11:48 pm, Sunday, 18 January 2026

নেত্রকোনায় হত্যা মামলায় ৮ জনের যাবজ্জীবন

ডেস্ক রিপোর্ট : নেত্রকোনা: নেত্রকোনার দুর্গাপুরে কৃষক রফিকুল ওরফে রহিত মিয়া হত্যা মামলায় আট আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় দেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- দুর্গাপুর উপজেলার নন্দেরছটি গ্রামের ইসমাইল হোসেন, কাজল মিয়া, মজিবুর রহমান, আশ্রব আলী, ছামেদুল, শাজাহান আলী, নজরুল ও নুরুল আমিন।

মামলার বিবরণী জানা যায়, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে এক মেম্বার প্রার্থীকে সমর্থন করা নিয়ে রফিকের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন পরাজিত প্রার্থী তোতা মেম্বার ও তার সমর্থকরা। এরই জেরে ২০১২ সালের ২৫ জানুয়ারি জমিতে সেচ দিতে গেলে রফিককে হত্যা করে মরদেহ বস্তায় ভরে ফেলে দেওয়া হয়।

পরে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ২৬ জানুয়ারি দুর্গাপুর থানায় প্রতিপক্ষের লোকজনের নামে মামলা দায়ের করেন নিহত রফিকের বাবা আব্দুল মোতালেব।

দীর্ঘ তদন্ত শেষে পুলিশ তাদের নামে আদালতে চার্জশিট দেয়। মামলায় ১১ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। সাক্ষ্য প্রমাণে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় ঘটনার এক যুগ পর এ রায় দেন বিচারক।

এতে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি ছিলেন আবুল হোসেন। আসামি পক্ষে ছিলেন জাহিদুল ইসলাম সৈকত।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

নেত্রকোনায় হত্যা মামলায় ৮ জনের যাবজ্জীবন

Update Time : 10:33:19 am, Sunday, 17 November 2024

ডেস্ক রিপোর্ট : নেত্রকোনা: নেত্রকোনার দুর্গাপুরে কৃষক রফিকুল ওরফে রহিত মিয়া হত্যা মামলায় আট আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় দেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- দুর্গাপুর উপজেলার নন্দেরছটি গ্রামের ইসমাইল হোসেন, কাজল মিয়া, মজিবুর রহমান, আশ্রব আলী, ছামেদুল, শাজাহান আলী, নজরুল ও নুরুল আমিন।

মামলার বিবরণী জানা যায়, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে এক মেম্বার প্রার্থীকে সমর্থন করা নিয়ে রফিকের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন পরাজিত প্রার্থী তোতা মেম্বার ও তার সমর্থকরা। এরই জেরে ২০১২ সালের ২৫ জানুয়ারি জমিতে সেচ দিতে গেলে রফিককে হত্যা করে মরদেহ বস্তায় ভরে ফেলে দেওয়া হয়।

পরে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ২৬ জানুয়ারি দুর্গাপুর থানায় প্রতিপক্ষের লোকজনের নামে মামলা দায়ের করেন নিহত রফিকের বাবা আব্দুল মোতালেব।

দীর্ঘ তদন্ত শেষে পুলিশ তাদের নামে আদালতে চার্জশিট দেয়। মামলায় ১১ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। সাক্ষ্য প্রমাণে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় ঘটনার এক যুগ পর এ রায় দেন বিচারক।

এতে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি ছিলেন আবুল হোসেন। আসামি পক্ষে ছিলেন জাহিদুল ইসলাম সৈকত।