12:59 am, Saturday, 15 August 2026

ভোলায় কোস্টগার্ডের ‘যুদ্ধজাহাজ’ সোনার বাংলা দেখতে মানুষের ঢল

ডেস্ক রিপোর্ট: ভোলা: মহান বিজয় উপলক্ষে ভোলায় জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের ‘যুদ্ধজাহাজ’ বিসিজিএস সোনার বাংলা। সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুর ২টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এটি উন্মুক্ত ছিল। জাহাজটি এক নজর দেখার জন্য ভিড় জমায় বিপুল সংখ্যক মানুষ। ভোলা সদরের ইলিশা লঞ্চঘাট এলাকায় নোঙর করে রাখার পর থেকেই দূর-দূরান্ত থেকে অসংখ্য মানুষ ছুটে আসেন। আগতরা জানিয়েছেন, তারা যুদ্ধ জাহাজের নাম শুনেছেন কিন্তু স্বচক্ষে দেখা হয়নি। তাই প্রবল আগ্রহ থেকেই দেখতে আসা। কোস্টগার্ড জানিয়েছে, জাহাজটি সেসি অটো রোবটিক সিস্টেমের যেখানে ৩০ মিলিমিটারের ২টি অটোগান এবং ১৪.৫ মিলিমিটারের আরও ২টিসহ মোট চারটি অটোগান রয়েছে। এটি ঘণ্টায় ২৩ নটিক্যাল মাইল অতিক্রম করতে সক্ষম। ৪৭ জন নাবিক এ জাহাজ পরিচালনা করছে। ১৫৫ ফুট দৈর্ঘ্য এবং ২২ ফুট প্রস্তের এ জাহাজের ওজন ৩০৭ টন।

কোস্টগার্ড আরও জানায়, উপকূলের জলসীমায় দস্যুতা এবং অপরাধ নির্মূলে ব্যবহারের পাশাপাশি যুদ্ধকাজেও ব্যবহার হয় জাহাজটি।

লাল-সবুজের পতাকায় সজ্জিত এ জাহাজের নিরাপত্তায় নৌ পুলিশ, পুলিশ ও কোস্টগার্ডের ডুবুরি দলসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত ছিল।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

Popular Post

মৃত্যুর পর দেহের অঙ্গ দানের অঙ্গীকার—মৌলভীবাজার অনলাইন প্রেসক্লাবের যুগপূর্তিতে ‘বৃক্ষকন্যা’ সাদিয়া আক্তারকে সম্মাননা

ভোলায় কোস্টগার্ডের ‘যুদ্ধজাহাজ’ সোনার বাংলা দেখতে মানুষের ঢল

Update Time : 11:10:04 am, Monday, 16 December 2024

ডেস্ক রিপোর্ট: ভোলা: মহান বিজয় উপলক্ষে ভোলায় জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের ‘যুদ্ধজাহাজ’ বিসিজিএস সোনার বাংলা। সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুর ২টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এটি উন্মুক্ত ছিল। জাহাজটি এক নজর দেখার জন্য ভিড় জমায় বিপুল সংখ্যক মানুষ। ভোলা সদরের ইলিশা লঞ্চঘাট এলাকায় নোঙর করে রাখার পর থেকেই দূর-দূরান্ত থেকে অসংখ্য মানুষ ছুটে আসেন। আগতরা জানিয়েছেন, তারা যুদ্ধ জাহাজের নাম শুনেছেন কিন্তু স্বচক্ষে দেখা হয়নি। তাই প্রবল আগ্রহ থেকেই দেখতে আসা। কোস্টগার্ড জানিয়েছে, জাহাজটি সেসি অটো রোবটিক সিস্টেমের যেখানে ৩০ মিলিমিটারের ২টি অটোগান এবং ১৪.৫ মিলিমিটারের আরও ২টিসহ মোট চারটি অটোগান রয়েছে। এটি ঘণ্টায় ২৩ নটিক্যাল মাইল অতিক্রম করতে সক্ষম। ৪৭ জন নাবিক এ জাহাজ পরিচালনা করছে। ১৫৫ ফুট দৈর্ঘ্য এবং ২২ ফুট প্রস্তের এ জাহাজের ওজন ৩০৭ টন।

কোস্টগার্ড আরও জানায়, উপকূলের জলসীমায় দস্যুতা এবং অপরাধ নির্মূলে ব্যবহারের পাশাপাশি যুদ্ধকাজেও ব্যবহার হয় জাহাজটি।

লাল-সবুজের পতাকায় সজ্জিত এ জাহাজের নিরাপত্তায় নৌ পুলিশ, পুলিশ ও কোস্টগার্ডের ডুবুরি দলসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত ছিল।