আমি জোবের আহমদ,বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি, মৌলভীবাজার জেলা শাখার সভাপতি। আপনাদের অবগতির জন্য জানাচ্ছি। আমাদের সংগঠন (বাপুস) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত একটি সংগঠন (রেজি নং- সি.টি.ও ১৪৭/২ অব ১৯৮১-৮২)।আপনারা ভালো করেই জানেন প্রত্যেক সংগঠনেরই নিজস্ব নিয়ম থাকে,আমরাও এর বাহিরে নই। সংগঠনের কোনো সদস্য যদি এই নিয়ম ভঙ্গ করে তাহলে তার বিরুদ্ধে সমিতির সংঘবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এটা প্রতিটি সংগঠনেরই সাধারণ প্রক্রিয়া। বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক এ বিক্রেতা সমিতির কেন্দ্রিয় কমিটি প্রণীত নীতিমালা সম্পা বাংলাদেশ ব্যাপি বিদ্যমান। আমরা মৌলভীবাজারের পুস্তক ব্যবসায়ীরা এই নীতিমালার বাহিরে নই। নীতিমালা ভঙ্গের দায়ে ইসলামিয়া লাইব্রেরী (মৌলভীবাজার সদর)-কে জরিমানা করা হয়। জরিমানার রশিদসহ গত ২৪ জানুয়ারী ইং গনমাধ্যমে (মৌলভীবাজারে কম দামে বই বিক্রি করায় পুস্তক ব্যবসায়ীদেরকে জরিমানা) শিরোনামে সংবাদ প্রচার হয়। যা আমাদের মৌলভীবাজার এর সকল পুস্তক ব্যবসায়ীদের জন্য খুবই বিব্রতকর।
আমাদের মনের ভাষা আপনাদের মাধ্যমে প্রকাশ করে থাকি। মিথ্যা সংবাদ প্রচারে জনগণ বিভ্রান্ত হন। সংবাদ প্রচারে স্বাধীনতা আছে, সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচার করলে সমাজ উপকৃত হয়। অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে সম্প্রতি। গনমাধ্যমে একই সংবাদকে ভিন্ন রূপে আবারো উপস্থাপন করার বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। আমাদের বাপুসের কোনো বক্তব্য না নিয়ে এক পক্ষের কথার ভিত্তিতে সংবাদ পরিবেশন করায় তা এক তরফা সংবাদের পরিনত হয়েছে। এছাড়া আমাদের একজন পুস্তক বিক্রেতা ও বাপুসের সাবেক নেতাকে ভুল তথা পরিবেশন ও প্ররোচিত করে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করিয়েছেন। তা সমিতির জন্য লজ্জাজনক ও অপমানজনক।
আমাদের কেন্দ্রীয় কমিটি প্রণীত নীতিমালার কপি আপনাদের সকলের সামনে প্রতিয়মান আছে আপনারা দেখে বলেন আমরা কোথায় ভুল করেছি? বার বার যেন আমরা মিথ্যা সংবাদের মুখোমুখি হচ্ছি? ইসলামিয়া লাইব্রেরীর স্বত্ত্বাধিকারী সালেহ আহমেদ যোবের দীর্ঘদিন যাবৎ বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির জেলা শাখার গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন। যে ব্যক্তি দীর্ঘদিন এই সংগঠনের সাথে যুক্ত ছিলেন সে ব্যক্তি কি করে এই সংগঠনকে সিন্ডিকেট সংগঠনে আখ্যায়িত করলেন তা আমার জানা নেই। সালেহ আহমেদ যোনের বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির গত নির্বাচনে লজ্জাজনক ভাবে হেরে যাওয়ার পর উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে সমিতির নামে কুৎসা রটাচ্ছেন যা আমাদের জন্য খুবই দুঃখ জনক। কেন্দ্রিয় কমিটির সভাপতি আরিফ হোসেনের নেতৃত্বে কেন্দ্রিয় কমিটি নিলাম পরিশ্রম করে যাচ্ছেন পুস্তক ব্যবসাকে একটি মানদণ্ডে দাড় করানোর জন্য। ” ঔষধ যদি সমগ্র বাংলাদেশে একদামে বিক্রি হয় তবে বই কেন নয়?” এই ব্যবসার সাথে সাধারণত ভদ্র শিক্ষিত সমাজের লোকই জড়িত। আগে যেখানে বইয়ের দাম ৪৫০ টাকা থাকতো তখন হয়তো কোন দোকানদার ক্রেতাভেদে ৩০০/ ৩২০/ ৩৪০/ ৩৮০ টাকায় বিক্রি করতো। এই একই বই এখন সমিতির নতুন নিয়মে দাম হয়েছে- ২৪০-২৫০ টাকা। এতে লাভ কার হলো? নিশ্চয়ই সাধারণ ক্রেতাদের। এই যে শুভংকরের ফাঁকি তা আর এখন থাকলো না। দামাদামির কবল থেকে দোকানদার ও ক্রেতা উভয়ই রক্ষা পেল। এই নিয়ে কেন্দ্রিয় কমিটির স্লোগানই হচ্ছে-
“দামাদামি নয় গায়ের মূল্যে বই ক্রয় করুন” “বই যদি হয় মনের মতো কিনতে হবে সময় মতো”
সর্বোপরি আমাদের এই ব্যবসা সুন্দরভাবে পরিচালিত করতে আপনারা গনমাধ্যম কর্মীদের সহযোগিতা প্রয়োজন। আমাদের ব্যাপারে কোন প্রশ্ন থাকলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন। মিথ্যা ও বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ প্রচার যাতে না হয় সেজন্য আপনাদের কাছে সহযোগিতার কিনয়ের সাথে কামনা করছি। সম্প্রতি সময়ে গনমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি ও আপনাদের সহযোগীতার জন্য সবিনয় অনুরোধ জানাচ্ছি। বি: নং ২৫৮৪/২০২৩ ইং
10:38 am, Thursday, 11 June 2026
News Title :
বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি, মৌলভীবাজার শাখার প্রতিবাদ বিজ্ঞপ্তি
-
নিজস্ব প্রতিবেদক - Update Time : 08:22:05 am, Monday, 12 June 2023
- 776 Time View
Tag :
Popular Post


























