5:45 am, Monday, 8 June 2026

বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে ভার্চুয়াল জলবায়ু সম্মেলনে বাইডেন

অনলাইন ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে দুদিন ব্যাপী ভাচুয়ালি জলবায়ু সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার বিশ্ব ধরিত্রী দিবসে ও আগামীকাল শুক্রবার এই সম্মেলনে বিশ্বের বহু নেতা ভাষণ দিয়েছেন এবং দিবেন। যারা এই সম্মেলনে উপস্থিত থাকছেন তারা হলো-জাতিসংঘের মহসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন, জার্মান চ্যাঞ্ছেলর আঙ্গেলা মার্কেল, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল ম্যাক্রঁ, ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জায়ের বলসনারো এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

সম্মেলনের প্রথম দিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেছেন, বিশ্বকে অস্তিত্বের সংকট কাটিয়ে উঠতে হবে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কার্বন দূষণ ২০৩০ সাল নাগাদ ৫০ থেকে ৫২ শতাংশ হ্রাসের ঘোষণা দিয়েছেন। বাইডেন বলেন, ‘এটি এমন একটি দশক যখন আমাদের এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতেই হবে, যাতে জলবায়ু সংকটের মারাত্মক পরিণতি এড়ানো যায়।’ তিনি অন্যদের বিশেষত বিশ্বের বৃহৎ অর্থনীতি সম্পন্ন দেশগুলোকে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেন।ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বাইডেনের এই উদ্যোগকে যুগান্তকারী বলে অভিহিত করে বলেছেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে বৈশ্বিক লড়াইয়ে এর প্রভাব রূপান্তর নিয়ে আসবে।’

হোয়াইট হাউজ বলছে যে, এই লক্ষ্যে পৌঁছুনোর প্রচেষ্টার মধ্যে রয়েছে কার্বন দূষণ মুক্ত বিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধি করা, গাড়ি ও ট্রাকের জ্বালানী ব্যবহারের সাশ্রয় বাড়িয়ে তোলা, শিল্প- কারখানায় কার্বন আটকে রাখার ব্যবস্থা করা এবং মিথেনের ব্যবহার কমিয়ে আনা।

এই শীর্ষ সম্মেলনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেন, তার দেশ আগামী কয়েক বছর ধরে কয়লার ব্যবহার কঠোর ভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে এবং ২০২৬-২০৩০ সালে ক্রমশই জীবাশ্ম জ্বালানি কমিয়ে আনবে।ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, নতুন কোন লক্ষের প্রতিশ্রুতি দেননি, তবে ২০৩০ সালের পরিশোধিত জ্বালানি শক্তির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতার কথা বলেছেন যাতে করে, ‘বিনিয়োগকে গতিশীল করা যায়, পরিশোধিত প্রযুক্তি আনা যায় এবং প্রাকৃতিক ও পরিশুদ্ধ সম্পৃক্ততা সম্ভব হয়। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তনিও গুয়েতেরেস শীর্ষ সম্মেলনে বলেন, আমাদের প্রয়োজন একটি সবুজ গ্রহের কিন্তু বিশ্বে এখন সতর্কতার লাল চিহ্ন। আমরা ক্ষয়ে যাবার সীমারেখায়। আমাদেরকে নিশ্চিত করতে হবে যে, আগামী পদক্ষেপ যেন সঠিক দিকে পরিচালিত হয়। সর্বত্রই নেতৃবৃন্দকে ব্যবস্থা নিতে হবে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

ডেঙ্গু পুরো জাতির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে ভার্চুয়াল জলবায়ু সম্মেলনে বাইডেন

Update Time : 07:06:13 pm, Thursday, 22 April 2021

অনলাইন ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে দুদিন ব্যাপী ভাচুয়ালি জলবায়ু সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার বিশ্ব ধরিত্রী দিবসে ও আগামীকাল শুক্রবার এই সম্মেলনে বিশ্বের বহু নেতা ভাষণ দিয়েছেন এবং দিবেন। যারা এই সম্মেলনে উপস্থিত থাকছেন তারা হলো-জাতিসংঘের মহসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন, জার্মান চ্যাঞ্ছেলর আঙ্গেলা মার্কেল, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল ম্যাক্রঁ, ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট জায়ের বলসনারো এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

সম্মেলনের প্রথম দিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেছেন, বিশ্বকে অস্তিত্বের সংকট কাটিয়ে উঠতে হবে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের কার্বন দূষণ ২০৩০ সাল নাগাদ ৫০ থেকে ৫২ শতাংশ হ্রাসের ঘোষণা দিয়েছেন। বাইডেন বলেন, ‘এটি এমন একটি দশক যখন আমাদের এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতেই হবে, যাতে জলবায়ু সংকটের মারাত্মক পরিণতি এড়ানো যায়।’ তিনি অন্যদের বিশেষত বিশ্বের বৃহৎ অর্থনীতি সম্পন্ন দেশগুলোকে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেন।ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বাইডেনের এই উদ্যোগকে যুগান্তকারী বলে অভিহিত করে বলেছেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে বৈশ্বিক লড়াইয়ে এর প্রভাব রূপান্তর নিয়ে আসবে।’

হোয়াইট হাউজ বলছে যে, এই লক্ষ্যে পৌঁছুনোর প্রচেষ্টার মধ্যে রয়েছে কার্বন দূষণ মুক্ত বিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধি করা, গাড়ি ও ট্রাকের জ্বালানী ব্যবহারের সাশ্রয় বাড়িয়ে তোলা, শিল্প- কারখানায় কার্বন আটকে রাখার ব্যবস্থা করা এবং মিথেনের ব্যবহার কমিয়ে আনা।

এই শীর্ষ সম্মেলনে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেন, তার দেশ আগামী কয়েক বছর ধরে কয়লার ব্যবহার কঠোর ভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে এবং ২০২৬-২০৩০ সালে ক্রমশই জীবাশ্ম জ্বালানি কমিয়ে আনবে।ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, নতুন কোন লক্ষের প্রতিশ্রুতি দেননি, তবে ২০৩০ সালের পরিশোধিত জ্বালানি শক্তির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহযোগিতার কথা বলেছেন যাতে করে, ‘বিনিয়োগকে গতিশীল করা যায়, পরিশোধিত প্রযুক্তি আনা যায় এবং প্রাকৃতিক ও পরিশুদ্ধ সম্পৃক্ততা সম্ভব হয়। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তনিও গুয়েতেরেস শীর্ষ সম্মেলনে বলেন, আমাদের প্রয়োজন একটি সবুজ গ্রহের কিন্তু বিশ্বে এখন সতর্কতার লাল চিহ্ন। আমরা ক্ষয়ে যাবার সীমারেখায়। আমাদেরকে নিশ্চিত করতে হবে যে, আগামী পদক্ষেপ যেন সঠিক দিকে পরিচালিত হয়। সর্বত্রই নেতৃবৃন্দকে ব্যবস্থা নিতে হবে।