7:17 am, Friday, 23 January 2026

পাচার হওয়া অর্থ বিদেশ থেকে ফেরত আনতে ৪–৫ বছর লাগে: গভর্নর

ডেস্ক রিপোর্ট : বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ বিদেশ থেকে ফেরত আনতে ৪ থেকে ৫ বছর সময় লাগে। এর কম সময়ে তা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর ।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালাহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

পাচার হওয়া টাকা বিদেশ থেকে ফেরত আনার অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে গভর্নর বলেন, এ বিষয়ে অনেক অগ্রগতি হয়েছে। সরকার এ বিষয়ে আন্তরিক।

কতগুলো কেস চিহ্নিত করা গেছে, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সংখ্যাটা এই মুহূর্তে মনে নেই। অনেকগুলো মামলা হয়েছে।

মামলা থেকে অর্থ ফেরত আসার বিষয়ে কোনো আশাবাদ পাওয়া যাচ্ছে কি না জানতে চাইলে গভর্নর বলেন, আমাদের বাস্তবতা বলতে হবে। বিদেশ থেকে অর্থ আনতে ৪ থেকে ৫ বছর লাগে। এর নিচে হয় না। আমরা খুবই ভাগ্যবান হব, যদি লন্ডন থেকে সাইফুজ্জামান চৌধুরীর মামলার সমাধান হয়ে যায়। কারণ, মামলাটি তারা লড়েইনি। ফলে এমনিতেই তারা মামলাটি হেরে গেছে। সেখানে একটা সুযোগ আছে। সে টাকা কবে আসবে, সেটা আমি বলতে পারব না। ফেব্রুয়ারি, মার্চ, এপ্রিল, মে বা জুন মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

তিনি বলেন, বাকিগুলো আবেদনের ওপর নির্ভর করে। এটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। সেখানে আমাদের কিছু করার নেই। আমাদের ধারণা, সাইফুজ্জামান মামলা লড়েনি বলেই সে এমনিতেই হেরে গেছে।

এস আলম গ্রুপের বিষয়ে কী হলো, এমন প্রশ্নের জবাবে গভর্নর বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনে এস আলম আরবিট্রেশন ফাইল মিউটেশন করেছে। চোরের মার বড় গলা। আমরা মামলাটা লড়ব।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

ষড়যন্ত্রকারীরা সক্রিয়, আপনারা সজাগ দৃষ্টি রাখবেন: মৌলভীবাজারের জনসভায় তারেক রহমান

পাচার হওয়া অর্থ বিদেশ থেকে ফেরত আনতে ৪–৫ বছর লাগে: গভর্নর

Update Time : 09:33:05 am, Wednesday, 17 December 2025

ডেস্ক রিপোর্ট : বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া অর্থ বিদেশ থেকে ফেরত আনতে ৪ থেকে ৫ বছর সময় লাগে। এর কম সময়ে তা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর ।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালাহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

পাচার হওয়া টাকা বিদেশ থেকে ফেরত আনার অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে গভর্নর বলেন, এ বিষয়ে অনেক অগ্রগতি হয়েছে। সরকার এ বিষয়ে আন্তরিক।

কতগুলো কেস চিহ্নিত করা গেছে, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সংখ্যাটা এই মুহূর্তে মনে নেই। অনেকগুলো মামলা হয়েছে।

মামলা থেকে অর্থ ফেরত আসার বিষয়ে কোনো আশাবাদ পাওয়া যাচ্ছে কি না জানতে চাইলে গভর্নর বলেন, আমাদের বাস্তবতা বলতে হবে। বিদেশ থেকে অর্থ আনতে ৪ থেকে ৫ বছর লাগে। এর নিচে হয় না। আমরা খুবই ভাগ্যবান হব, যদি লন্ডন থেকে সাইফুজ্জামান চৌধুরীর মামলার সমাধান হয়ে যায়। কারণ, মামলাটি তারা লড়েইনি। ফলে এমনিতেই তারা মামলাটি হেরে গেছে। সেখানে একটা সুযোগ আছে। সে টাকা কবে আসবে, সেটা আমি বলতে পারব না। ফেব্রুয়ারি, মার্চ, এপ্রিল, মে বা জুন মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

তিনি বলেন, বাকিগুলো আবেদনের ওপর নির্ভর করে। এটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। সেখানে আমাদের কিছু করার নেই। আমাদের ধারণা, সাইফুজ্জামান মামলা লড়েনি বলেই সে এমনিতেই হেরে গেছে।

এস আলম গ্রুপের বিষয়ে কী হলো, এমন প্রশ্নের জবাবে গভর্নর বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনে এস আলম আরবিট্রেশন ফাইল মিউটেশন করেছে। চোরের মার বড় গলা। আমরা মামলাটা লড়ব।