4:59 am, Sunday, 8 February 2026

প্রথমবারের মতো মহাকাশে যাচ্ছেন সৌদি নারী

ডেস্ক রিপোর্ট : অ্যাক্সওম স্পেস আয়োজিত আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের (আইএসএস) উদ্দেশে রওয়ান দিচ্ছে একটি মিশন। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা থেকে আজ রোববার মিশনটি শুরু হবে। এই মিশনে এবার যোগ দিয়েছেন সৌদি আরবের দুই নভোচারী।

সৌদির এই দুই মহাকাশচারীর একজন রায়ানাহ বারনাভি। তিনি একজন স্তন ক্যানসার গবেষক। এছাড়া তিনি হতে যাচ্ছেন মহাকাশ ভ্রমণে যাওয়া সৌদির প্রথম কোনো নারী।

বারনাভির সঙ্গে এই মিশনে সৌদির আরও এক নভোচারী থাকছেন, তার নাম আলী আল-কারনি। তিনি পেশায় যুদ্ধবিমানের পাইলট।

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের কেপ ক্যানাভেরালের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে স্থানীয় সময় আজ রোববার বিকেল ৫টা ৩৭ মিনিটে সৌদির এই দুই নভোচারীসহ চার সদস্যের মিশনটির যাত্রা শুরু হবে।

অ্যাক্সিওম মিশন ২ (অ্যাক্স-২) নামের এই মিশনের অপর দুই সদস্য হলেন পেগি হুইটসন ও জন শফনার। পেগি মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার একজন সাবেক মহাকাশচারী। তিনি চতুর্থবারের মতো আইএসএসে যাচ্ছেন।

শফনার পেশায় ব্যবসায়ী। যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যের এই ব্যক্তি মিশনটিতে পাইলট হিসেবে কাজ করবেন। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে এই চারজন প্রায় ১০ দিন থাকবেন। সেখানে তাদের সোমবার বেলা ১টা ৩০ মিনিটের দিকে পৌঁছানোর কথা।

বারনাভি সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, সৌদিসহ এ অঞ্চলের প্রথম নারী নভোচারী হতে পারাটা তার জন্য একটা বড় আনন্দ ও সম্মানের বিষয়। এই মিশনের অংশ হতে পেরে তিনি খুবই খুশি।

মিশনে সৌদির দ্বিতীয় নভোচারী আল-কারনি একজন পেশাদার যুদ্ধবিমানের পাইলট। তিনি বলেছিলেন, সব সময় অজানা বিষয় অনুসন্ধান, আকাশ-তারার রহস্য জানার ব্যাপারে তার মধ্যে একটা প্রবল আগ্রহ কাজ করে এসেছে। এই আগ্রহ সরাসরি মেটাতে পারা তার জন্য একটা বড় সুযোগ।

আগে একবার সৌদির এক নভোচারী মহাকাশ অভিযানে গিয়েছিলেন। তিনি প্রিন্স সুলতান বিন সালমান বিন আবদুল আজিজ। সৌদির বিমানবাহিনীর সাবেক এই পাইলট ১৯৮৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র আয়োজিত মহাকাশ ভ্রমণে অংশ নিয়েছিলেন।

সৌদি আরব ২০১৮ সালে সৌদি স্পেস কমিশন প্রতিষ্ঠা করে। মহাকাশে নভোচারী পাঠানোর জন্য সংস্থাটি গত বছর একটি প্রকল্প চালু করে।

 

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

মৌলভীবাজারে বাংলা ইশারা ভাষা দিবসে প্রতিবন্ধী বক্তিদেও মাঝে উপকরণ বিতরন

প্রথমবারের মতো মহাকাশে যাচ্ছেন সৌদি নারী

Update Time : 09:09:53 am, Sunday, 21 May 2023

ডেস্ক রিপোর্ট : অ্যাক্সওম স্পেস আয়োজিত আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের (আইএসএস) উদ্দেশে রওয়ান দিচ্ছে একটি মিশন। যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা থেকে আজ রোববার মিশনটি শুরু হবে। এই মিশনে এবার যোগ দিয়েছেন সৌদি আরবের দুই নভোচারী।

সৌদির এই দুই মহাকাশচারীর একজন রায়ানাহ বারনাভি। তিনি একজন স্তন ক্যানসার গবেষক। এছাড়া তিনি হতে যাচ্ছেন মহাকাশ ভ্রমণে যাওয়া সৌদির প্রথম কোনো নারী।

বারনাভির সঙ্গে এই মিশনে সৌদির আরও এক নভোচারী থাকছেন, তার নাম আলী আল-কারনি। তিনি পেশায় যুদ্ধবিমানের পাইলট।

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের কেপ ক্যানাভেরালের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে স্থানীয় সময় আজ রোববার বিকেল ৫টা ৩৭ মিনিটে সৌদির এই দুই নভোচারীসহ চার সদস্যের মিশনটির যাত্রা শুরু হবে।

অ্যাক্সিওম মিশন ২ (অ্যাক্স-২) নামের এই মিশনের অপর দুই সদস্য হলেন পেগি হুইটসন ও জন শফনার। পেগি মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার একজন সাবেক মহাকাশচারী। তিনি চতুর্থবারের মতো আইএসএসে যাচ্ছেন।

শফনার পেশায় ব্যবসায়ী। যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যের এই ব্যক্তি মিশনটিতে পাইলট হিসেবে কাজ করবেন। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে এই চারজন প্রায় ১০ দিন থাকবেন। সেখানে তাদের সোমবার বেলা ১টা ৩০ মিনিটের দিকে পৌঁছানোর কথা।

বারনাভি সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, সৌদিসহ এ অঞ্চলের প্রথম নারী নভোচারী হতে পারাটা তার জন্য একটা বড় আনন্দ ও সম্মানের বিষয়। এই মিশনের অংশ হতে পেরে তিনি খুবই খুশি।

মিশনে সৌদির দ্বিতীয় নভোচারী আল-কারনি একজন পেশাদার যুদ্ধবিমানের পাইলট। তিনি বলেছিলেন, সব সময় অজানা বিষয় অনুসন্ধান, আকাশ-তারার রহস্য জানার ব্যাপারে তার মধ্যে একটা প্রবল আগ্রহ কাজ করে এসেছে। এই আগ্রহ সরাসরি মেটাতে পারা তার জন্য একটা বড় সুযোগ।

আগে একবার সৌদির এক নভোচারী মহাকাশ অভিযানে গিয়েছিলেন। তিনি প্রিন্স সুলতান বিন সালমান বিন আবদুল আজিজ। সৌদির বিমানবাহিনীর সাবেক এই পাইলট ১৯৮৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র আয়োজিত মহাকাশ ভ্রমণে অংশ নিয়েছিলেন।

সৌদি আরব ২০১৮ সালে সৌদি স্পেস কমিশন প্রতিষ্ঠা করে। মহাকাশে নভোচারী পাঠানোর জন্য সংস্থাটি গত বছর একটি প্রকল্প চালু করে।