ডেস্ক রিপোর্ট :: আজ সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর আবাসস্থল হোটেল ‘আইটিসি মৌরিয়া’র মিটিং রুমে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাতের একটি ছবি নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে পোস্ট করে জয়শঙ্কর লিখেছেন, ‘বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পেরে আনন্দিত বোধ করছি। আমাদের নেতৃত্ব পর্যায়ের উষ্ণ ও নিবিড় যোগাযোগই দুদেশের ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশীসুলভ অংশীদারত্বের সম্পর্কের নজির।’
এর আগে দুপুরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ভিভিআইপি চার্টার্ড ফ্লাইটে নয়াদিল্লি পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে তাকে লালগালিচা অভ্যর্থনা দেওয়া হয়। উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান ভারতের রেল ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী দর্শনা বিক্রম, ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মুহাম্মদ ইমরান ও বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী।
প্রধানমন্ত্রীকে লালগালিচা অভ্যর্থনা জানানোর মুহূর্তের কিছু ছবি টুইটারে পোস্ট করে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী লেখেন, এই সফর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান বহুমুখী সম্পর্ক আরও দৃঢ়তর করবে।
ঢাকার কূটনীতিকরা আশা করছেন, এ সফরে দুদেশের মধ্যে এমন কিছু পারস্পরিক সমঝোতা হওয়ার সম্ভাবনা আছে, যা বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম বা নীতি নির্ধারণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
প্রধানমন্ত্রী ৮ সেপ্টেম্বর ঢাকায় ফেরার আগে রাজস্থানের খাজা গরিব নওয়াজ দরগাহ শরীফ, আজমির (আজমির শরীফ দরগাহ) এবং ৫ সেপ্টেম্বর ভারত সফরের প্রথম দিনে আজ দিল্লিতে নিজামুদ্দিন আউলিয়ার দরগাহ পরিদর্শন করবেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক 






















