্সবাজারে রয়েছে বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্প ও আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প। এছাড়াও আমাদের সচিবরা তাদের নিজস্ব অর্থায়নে ১৬০টি পরিবারকে ঘর করে দিয়েছেন। আমাদের পুলিশসহ বিভিন্ন বাহিনী ও বিভিন্ন সংস্থা এ কাজে এগিয়ে এসেছেন।

বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, আমরা লক্ষ্য স্থির করেছি, বাংলাদেশকে দারিদ্রমুক্ত করবো। এর জন্য শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়েছি, কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিয়েছি। মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করেছি। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং গৃহহীন মানুষকে ঘরবাড়ি তৈরি করে দিচ্ছি। বস্তিবাসীর জন্য ঢাকায় ভাড়ায় থাকার জন্য ফ্ল্যাট করে দিচ্ছি। অর্থনৈতিক নীতিমালায় আমরা তৃণমূলকে অগ্রাধিকার দিচ্ছি। গ্রাম পর্যায়ে মানুষের কাছে পৌঁছে যাওয়া, তাদের খাদ্য, শিক্ষা ও বাসস্থান নিশ্চিত করা আমাদের লক্ষ্য।

আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মাহবুব হোসেন বলেন, ‘একসঙ্গে এত মানুষকে জমির মালিকানাসহ সেমিপাকা ঘর দেওয়া পৃথিবীর ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা। এই অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে শেখ হাসিনা মডেল। আশ্রয়ণে ছিন্নমূল বিশাল সংখ্যক জনগোষ্ঠী স্থায়ী আবাসনের পাশাপাশি আত্মকর্মসংস্থানেরও সুযোগ পাচ্ছে। এতে দারিদ্র্য বিমোচন ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে যাচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রীর উপহার দেওয়া এসব ঘরে দুটি রুম, একটি বরান্দা, রান্না ঘর ও একটি টয়লেট রয়েছে। পাশাপাশি সুপেয় পানি ও বিদ্যুত ব্যবস্থাও আছে। এছাড়াও আত্মনির্ভরশীল করতে ওই সব পরিবারের সদস্যদের জন্য কর্মসংস্থানের জন্য নানা ধরনের শ্রশিক্ষণও দেওয়া হবে বলে জানানো হয় অনুষ্ঠানে।

পরে প্রধানমন্ত্রী চার উপজেলার চারজন সুবিধাভোগীর কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেন। এরমধ্যে শীলা গুহ নামের শ্রীমঙ্গলের এক বীরাঙ্গনা প্রাধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রন জানান তিনি যেন একবার শ্রীমঙ্গলে এসে তাদেরকে দেখে যান। প্রধানমন্ত্রীও বলেন সময় সুযোগ হলে তিনি তাঁর উপহার দেওয়া ঘর ও বাসিন্দাদের দেখে যাবেন।

শ্রীমঙ্গলে জমিসহ ঘর প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- স্থানীয় সংসদ সদস্য অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সাবেক চিফ হুইপ বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ উপাধ্যক্ষ ড. মোঃ আব্দুস শহীদ এমপি, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মিছবাউর রহান, মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান, মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারীয়া, শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, শ্রীমঙ্গলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: নেছার উদ্দিনসহ বিভিন্ন স্থরের সরকারী কর্মকর্তা, স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্ধ, গণমাধ্যম কর্মী ও সুবিধাভোগীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

দেশে একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না’ জমিসহ গৃহ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী

Update Time : 10:01:00 am, Sunday, 20 June 2021

এম এ রকিব :: ক্ষমতায় থেকে নিজে খাবো, নিজে খাবো, এটা নয়। ক্ষমতা আমার কাছে মানুষকে শান্তিতে রাখা। কীভাবে মানুষকে ভালো রাখা যায় এটা হলো বড়। বাংলাদেশে একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না। কোথাও কেউ গৃহহীন থাকলে আমাদের জানাবেন। আমার লক্ষ্য একটাই, বঙ্গবন্ধুর সৃষ্ট বাংলাদেশে কোনও মানুষ যেন ভূমিহারা, গৃহহারা না থাকে। তবেই আমার বাবার আত্মা শান্তি পাবে। করোনাভাইরাসের প্রভাব শেষ হচ্ছে না। টিকা নিয়ে আসছি। আরও আনবো। স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে চলতে হবে। হাত ধোয়া, মাস্ক পরা ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা দরকার। নিজে ভালো থাকবেন, অন্যকে ভালো থাকতে সহযোগিতা করবেন।

রোববার সকাল ১১ টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকীতে ‘মুজিব শতবর্ষ’ উদযাপন ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার গৃহহীন, ভূমিহীন অসহায় দরিদ্র পরিবারের মাঝে জমিসহ গৃহ প্রদানের উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে গনভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে সরাসরি যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।

আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় দ্বিতীয় পর্যায়ে সারা দেশে ৫৩ হাজার ৩৪০ পরিবারকে দুই শতাংশ জমির মালিকানাসহ সেমিপাকা ঘর উপহার দেওয়া হয়। এর মধ্যে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার কলাপুর ইউনিয়নের মাইজদিহি এলাকার পাহাড়ের চুড়ায় ১৫৮ পরিবারকে বুঝিয়ে দেওয়া হলো তাদের স্বপ্নে নীড়। এখানে পর্যায়ক্রমে ৩০০ পরিবারকে দেওয়া হবে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার। এর আগে আশ্রয়ণ-১ প্রকল্পের আওতায় দেওয়া হয় আরো তিন’শ পরিবারকে জমিসহ সেমিপাকা ঘর।

প্রধানমন্ত্রী নিজ কার্যালয় থেকে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল, কুড়িগ্রামের সদর, শেরপুরের ঝিনাইগাতি ও চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় সরাসরি ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তাঁর প্রতিনিধি হিসেবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছ থেকে জমির দলিল ও ঘরের চাবি বুঝে নেন ছিন্নমূল এসব পরিবার।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গৃহহীন, ভূমিহীন, অসহায় দরিদ্র পরিবারের ঘর পাওয়া দুঃখী মানুষের মুখের হাসিই আমার কাছে সব চেয়ে বড়। ঘর পাওয়া মানুষগুলো যে আনন্দ পেয়েছে, এর চেয়ে বড় পাওয়া আর কিছু নেই। আমাদের লক্ষ্য সমাজের একদম নিচুস্থরের পড়ে থাকা লোকদের টেনে তোলা, তাদের মূল সমাজের সঙ্গে অন্তর্ভুক্তি করা। অর্থনীতি নীতিমালায় আমাদের প্রথম কাজ হচ্ছে একেবারে গ্রামপর্যায়ে তৃণমূল মানুষের কাছে সুবিধা পৌঁছে দেওয়া। এই মানুষগুলোর জীবন মান উন্নত করতেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

শেখ হাসিনা বলেন, পুরো বাংলাদেশ আমি ঘুরেছি। গ্রামে-গঞ্জে-মাঠেঘাটে গিয়েছি। আওয়ামীলীগ মানুষের অধিকার নিয়ে কাজ করে। জাতির পিতা মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্ব দিয়েছেন। তার পদাঙ্ক অনুসরণ করেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। আমরা এ পর্যন্ত ৪ লাখ ৪২ হাজার ৬০৮ পরিবারকে গৃহ নির্মাণ করে দিয়েছি। এর মধ্যে জলবায়ু উদ্বাস্তু পুনর্বাসনে কক্সবাজারে রয়েছে বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্প ও আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প। এছাড়াও আমাদের সচিবরা তাদের নিজস্ব অর্থায়নে ১৬০টি পরিবারকে ঘর করে দিয়েছেন। আমাদের পুলিশসহ বিভিন্ন বাহিনী ও বিভিন্ন সংস্থা এ কাজে এগিয়ে এসেছেন।

বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, আমরা লক্ষ্য স্থির করেছি, বাংলাদেশকে দারিদ্রমুক্ত করবো। এর জন্য শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়েছি, কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে মানুষের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিয়েছি। মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করেছি। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং গৃহহীন মানুষকে ঘরবাড়ি তৈরি করে দিচ্ছি। বস্তিবাসীর জন্য ঢাকায় ভাড়ায় থাকার জন্য ফ্ল্যাট করে দিচ্ছি। অর্থনৈতিক নীতিমালায় আমরা তৃণমূলকে অগ্রাধিকার দিচ্ছি। গ্রাম পর্যায়ে মানুষের কাছে পৌঁছে যাওয়া, তাদের খাদ্য, শিক্ষা ও বাসস্থান নিশ্চিত করা আমাদের লক্ষ্য।

আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মাহবুব হোসেন বলেন, ‘একসঙ্গে এত মানুষকে জমির মালিকানাসহ সেমিপাকা ঘর দেওয়া পৃথিবীর ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা। এই অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নে শেখ হাসিনা মডেল। আশ্রয়ণে ছিন্নমূল বিশাল সংখ্যক জনগোষ্ঠী স্থায়ী আবাসনের পাশাপাশি আত্মকর্মসংস্থানেরও সুযোগ পাচ্ছে। এতে দারিদ্র্য বিমোচন ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে যাচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রীর উপহার দেওয়া এসব ঘরে দুটি রুম, একটি বরান্দা, রান্না ঘর ও একটি টয়লেট রয়েছে। পাশাপাশি সুপেয় পানি ও বিদ্যুত ব্যবস্থাও আছে। এছাড়াও আত্মনির্ভরশীল করতে ওই সব পরিবারের সদস্যদের জন্য কর্মসংস্থানের জন্য নানা ধরনের শ্রশিক্ষণও দেওয়া হবে বলে জানানো হয় অনুষ্ঠানে।

পরে প্রধানমন্ত্রী চার উপজেলার চারজন সুবিধাভোগীর কথা মনোযোগ দিয়ে শুনেন। এরমধ্যে শীলা গুহ নামের শ্রীমঙ্গলের এক বীরাঙ্গনা প্রাধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রন জানান তিনি যেন একবার শ্রীমঙ্গলে এসে তাদেরকে দেখে যান। প্রধানমন্ত্রীও বলেন সময় সুযোগ হলে তিনি তাঁর উপহার দেওয়া ঘর ও বাসিন্দাদের দেখে যাবেন।

শ্রীমঙ্গলে জমিসহ ঘর প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- স্থানীয় সংসদ সদস্য অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সাবেক চিফ হুইপ বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ উপাধ্যক্ষ ড. মোঃ আব্দুস শহীদ এমপি, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মিছবাউর রহান, মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান, মৌলভীবাজারের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারীয়া, শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, শ্রীমঙ্গলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো: নেছার উদ্দিনসহ বিভিন্ন স্থরের সরকারী কর্মকর্তা, স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্ধ, গণমাধ্যম কর্মী ও সুবিধাভোগীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।