10:12 am, Thursday, 11 June 2026

বিশ্বজিৎ হত্যা : যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

ডেস্ক রিপোর্ট : বহুল আলোচিত বিশ্বজিৎ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মীর মো. নূরে আলম ওরফে লিমনকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। রাজধানীর মোহাম্মদপুরের হুমায়ুন রোড থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সোমবার (১৯ ডিসেম্বর) সকালে র‌্যাব-২-এর জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও সিনিয়র এএসপি মো. ফজলুল হক এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাবের একটি দল মোহাম্মদপুরের হুমায়ুন রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে নূরে আলম ওরফে লিমনকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেফতার লিমন রংপুরের পীরগাছা উপজেলার মীর ম. নুরুল ইসলামের ছেলে। তিনি দীর্ঘ ১০ বছর ধরে পলাতক ছিলেন।

২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর বিএনপির অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে রাজধানীর বাহাদুর শাহ পার্কের পাশে বিশ্বজিৎ দাসকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করে একদল উশৃঙ্খল লোক। বিশ্বজিৎ একটি দর্জি দোকানের কর্মচারী ছিলেন।

ওই ঘটনায় সূত্রাপুর থানায় করা হত্যা মামলায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ২১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

বিচারিক কার্যক্রম শেষে ২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর মীর মো. নূরে আলম ওরফে লিমনসহ আটজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন ঢাকার দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল-৪।

পরে হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আটজনের মধ্যে দুজনকে বেকসুর খালাস দেন এবং লিমনসহ চারজনের মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন দেন। হাইকোর্টের রায় ঘোষণার সময়ও মীর মো. নূরে আলম ওরফে লিমন পলাতক ছিলেন।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

কমলগঞ্জে চা শ্রমিকদের কৃষিপণ্য লুট ও পান গাছ কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন

বিশ্বজিৎ হত্যা : যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

Update Time : 06:41:40 am, Monday, 19 December 2022

ডেস্ক রিপোর্ট : বহুল আলোচিত বিশ্বজিৎ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি মীর মো. নূরে আলম ওরফে লিমনকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। রাজধানীর মোহাম্মদপুরের হুমায়ুন রোড থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সোমবার (১৯ ডিসেম্বর) সকালে র‌্যাব-২-এর জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) ও সিনিয়র এএসপি মো. ফজলুল হক এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাবের একটি দল মোহাম্মদপুরের হুমায়ুন রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে নূরে আলম ওরফে লিমনকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেফতার লিমন রংপুরের পীরগাছা উপজেলার মীর ম. নুরুল ইসলামের ছেলে। তিনি দীর্ঘ ১০ বছর ধরে পলাতক ছিলেন।

২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর বিএনপির অবরোধ কর্মসূচি চলাকালে রাজধানীর বাহাদুর শাহ পার্কের পাশে বিশ্বজিৎ দাসকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করে একদল উশৃঙ্খল লোক। বিশ্বজিৎ একটি দর্জি দোকানের কর্মচারী ছিলেন।

ওই ঘটনায় সূত্রাপুর থানায় করা হত্যা মামলায় ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ২১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

বিচারিক কার্যক্রম শেষে ২০১৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর মীর মো. নূরে আলম ওরফে লিমনসহ আটজনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ১৩ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন ঢাকার দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল-৪।

পরে হাইকোর্ট মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আটজনের মধ্যে দুজনকে বেকসুর খালাস দেন এবং লিমনসহ চারজনের মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন দেন। হাইকোর্টের রায় ঘোষণার সময়ও মীর মো. নূরে আলম ওরফে লিমন পলাতক ছিলেন।