9:24 pm, Wednesday, 12 August 2026

পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে বিশাল গ্রহাণু

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক :: পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে একটি দৈত্যাকৃতির গ্রহাণু। আন্তর্জাতিক মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার বিজ্ঞানীরা এ নিয়ে হুঁশিয়ারি বার্তা দিয়েছে। তাদের দাবি, পরমাণু বোমা দিয়েও একে থামানো যাবে না। এ নিয়ে তারা একটি সিমুলেশন প্রকাশ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় বিজ্ঞানীরা বলছেন, তাদের হাতে আর মাত্র ৬ মাস সময় আছে এটি থেকে পৃথিবীকে বাঁচানোর জন্য নতুন কোনো পরিকল্পনা সাজানোর। বর্তমানে এটি পৃথিবী থেকে ৩৫ মিলিয়ন মাইল দূরে রয়েছে।

গত ২৬ এপ্রিল থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত লাগাতার এই গ্রহাণুকনাকে নিয়ে গবেষণা চলে। রাডার সিস্টেম, ডাটা ইমাজিং এবং বিশ্বের সবথেকে বড় টেলিস্কোপসহ বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় এতে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এটিকে ধ্বংস করতে একটি মহাকাশযান তৈরি করার জন্য ৬ মাস খুবই কম সময়।

অপরদিকে, পরমাণু বোমা দিয়েও এটিকে ধ্বংস করা সম্ভব হবে না বলেও জানিয়েছেন তারা। আগামী ৬ মাস জুড়ে কীভাবে গ্রহাণুটি ধেয়ে আসবে তার একটি সম্ভাব্য ম্যাপ তৈরি করেছেন বিজ্ঞানীরা। ধারণা করা হচ্ছে, জার্মানি, চেক রিপাবলিক ও অস্ট্রিয়ার সীমান্ত এলাকাতেই এটি আঘাত হানবে। এ বিষয়ে নাসা ৯৯ শতাংশ নিশ্চিত বলেও জানানো হয়েছে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাবের একযুগপূর্তি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি।

পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে বিশাল গ্রহাণু

Update Time : 08:20:59 am, Thursday, 6 May 2021

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক :: পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে একটি দৈত্যাকৃতির গ্রহাণু। আন্তর্জাতিক মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার বিজ্ঞানীরা এ নিয়ে হুঁশিয়ারি বার্তা দিয়েছে। তাদের দাবি, পরমাণু বোমা দিয়েও একে থামানো যাবে না। এ নিয়ে তারা একটি সিমুলেশন প্রকাশ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় বিজ্ঞানীরা বলছেন, তাদের হাতে আর মাত্র ৬ মাস সময় আছে এটি থেকে পৃথিবীকে বাঁচানোর জন্য নতুন কোনো পরিকল্পনা সাজানোর। বর্তমানে এটি পৃথিবী থেকে ৩৫ মিলিয়ন মাইল দূরে রয়েছে।

গত ২৬ এপ্রিল থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত লাগাতার এই গ্রহাণুকনাকে নিয়ে গবেষণা চলে। রাডার সিস্টেম, ডাটা ইমাজিং এবং বিশ্বের সবথেকে বড় টেলিস্কোপসহ বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় এতে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এটিকে ধ্বংস করতে একটি মহাকাশযান তৈরি করার জন্য ৬ মাস খুবই কম সময়।

অপরদিকে, পরমাণু বোমা দিয়েও এটিকে ধ্বংস করা সম্ভব হবে না বলেও জানিয়েছেন তারা। আগামী ৬ মাস জুড়ে কীভাবে গ্রহাণুটি ধেয়ে আসবে তার একটি সম্ভাব্য ম্যাপ তৈরি করেছেন বিজ্ঞানীরা। ধারণা করা হচ্ছে, জার্মানি, চেক রিপাবলিক ও অস্ট্রিয়ার সীমান্ত এলাকাতেই এটি আঘাত হানবে। এ বিষয়ে নাসা ৯৯ শতাংশ নিশ্চিত বলেও জানানো হয়েছে।