3:44 pm, Thursday, 10 September 2026

পাঁচ দিনের অনশনে প্রেমিকের সঙ্গেই বিয়ে

অনলাইন ডেস্ক: সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে পাঁচ দিন অনশনের পর প্রেমিক রানার সঙ্গে প্রেমিকা ময়না খাতুনের বিয়ে হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার বাঙ্গালা ইউনিয়নের দক্ষিণ গাইলজানি গ্রামে ১০ লাখ টাকা কাবিনে এ প্রেমিক-প্রেমিকার বিয়ে হয় ।স্থানীয়রা জানান, উপজেলার বাঙ্গালা দক্ষিণ গাইলজানি গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে কলেজ ছাত্র মো. রানার (২০)-এর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল একই গ্রামের আব্দুল কাদেরের কলেজপড়ুয়া মেয়ে ময়না খাতুনের। তারা দুজনই স্থানীয় ঘোনা কুচিয়ামারা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী। কলেজ পড়ার সময়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। প্রেমের সূত্র ধরে গত রবিবার (২৩ মে) রানা তার প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে তাদের বাড়িতে যান। বিষয়টি মেয়ের বাড়ির লোকজন টের পেয়ে রানাকে আটকের চেষ্টা করেন। পরে রানা কৌশলে মেয়ের বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। পরে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

ওই দিন রাতেই বিয়ের দাবিতে প্রেমিক রানার বাড়িতে অনশন শুরু করেন ময়না খাতুন। অনশনের খবর শুনে প্রেমিক রানা ও তার বাড়ির লোকজন বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান। ময়না খাতুনের অনশনের খবর খুব তাড়াতাড়ি বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিদিন শত শত মানুষ ময়নাকে দেখতে আসে। আশেপাশের মানুষ বাড়ি থেকে খাবার এনে তাকে খেতে দিয়েছেন। অনশনকারী ময়না খাতুন রানার সাথে বিয়ে না হলে আত্মহত্যার হুমকিও দেন।

বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে শুক্রবার দুপুরে বাঙ্গালা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সোহেল রানা জানান, বেশ কয়েকদিন ধরে মেয়েটি রানাদের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন করছিলেন। বিষয়টি সমাধানের জন্য বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওই ছেলের বাড়িতে গিয়ে মেয়ে ও ছেলের পরিবারের সঙ্গে কথা বলা হয়। পরবর্তীতে উভয় পরিবারের সম্মতিতে ১০ লাখ টাকা কাবিনে তাদের বিয়ে হয়।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

পাঁচ দিনের অনশনে প্রেমিকের সঙ্গেই বিয়ে

Update Time : 06:00:38 pm, Friday, 28 May 2021

অনলাইন ডেস্ক: সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে পাঁচ দিন অনশনের পর প্রেমিক রানার সঙ্গে প্রেমিকা ময়না খাতুনের বিয়ে হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার বাঙ্গালা ইউনিয়নের দক্ষিণ গাইলজানি গ্রামে ১০ লাখ টাকা কাবিনে এ প্রেমিক-প্রেমিকার বিয়ে হয় ।স্থানীয়রা জানান, উপজেলার বাঙ্গালা দক্ষিণ গাইলজানি গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে কলেজ ছাত্র মো. রানার (২০)-এর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল একই গ্রামের আব্দুল কাদেরের কলেজপড়ুয়া মেয়ে ময়না খাতুনের। তারা দুজনই স্থানীয় ঘোনা কুচিয়ামারা ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী। কলেজ পড়ার সময়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। প্রেমের সূত্র ধরে গত রবিবার (২৩ মে) রানা তার প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে তাদের বাড়িতে যান। বিষয়টি মেয়ের বাড়ির লোকজন টের পেয়ে রানাকে আটকের চেষ্টা করেন। পরে রানা কৌশলে মেয়ের বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। পরে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।

ওই দিন রাতেই বিয়ের দাবিতে প্রেমিক রানার বাড়িতে অনশন শুরু করেন ময়না খাতুন। অনশনের খবর শুনে প্রেমিক রানা ও তার বাড়ির লোকজন বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান। ময়না খাতুনের অনশনের খবর খুব তাড়াতাড়ি বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। প্রতিদিন শত শত মানুষ ময়নাকে দেখতে আসে। আশেপাশের মানুষ বাড়ি থেকে খাবার এনে তাকে খেতে দিয়েছেন। অনশনকারী ময়না খাতুন রানার সাথে বিয়ে না হলে আত্মহত্যার হুমকিও দেন।

বিয়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে শুক্রবার দুপুরে বাঙ্গালা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান সোহেল রানা জানান, বেশ কয়েকদিন ধরে মেয়েটি রানাদের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন করছিলেন। বিষয়টি সমাধানের জন্য বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওই ছেলের বাড়িতে গিয়ে মেয়ে ও ছেলের পরিবারের সঙ্গে কথা বলা হয়। পরবর্তীতে উভয় পরিবারের সম্মতিতে ১০ লাখ টাকা কাবিনে তাদের বিয়ে হয়।