10:59 pm, Saturday, 11 April 2026

মাছ ধরতে গিয়ে সাপের কামড়ে তরুণের মৃত্যু, পরিবারের বিশ্বাস জীবিত

স্টাফ রিপোর্টার :: মৌলভীবাজারে সাপের কামড়ে ইমরান মিয়া নামে ১৮ বছরের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে । হাসপাতালের চিকিৎসক মৃত্যু ঘোষণা করলেও পরিবারের বিশ্বাস ছেলে এখনও জীবিত আছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন ) রাতে সদর উপজেলার কাগাবালা ইউনিয়নের এ ঘটনা ঘঠেছে।

কাগাবলা ইউনিয়ের চেয়ারম্যান ইমন মোস্তফা বলেন, ইমরান শনিবার রাত দশটার দিকে বাড়ির পাশের হাওরে মাছ ধরতে যায়। মাছ ধরা থেকে বাড়িতে ফিরে পরিবারের লোকজনকে জানায় তাকে সাপে কামড় দিয়েছে। তখন সে রাতের খাবারও খায়।

ঘন্টাদুয়েক পরে সে প্রচন্ড ব্যথা অনুভব করত থাকে। সাথে সাথে তাকে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।

ইমন মোস্তফা জানান, সিলেট এমএজি উসমানী হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখান কর্ত্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ইমরান মিয়া কাগাবলা ইউনিয়নের পদিনাপুর গ্রামের ফারছু মিয়ার ছেলে।

কাগাবলা ইউনিয়ের চেয়ারম্যান ইমন মোস্তফা আরো বলেন, সিলেটের চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করলেও পরিবাবরের বিশ্বাস ইমরান মিয়া এখনও জীবিত আছে।

আজ শুক্রবার (২৪ জুন) বাদ জুমা তার দাফন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরিবারের বিশ্বাস সে জীবিত আছে। এই বিশ্বাসে তাকে রাজনগর উপজেলার গয়ঘর গ্রামে একটি বাড়িতে চিকিৎসার জন্য নেয়া হয় ।

Tag :
About Author Information

Sirajul Islam

মৌলভীবাজারে ৯ দিনব্যাপী সেবাইত প্রশিক্ষণের সনদপত্র বিতরন ও সমাপনী অনুষ্ঠান

মাছ ধরতে গিয়ে সাপের কামড়ে তরুণের মৃত্যু, পরিবারের বিশ্বাস জীবিত

Update Time : 10:38:05 am, Friday, 24 June 2022

স্টাফ রিপোর্টার :: মৌলভীবাজারে সাপের কামড়ে ইমরান মিয়া নামে ১৮ বছরের এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে । হাসপাতালের চিকিৎসক মৃত্যু ঘোষণা করলেও পরিবারের বিশ্বাস ছেলে এখনও জীবিত আছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন ) রাতে সদর উপজেলার কাগাবালা ইউনিয়নের এ ঘটনা ঘঠেছে।

কাগাবলা ইউনিয়ের চেয়ারম্যান ইমন মোস্তফা বলেন, ইমরান শনিবার রাত দশটার দিকে বাড়ির পাশের হাওরে মাছ ধরতে যায়। মাছ ধরা থেকে বাড়িতে ফিরে পরিবারের লোকজনকে জানায় তাকে সাপে কামড় দিয়েছে। তখন সে রাতের খাবারও খায়।

ঘন্টাদুয়েক পরে সে প্রচন্ড ব্যথা অনুভব করত থাকে। সাথে সাথে তাকে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।

ইমন মোস্তফা জানান, সিলেট এমএজি উসমানী হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখান কর্ত্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ইমরান মিয়া কাগাবলা ইউনিয়নের পদিনাপুর গ্রামের ফারছু মিয়ার ছেলে।

কাগাবলা ইউনিয়ের চেয়ারম্যান ইমন মোস্তফা আরো বলেন, সিলেটের চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করলেও পরিবাবরের বিশ্বাস ইমরান মিয়া এখনও জীবিত আছে।

আজ শুক্রবার (২৪ জুন) বাদ জুমা তার দাফন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরিবারের বিশ্বাস সে জীবিত আছে। এই বিশ্বাসে তাকে রাজনগর উপজেলার গয়ঘর গ্রামে একটি বাড়িতে চিকিৎসার জন্য নেয়া হয় ।