5:00 am, Thursday, 18 June 2026

বুদ্ধিজীবী হতে হলে কথা বলতে হবে স্বাধীনতার পক্ষে

ডেস্ক রিপোর্ট :‘পণ্ডিত হলেই কেউ বুদ্ধিজীবী হবে না, বুদ্ধিজীবী হতে হলে স্বাধীনতার সপক্ষে কথা বলতে হবে’ বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

শুক্রবার (১৭ ডিসেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

‘প্রজন্ম ৭১ আয়োজিত ‘মুক্তিযুদ্ধের ৫০ বছর: আমাদের যত অর্জন ও করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- লেখক ও ব্লগার মারুফ রসূল, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনাল বঙ্গবন্ধু চেয়ার অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দায় মুক্ত হতে চাই। বুদ্ধিজীবীদের তালিকা যদি করতে না পারি, তবে দায়মুক্ত হব না। আমরা দায় এড়াতে চাই না, পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করতে চাই। আপনাদের অনুরোধ করব, কারো কাছে কোনো তথ্য থাকলে তা দিয়ে সহায়তা করুন।’

তিনি বলেন, ‘ধর্ম নিয়ে রাজনীতি এখনো চলছে। গত ২৬ মার্চ নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে ধর্মের নামে হেফাজত ইসলাম যা করেছে- তা আপনারা দেখেছেন।’

মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যারা দেশ জয় করেছি, তারা জয়ের আনন্দে সব ভুলে গিয়েছি। অথচ পাকিস্তানের দোসররা পরাজয়ের গ্লানি ভুলে যায়নি। তারা এখনো এ দেশেই আছেন। আল বদর, আল শামস- এরা এখনো আমাদের মাঝে রয়ে গেছে। এদের তালিকা করতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। তালিকা না করতে পারায় এরা আমাদের মাঝে মিশে গেছে।’

আমাদের পাঠ্যসূচিতে স্বাধীনতাবিরোধীদের চরিত্র তুলে ধরতে না পারায় এমনটি হয়েছে মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, ‘পাকিস্তান বাহিনী কবে আত্মসমর্পণ করেছে- এমন প্রশ্নে ৯০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান উত্তর দিতে পারেনি।’

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

শত শত নেতাকর্মী নিয়ে শ্রীমঙ্গলের সমাবেশে মোসারফ

বুদ্ধিজীবী হতে হলে কথা বলতে হবে স্বাধীনতার পক্ষে

Update Time : 09:34:40 am, Saturday, 18 December 2021

ডেস্ক রিপোর্ট :‘পণ্ডিত হলেই কেউ বুদ্ধিজীবী হবে না, বুদ্ধিজীবী হতে হলে স্বাধীনতার সপক্ষে কথা বলতে হবে’ বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

শুক্রবার (১৭ ডিসেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

‘প্রজন্ম ৭১ আয়োজিত ‘মুক্তিযুদ্ধের ৫০ বছর: আমাদের যত অর্জন ও করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- লেখক ও ব্লগার মারুফ রসূল, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনাল বঙ্গবন্ধু চেয়ার অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দায় মুক্ত হতে চাই। বুদ্ধিজীবীদের তালিকা যদি করতে না পারি, তবে দায়মুক্ত হব না। আমরা দায় এড়াতে চাই না, পূর্ণ তালিকা প্রকাশ করতে চাই। আপনাদের অনুরোধ করব, কারো কাছে কোনো তথ্য থাকলে তা দিয়ে সহায়তা করুন।’

তিনি বলেন, ‘ধর্ম নিয়ে রাজনীতি এখনো চলছে। গত ২৬ মার্চ নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে ধর্মের নামে হেফাজত ইসলাম যা করেছে- তা আপনারা দেখেছেন।’

মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যারা দেশ জয় করেছি, তারা জয়ের আনন্দে সব ভুলে গিয়েছি। অথচ পাকিস্তানের দোসররা পরাজয়ের গ্লানি ভুলে যায়নি। তারা এখনো এ দেশেই আছেন। আল বদর, আল শামস- এরা এখনো আমাদের মাঝে রয়ে গেছে। এদের তালিকা করতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি। তালিকা না করতে পারায় এরা আমাদের মাঝে মিশে গেছে।’

আমাদের পাঠ্যসূচিতে স্বাধীনতাবিরোধীদের চরিত্র তুলে ধরতে না পারায় এমনটি হয়েছে মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, ‘পাকিস্তান বাহিনী কবে আত্মসমর্পণ করেছে- এমন প্রশ্নে ৯০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান উত্তর দিতে পারেনি।’