12:26 am, Wednesday, 19 August 2026

পশ্চিম তীরে ৪ হাজার বসতি স্থাপনের অনুমোদন ইসরায়েলের

ডেস্ক রিপোর্ট : অধিকৃত পশ্চিম তীরে নতুন করে সাড়ে চার হাজারের অধিক বসতি স্থাপন করার অনুমোদন দিয়েছে ইসরায়েলের কট্টরপন্থী জোট সরকার। এ ছাড়া অবৈধ বসতি স্থাপনের কাজ বেগবান করতে অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোতরিচকে ব্যাপক পরিসরে ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১৮ জুন) মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই অনুমোদন দিয়েছে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এ অনুমোদনের ফলে ২৭ বছর ধরে চলা বসতি স্থাপনে ছয় ধাপের প্রক্রিয়াটি উপেক্ষিত হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।

নতুন এই অনুমোদনে পশ্চিম তীরের বিভিন্ন অংশে চার হাজার ৫৬০টি বসতি স্থাপন করা হবে, যা আগামী সপ্তাহে হতে যাওয়া ইসরায়েলের সুপ্রিম প্ল্যানিং কাউন্সিলের আলোচ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত ছিল।

এ বিষয়ে ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বলেছেন, ‘আমরা বসতি স্থাপন প্রকল্পের বাস্তবায়ন অব্যাহত রাখব এবং ভূখণ্ডে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করব। ’

তবে ইতোমধ্যেই বিভিন্ন গোষ্ঠী এ বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, এ পদক্ষেপের ফলে পুরো পশ্চিম তীর ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে পারে।

নতুন বসতি স্থাপনের ঘোষণার পরে ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, পশ্চিম তীরকে খুব দ্রুত পুরোপুরি দখলে নেওয়ার একটি ভয়ঙ্কর পদক্ষেপ হিসেবে বসতি স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এদিকে ইসরায়েলের এই পদক্ষেপের ফলে এ অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়বে বলে জানিয়েছে গাজার নিয়ন্ত্রণকারী হামাস। আর ফাতাহ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ‘যেভাবে গাজা থেকে বসতি স্থাপনকারীদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, একইভাবে পশ্চিম তীর থেকেও সরিয়ে দেওয়া হবে।’

আজ সোমবার (১৯ জুন) ইসরায়েলের সঙ্গে ফিলিস্তিনের যৌথ অর্থনৈতিক কমিটির বৈঠক আছে। তবে ফিলিস্তিন জানিয়েছে, তারা এ বৈঠকে যোগ দেবে না।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

ভারতীয় বিনিয়োগকারীরা আগ্রহী হলে স্বাগত জানাবে বাংলাদেশ

পশ্চিম তীরে ৪ হাজার বসতি স্থাপনের অনুমোদন ইসরায়েলের

Update Time : 08:56:03 am, Monday, 19 June 2023

ডেস্ক রিপোর্ট : অধিকৃত পশ্চিম তীরে নতুন করে সাড়ে চার হাজারের অধিক বসতি স্থাপন করার অনুমোদন দিয়েছে ইসরায়েলের কট্টরপন্থী জোট সরকার। এ ছাড়া অবৈধ বসতি স্থাপনের কাজ বেগবান করতে অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোতরিচকে ব্যাপক পরিসরে ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১৮ জুন) মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই অনুমোদন দিয়েছে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এ অনুমোদনের ফলে ২৭ বছর ধরে চলা বসতি স্থাপনে ছয় ধাপের প্রক্রিয়াটি উপেক্ষিত হচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।

নতুন এই অনুমোদনে পশ্চিম তীরের বিভিন্ন অংশে চার হাজার ৫৬০টি বসতি স্থাপন করা হবে, যা আগামী সপ্তাহে হতে যাওয়া ইসরায়েলের সুপ্রিম প্ল্যানিং কাউন্সিলের আলোচ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত ছিল।

এ বিষয়ে ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বলেছেন, ‘আমরা বসতি স্থাপন প্রকল্পের বাস্তবায়ন অব্যাহত রাখব এবং ভূখণ্ডে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করব। ’

তবে ইতোমধ্যেই বিভিন্ন গোষ্ঠী এ বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, এ পদক্ষেপের ফলে পুরো পশ্চিম তীর ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে চলে আসতে পারে।

নতুন বসতি স্থাপনের ঘোষণার পরে ফিলিস্তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, পশ্চিম তীরকে খুব দ্রুত পুরোপুরি দখলে নেওয়ার একটি ভয়ঙ্কর পদক্ষেপ হিসেবে বসতি স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

এদিকে ইসরায়েলের এই পদক্ষেপের ফলে এ অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়বে বলে জানিয়েছে গাজার নিয়ন্ত্রণকারী হামাস। আর ফাতাহ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ‘যেভাবে গাজা থেকে বসতি স্থাপনকারীদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, একইভাবে পশ্চিম তীর থেকেও সরিয়ে দেওয়া হবে।’

আজ সোমবার (১৯ জুন) ইসরায়েলের সঙ্গে ফিলিস্তিনের যৌথ অর্থনৈতিক কমিটির বৈঠক আছে। তবে ফিলিস্তিন জানিয়েছে, তারা এ বৈঠকে যোগ দেবে না।