12:16 pm, Thursday, 19 February 2026

‘নরকের দুয়ার’ বন্ধ করে দেয়ার পরিকল্পনা করছে তুর্কমেনিস্তান

ডেস্ক রিপোর্ট :: তুর্কমেনিস্তানের মরুভূমিতে থাকা ‘নরকের দুয়ার’ নামে পরিচিত বিশাল একটি অগ্নিকুণ্ডকে নিভিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট। অগ্নিকুণ্ডটি মূলত একটি জমে থাকা গ্যাসের গর্ত। কয়েক দশক ধরে এটি জ্বলছে।

পরিবেশগত ও স্বাস্থ্যগত কারণে এবং একই সাথে গ্যাস রপ্তানি বাড়ানোর জন্যই এটি বন্ধ করে দিতে চান প্রেসিডেন্ট গুরবাঙ্গুলী বার্দিমুহামেদা।

কারাকুম মরুভূমিতে ‘দারভাজা’ নামের এই গর্তটিকে ঘিরে রয়েছে নানা রহস্য।

অনেকে বিশ্বাস করেন যে, ১৯৭১ সালে সোভিয়েত সামরিক মহড়ার সময় করা ভুলের কারণে এটি তৈরি হয়েছিল।

কানাডার অভিযাত্রী জর্জ কাউরুনিস ২০১৩ সালে গর্তের গভীরতা পরীক্ষা করে বলেছিলেন যে, এটি কীভাবে শুরু হয়েছিল তা আসলে কেউ জানে না।

স্থানীয় ভূ-তাত্ত্বিকদের মতে, বিশাল গর্তটি ১৯৬০ এর দশকে তৈরি হয়েছিল কিন্তু শুধুমাত্র ১৯৮০-এর দশকে এটির ভেতরে আগুন জ্বলে ওঠে।

দেশটির প্রেসিডেন্ট এক টেলিভিশন ভাষণে বলেন, ‘আমরা মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ হারাচ্ছি যার জন্য আমরা উল্লেখযোগ্য মুনাফা পেতে পারি এবং আমাদের জনগণের কল্যাণে তাদের ব্যবহার করতে পারি।’

তিনি কর্মকর্তাদের ‘আগুন নেভাতে একটি সমাধান খুঁজে বের করার’ নির্দেশ দিয়েছেন।

এর আগেও আগুন নেভানোর জন্য অসংখ্যবার চেষ্টা করা হয়েছে।

২০১০ সালেও বার্দিমুহামেদা বিশেষজ্ঞদের আগুন নেভানোর জন্য একটি উপায় খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

২০১৮ সালে, প্রেসিডেন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে এটির নামকরণ করেন ‘শাইনিং অব কারাকুম’।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

বাংলাদেশ: স্থিতিশীলতা, সুরক্ষা ও কৌশলগত ভবিষ্যতের প্রশ্নে ভারতের ভূমিকা

‘নরকের দুয়ার’ বন্ধ করে দেয়ার পরিকল্পনা করছে তুর্কমেনিস্তান

Update Time : 10:18:04 am, Monday, 10 January 2022

ডেস্ক রিপোর্ট :: তুর্কমেনিস্তানের মরুভূমিতে থাকা ‘নরকের দুয়ার’ নামে পরিচিত বিশাল একটি অগ্নিকুণ্ডকে নিভিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট। অগ্নিকুণ্ডটি মূলত একটি জমে থাকা গ্যাসের গর্ত। কয়েক দশক ধরে এটি জ্বলছে।

পরিবেশগত ও স্বাস্থ্যগত কারণে এবং একই সাথে গ্যাস রপ্তানি বাড়ানোর জন্যই এটি বন্ধ করে দিতে চান প্রেসিডেন্ট গুরবাঙ্গুলী বার্দিমুহামেদা।

কারাকুম মরুভূমিতে ‘দারভাজা’ নামের এই গর্তটিকে ঘিরে রয়েছে নানা রহস্য।

অনেকে বিশ্বাস করেন যে, ১৯৭১ সালে সোভিয়েত সামরিক মহড়ার সময় করা ভুলের কারণে এটি তৈরি হয়েছিল।

কানাডার অভিযাত্রী জর্জ কাউরুনিস ২০১৩ সালে গর্তের গভীরতা পরীক্ষা করে বলেছিলেন যে, এটি কীভাবে শুরু হয়েছিল তা আসলে কেউ জানে না।

স্থানীয় ভূ-তাত্ত্বিকদের মতে, বিশাল গর্তটি ১৯৬০ এর দশকে তৈরি হয়েছিল কিন্তু শুধুমাত্র ১৯৮০-এর দশকে এটির ভেতরে আগুন জ্বলে ওঠে।

দেশটির প্রেসিডেন্ট এক টেলিভিশন ভাষণে বলেন, ‘আমরা মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ হারাচ্ছি যার জন্য আমরা উল্লেখযোগ্য মুনাফা পেতে পারি এবং আমাদের জনগণের কল্যাণে তাদের ব্যবহার করতে পারি।’

তিনি কর্মকর্তাদের ‘আগুন নেভাতে একটি সমাধান খুঁজে বের করার’ নির্দেশ দিয়েছেন।

এর আগেও আগুন নেভানোর জন্য অসংখ্যবার চেষ্টা করা হয়েছে।

২০১০ সালেও বার্দিমুহামেদা বিশেষজ্ঞদের আগুন নেভানোর জন্য একটি উপায় খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

২০১৮ সালে, প্রেসিডেন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে এটির নামকরণ করেন ‘শাইনিং অব কারাকুম’।