12:17 am, Wednesday, 19 August 2026

বেগমগঞ্জে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে আটকে রেখে গণধর্ষণ, থানায় মামলা

ডেস্ক রিপোর্ট : নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৫) আটক করে গণধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। এছাড়া ধর্ষণের ছবি, ভিডিও ধারণ এবং মামলা করলে ভিডিও ভাইরাল করাসহ তাকে হত্যার হুমকি দিয়েছে ধর্ষকরা।

রোববার (১৪ নভেম্বর) রাতে এ ঘটনায় বেগমগঞ্জ থানায় নারীও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে।

মামলা ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, আগে থেকেই স্কুলে যাওয়া-আসার পথে উপজেলার নরোত্তমপুর গ্রামের আবদুল্লা আল মামুন (২৮), একই গ্রামের কামাল (৪৬), নাছের (২৫), হাজীপুর পাঁচ বাড়ির ফরহাদ (২৭) তাকে উত্ত্যক্ত করত। বিষয়টি সে তার খালাকে জানালে সন্ত্রাসীরা আরও ক্ষেপে যায়। এরপর গত ২৬ আগস্ট সকাল ১০টায় ওই ছাত্রী স্কুলে যাওয়ার সময় উপজেলার নরোত্তমপুর গ্রামের আবদুল্লা আল মামুনের (২৮) নেতৃত্বে তার সাঙ্গপাঙ্গরা তাকে অপহরণ করে পার্শ্ববর্তী সেনবাগ থানার ছাতারপাইয়ার গ্রামের একটি বাড়িতে আটক করে রাখে। এরপর অপহরণকারী আবদুল্লা আল মামুন ও কামাল ওই স্কুল ছাত্রীকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে পালাক্রমে ধর্ষণের পর ২৮ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টার দিকে সোনাইমুড়ী টাঙ্গাইলের শহিদপুর গ্রামের এক বাড়িতে নিয়ে আটকে রাখে। কামাল, নাছের ও ফরহাদ পালাক্রমে ধর্ষণ করে এবং স্থানীয় অজ্ঞাত যুবকদের এনেও তাকে ধর্ষণ করায়। সে অজ্ঞান হয়ে গেলে ওষুধ খাইয়ে একটু সুস্থ করে আবারো ধর্ষণ করত। গত মঙ্গলবার ওই ছাত্রী কৌশলে পালিয়ে তার বাড়ি চলে আসে এবং একটু সুস্থ হয়ে রোববার বেগমগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করে।

বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি জানান,এ ঘটনায় রোববার রাতে নারীও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা নেওয়া হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতারে চেষ্টা চালাচ্ছে।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

ভারতীয় বিনিয়োগকারীরা আগ্রহী হলে স্বাগত জানাবে বাংলাদেশ

বেগমগঞ্জে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে আটকে রেখে গণধর্ষণ, থানায় মামলা

Update Time : 07:42:35 am, Tuesday, 16 November 2021

ডেস্ক রিপোর্ট : নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১৫) আটক করে গণধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। এছাড়া ধর্ষণের ছবি, ভিডিও ধারণ এবং মামলা করলে ভিডিও ভাইরাল করাসহ তাকে হত্যার হুমকি দিয়েছে ধর্ষকরা।

রোববার (১৪ নভেম্বর) রাতে এ ঘটনায় বেগমগঞ্জ থানায় নারীও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে।

মামলা ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, আগে থেকেই স্কুলে যাওয়া-আসার পথে উপজেলার নরোত্তমপুর গ্রামের আবদুল্লা আল মামুন (২৮), একই গ্রামের কামাল (৪৬), নাছের (২৫), হাজীপুর পাঁচ বাড়ির ফরহাদ (২৭) তাকে উত্ত্যক্ত করত। বিষয়টি সে তার খালাকে জানালে সন্ত্রাসীরা আরও ক্ষেপে যায়। এরপর গত ২৬ আগস্ট সকাল ১০টায় ওই ছাত্রী স্কুলে যাওয়ার সময় উপজেলার নরোত্তমপুর গ্রামের আবদুল্লা আল মামুনের (২৮) নেতৃত্বে তার সাঙ্গপাঙ্গরা তাকে অপহরণ করে পার্শ্ববর্তী সেনবাগ থানার ছাতারপাইয়ার গ্রামের একটি বাড়িতে আটক করে রাখে। এরপর অপহরণকারী আবদুল্লা আল মামুন ও কামাল ওই স্কুল ছাত্রীকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে পালাক্রমে ধর্ষণের পর ২৮ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টার দিকে সোনাইমুড়ী টাঙ্গাইলের শহিদপুর গ্রামের এক বাড়িতে নিয়ে আটকে রাখে। কামাল, নাছের ও ফরহাদ পালাক্রমে ধর্ষণ করে এবং স্থানীয় অজ্ঞাত যুবকদের এনেও তাকে ধর্ষণ করায়। সে অজ্ঞান হয়ে গেলে ওষুধ খাইয়ে একটু সুস্থ করে আবারো ধর্ষণ করত। গত মঙ্গলবার ওই ছাত্রী কৌশলে পালিয়ে তার বাড়ি চলে আসে এবং একটু সুস্থ হয়ে রোববার বেগমগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করে।

বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি জানান,এ ঘটনায় রোববার রাতে নারীও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা নেওয়া হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতারে চেষ্টা চালাচ্ছে।