3:42 am, Monday, 8 December 2025

বাজরঙ্গি ভাইজানের ক্লাইমেক্স নিয়ে বাহুবলির পরিচালকের আপত্তি

 

বিনোদন ডেস্ক:সালমান খানের ক্যারিয়ারের অন্যতম সিনেমা ‘বাজরঙ্গি ভাইজান’ মুক্তি পায় ২০১৫ সালে। যার কাহিনী লিখেছেন এসএস রাজামৌলির বাবা বিজয়েন্দ্রপ্রাসাদ। সিনেমার ক্লাইমেক্স পছন্দ ছিল না ‘বাহুবলি’-খ্যাত এ পরিচালকের। তাই গল্পের সামান্য পরিবর্তনের অনুরোধও জানান তিনি।

সম্প্রতি রজত শর্মার জনপ্রিয় শো ‘আপ কি আদালত’-এ তথ্যটি জানান সালমান খান।

রাজামৌলির যুক্তি ছিল, সিনেমায় ছোট মুন্নীকে (হর্ষালি মেহতা) তার মায়ের কাছে পৌঁছে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল পাওয়ান চরিত্রের সালমান। ক্লাইমেক্সে সেই বিষয়টিই থাকা উচিত।

ছবিতে দেখা যায়, পাকিস্তানি সাংবাদিক চার নবাব (নওয়াজউদ্দিন সিদ্দীকী) মায়ের কাছে পৌঁছে দেয় ছোট্ট মুন্নীকে। অন্যদিকে পালাতে থাকা পাওয়ানকে গুলি করে পুলিশ। রাজামৌলির মতে, মুন্নী ও তার মায়ের সামনে পাওয়ানকে গুলি করলে জুতসই হতো।

‘আরআরআর’ নির্মাতার ভাষ্য, সালমান যদি মা-মেয়ের মিলন দেখেন দৃশ্যটি অনেক বেশি আবেগঘন হবে। সেটাই হবে সিনেমার সবচেয়ে সুন্দর দৃশ্য।

এখন দর্শক মাত্র জানেন ‘বাজরঙ্গি ভাইজান’-এর লেখক নিজের ভাবনা থেকে দূরে সরেননি। তবে সিনেমার শেষে আরেকটি আবেগঘন দৃশ্যে পাওয়ান ও মুন্নীকে দেখা যায়।

অনুষ্ঠানে পরিচালক কবির খানের প্রশংসা করেন সালমান। জানান, ওই ছবিতে অভিনয়ের প্রয়োজন হয়নি। গল্প ভালোভাবে লেখা হয়েছিল। ফলে সেটে গেলেই চরিত্রের মধ্যে ঢুকে পড়তেন অভিনেতারা।

সর্বশেষ গত এপ্রিলে মুক্তি পেয়েছে সালমান অভিনীত ‘কিসি কা ভাই কিসি কি জান’। সিনেমাটি এরই মধ্যে ১৫০ কোটি রুপি আয় করেছে। সামনে দিওয়ালিতে মুক্তি পাবে ‘টাইগার থ্রি’।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

মৌলভীবাজারে থানার অফিসার ইনচার্জদের বিদায় সংবর্ধনা

বাজরঙ্গি ভাইজানের ক্লাইমেক্স নিয়ে বাহুবলির পরিচালকের আপত্তি

Update Time : 09:50:47 am, Saturday, 6 May 2023

 

বিনোদন ডেস্ক:সালমান খানের ক্যারিয়ারের অন্যতম সিনেমা ‘বাজরঙ্গি ভাইজান’ মুক্তি পায় ২০১৫ সালে। যার কাহিনী লিখেছেন এসএস রাজামৌলির বাবা বিজয়েন্দ্রপ্রাসাদ। সিনেমার ক্লাইমেক্স পছন্দ ছিল না ‘বাহুবলি’-খ্যাত এ পরিচালকের। তাই গল্পের সামান্য পরিবর্তনের অনুরোধও জানান তিনি।

সম্প্রতি রজত শর্মার জনপ্রিয় শো ‘আপ কি আদালত’-এ তথ্যটি জানান সালমান খান।

রাজামৌলির যুক্তি ছিল, সিনেমায় ছোট মুন্নীকে (হর্ষালি মেহতা) তার মায়ের কাছে পৌঁছে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল পাওয়ান চরিত্রের সালমান। ক্লাইমেক্সে সেই বিষয়টিই থাকা উচিত।

ছবিতে দেখা যায়, পাকিস্তানি সাংবাদিক চার নবাব (নওয়াজউদ্দিন সিদ্দীকী) মায়ের কাছে পৌঁছে দেয় ছোট্ট মুন্নীকে। অন্যদিকে পালাতে থাকা পাওয়ানকে গুলি করে পুলিশ। রাজামৌলির মতে, মুন্নী ও তার মায়ের সামনে পাওয়ানকে গুলি করলে জুতসই হতো।

‘আরআরআর’ নির্মাতার ভাষ্য, সালমান যদি মা-মেয়ের মিলন দেখেন দৃশ্যটি অনেক বেশি আবেগঘন হবে। সেটাই হবে সিনেমার সবচেয়ে সুন্দর দৃশ্য।

এখন দর্শক মাত্র জানেন ‘বাজরঙ্গি ভাইজান’-এর লেখক নিজের ভাবনা থেকে দূরে সরেননি। তবে সিনেমার শেষে আরেকটি আবেগঘন দৃশ্যে পাওয়ান ও মুন্নীকে দেখা যায়।

অনুষ্ঠানে পরিচালক কবির খানের প্রশংসা করেন সালমান। জানান, ওই ছবিতে অভিনয়ের প্রয়োজন হয়নি। গল্প ভালোভাবে লেখা হয়েছিল। ফলে সেটে গেলেই চরিত্রের মধ্যে ঢুকে পড়তেন অভিনেতারা।

সর্বশেষ গত এপ্রিলে মুক্তি পেয়েছে সালমান অভিনীত ‘কিসি কা ভাই কিসি কি জান’। সিনেমাটি এরই মধ্যে ১৫০ কোটি রুপি আয় করেছে। সামনে দিওয়ালিতে মুক্তি পাবে ‘টাইগার থ্রি’।