7:46 am, Friday, 12 June 2026

ভাগনীকে ধর্ষণের দায়ে মামা কারাগারে

স্টাফ রিপোর্টার :: মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় ভাগনীকে ধর্ষণের অভিযোগে কাশেম মিয়া (৩২) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি উপজেলার সদর জায়ফরনগর ইউনিয়নের পশ্চিম ভবানীপুর গ্রামের শামসু মিয়ার ছেলে। ২১ আগস্ট রবিবার ভোরে ধর্ষক কাশেম মিয়াকে বসতবাড়ী থেকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ধর্ষিতা মেয়েটি অভিযুক্ত কাশেম মিয়ার স্ত্রীর আপন বোনের মেয়ে। আত্মীয়তার সূত্রে সে প্রায়ই তাদের বাড়িতে আসা যাওয়া করতো। ১৯ আগস্ট কাশেম মেয়েটিকে ফুঁসলিয়ে পাশ্ববর্তী কুলাউড়া উপজেলায় নিয়ে যায়। সেখানে এক জায়গায় রেখে মেয়েটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে দুই দিন ধরে ধর্ষণ করে। এ ঘটনা জানাজানি হলে এলাকাবাসীর সহায়তায় পুলিশ ধর্ষক কাশেমকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে এবং ভিকটিমকে পুলিশে হেফাজতে নিয়ে আসেন। পরে মেয়েটির মা থানায় বাদী হয়ে অভিযুক্ত কাশেমের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ফরহাদ আহমদ বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে (মামলা নং ০৭, তারিখ ২১/০৮/২০২২) রুজু করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। জুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সঞ্জয় চক্রবর্তী বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

 

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

মৌলভীবাজারে যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট

ভাগনীকে ধর্ষণের দায়ে মামা কারাগারে

Update Time : 12:14:32 pm, Sunday, 21 August 2022

স্টাফ রিপোর্টার :: মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় ভাগনীকে ধর্ষণের অভিযোগে কাশেম মিয়া (৩২) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি উপজেলার সদর জায়ফরনগর ইউনিয়নের পশ্চিম ভবানীপুর গ্রামের শামসু মিয়ার ছেলে। ২১ আগস্ট রবিবার ভোরে ধর্ষক কাশেম মিয়াকে বসতবাড়ী থেকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ধর্ষিতা মেয়েটি অভিযুক্ত কাশেম মিয়ার স্ত্রীর আপন বোনের মেয়ে। আত্মীয়তার সূত্রে সে প্রায়ই তাদের বাড়িতে আসা যাওয়া করতো। ১৯ আগস্ট কাশেম মেয়েটিকে ফুঁসলিয়ে পাশ্ববর্তী কুলাউড়া উপজেলায় নিয়ে যায়। সেখানে এক জায়গায় রেখে মেয়েটির ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে দুই দিন ধরে ধর্ষণ করে। এ ঘটনা জানাজানি হলে এলাকাবাসীর সহায়তায় পুলিশ ধর্ষক কাশেমকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে এবং ভিকটিমকে পুলিশে হেফাজতে নিয়ে আসেন। পরে মেয়েটির মা থানায় বাদী হয়ে অভিযুক্ত কাশেমের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা দায়ের করেন।
এ বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ফরহাদ আহমদ বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে (মামলা নং ০৭, তারিখ ২১/০৮/২০২২) রুজু করে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। জুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সঞ্জয় চক্রবর্তী বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।